Showing posts with label সমকাল. Show all posts
Showing posts with label সমকাল. Show all posts

Monday, February 9, 2009

১০ ট্রাক অস্টú ছিল উলফার
কাজী আবুল মনসুর, চট্টগ্রাম ব্যুরো
বিগত জোট সরকারের আমলে চট্টগ্রামে আটক অত্যাধুনিক ১০ ট্রাক অস্টú ছিল ভারতের বিচ্ছিল্পুতাবাদী সংগঠন উলফার। টেকনাফ সীমাšø দিয়ে বিশাল এ অস্টেúর চালানটি বাংলাদেশে ঢুকেছিল। কারাগারে আটক চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী চোরাচালানি হাফিজুর রহমান পুলিশের কাছে উলফার জন্য আনা অস্টেúর ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য দিলেও পুলিশ তা গোপন করে গেছে। বিগত জোট সরকারের প্রভাবশালী মহলের চাপে পুলিশ এসব তথ্য আদালতে উপস্ট’াপন করেনি। এমনকি মামলার পিপি নিজেও পুলিশের কাছ থেকে এ ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা পাননি। অথচ অস্টú খালাসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান ২০০৫ সালে ঢাকার মিরপুর থানা পুলিশের কাছে বিষয়টি নিয়ে পহৃর্ণাঙ্গ একটি জবানবন্দি দেয়, যা পরে কৌশলে পুলিশ গোপন করে বলে নির্ভরযোগ্য সহৃত্রে জানা গেছে।
চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক অস্টú চোরাচালান মামলার অন্যতম আসামি হাফিজুর রহমান ২০০৫ সালের ২৬ অক্টোবর বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি মোঃ ইমদাদুল হক আজাদ সমল্প^য়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আͧসমর্পণ করে। আͧসমর্পণের পর সে এই আদালত থেকে জামিন অথবা নিরাপত্তা হেফাজতের আবেদন জানায়। হাফিজুর রহমান ত্রক্রসফায়ারে হত্যার আশগ্ধকায় নিল্ফু আদালতের পরিবর্তে দিনের শেষ ভাগে হাইকোর্টে
আͧসমর্পণ করে। আদালত তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে সল্পব্দ্যার পর রমনা থানা পুলিশের কাছে হস্টøাšøর করা হয়। রমনা থানা পরদিন অর্থাৎ বৃহ¯ক্সতিবার সকালে হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী জেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্টøাšøর করে। হাইকোর্টে আবেদনটির শুনানি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট নির্মলেন্দু দেব। ১৫ নভেল্ফ^র ১০ ট্রাক অস্টú মামলার হাজিরার দিন থাকায় ৭ নভেল্ফ^র তাকে চট্টগ্রাম পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যেই কোনো এক জায়গায় পুলিশ বা কোনো গোয়েন্দা সংস্ট’ার কর্মকর্তার কাছে হাফিজুর রহমান এই জবানবন্দি দিয়েছে অথবা চট্টগ্রামে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের কোনো এক পর্যায়ে এসব তথ্য দিয়েছে, যা গোপন করা হয়েছে। উল্কেèখ্য, হাফিজুর রহমানের বিরু™েব্দ রাজধানীর মিরপুর থানায় ৩০২/৩৪ দ-বিধিতে একটি মামলা (নল্ফ^র-৮৪, ২০-০৭-০৩) ছিল। গোপন করা জবানবন্দিতে হাফিজুর বলেছে, ওই মামলার সঙ্গে সে জড়িত নয়, এমনকি কোনো ধরনের সংশিè®দ্বতাও নেই। এ দাবি জানিয়ে সে ১০ ট্রাক অস্টú মামলার ব্যাপারে তার স্ট^ীকারোক্তিমহৃলক জবানবন্দিটি দেয়।
এ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মামলাটির তদšø না করে তথ্য গোপন করে। হাফিজুর পুলিশের কাছে তার লিখিত বক্তব্যে জানায়, আসামের ‘সšúাসবাদী’ সংগঠন উলফার সামরিক প্রধান পরেশ বড়ূয়া এ অস্টú রিসিভ করতে চট্টগ্রাম আসে। উলফার পক্ষ থেকে এ খালাসের কাজে নিয়োজিত ছিল চট্টগ্রামের অস্টú ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান। উলফার সাহায্যে অত্যাধুনিক এ অস্টú ভারতের কয়েকটি ‘সšúাসবাদী’ সংগঠনের জন্য আনা হয়েছিল।
উলফার জন্য আনা বিশাল এ অস্টেúর চালানটি ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল ধরা পড়ে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় কর্ণফুলীর তীরে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কো¤ক্সানির (সিইউএফএল) ঘাটে। উল্কেèখযোগ্য অস্টেúর মধ্যে ছিল একে-৪৭ রাইফেল ৬৯০টি, একে-৫৬ রাইফেল ৬০০টি, উজি গান ৪০০টি, টমি গান ১০০টি, আর্জেস গ্রেনেড ২৭ হাজার এবং ১১ লাখ ৩৯ হাজার রাউন্ড গুলি।
হাফিজুর উল্কেèখ করে, উলফা নেতা পরেশ বড়ূয়ার সঙ্গে জাতীয় পার্টি নেতা অভির মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সহৃত্র ধরে পরেশ বড়ূয়ার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। এক পর্যায়ে পরেশ বড়ূয়া তার সঙ্গে ব্যবসা করার প্রস্টøাব দিলে হাফিজুর রাজি হয়। ব্যবসার এক পর্যায়ে বিদেশ থেকে আমদানি করা কিছু মেশিনারিজ চট্টগ্রামে খালাসের জন্য দায়িÍ^ দেওয়া হয় হাফিজুরকে। জোট সরকারের এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার সহযোগিতায় এসব অস্টú বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে আসামে পৌঁছানোর কথা ছিল। এর সার্বিক দায়িÍ^ ছিল হাফিজুর রহমানের। মেশিনারিজ এলে যথারীতি হাফিজ তা খালাসের জন্য চট্টগ্রামে আসে। এ সময় পরেশ বড়ূয়া নিজেকে ‘জামান’ বলে পরিচয় দেয়। ২০০৪ সালের মার্চে পরেশ বড়ূয়ার সঙ্গে দেখা করে হাফিজ। ধানম-ির এক বাসায় তাদের কথা হয়। হাফিজকে বলা হয় মেশিনারিজের পরিমাণ বেশি। তাই বিশ^স্টø লোক হিসেবে এসব মেশিনারি তাকে খালাস করতে হবে। বিনিময়ে তাকে দেওয়া হবে তার চাহিদামতো টাকা। পরেশ বড়ূয়ার সঙ্গে উলফার আরো এক নেতা বৈঠকে উপস্টি’ত ছিল, যার ছ™§নাম আসিফ। আসিফ ও পরেশ বড়ূয়া মিলে বাংলাদেশের কোন জলসীমায় এসব অস্টú নামানো হবে এবং কীভাবে তা খালাস করতে হবে সবকিছু বুঝিয়ে দেয় হাফিজকে। পরেশ বড়ূয়া হাফিজকে বলে দেয়, ২৯ মার্চ মালগুলো নিয়ে লোকজন সমুদ্রপথে রওনা দেবে। বৈঠকের দিন বিকেলে পরেশ বড়ূয়া ধানম-ি ফা¯দ্বফুড শপ উই¤িক্সর সামনে দুটি কাগজের কার্টনে করে হাফিজকে ৫০ লাখ টাকা নগদ দেয়। খালাসের জন্য ওই টাকা খরচ করতে বলা হয়। বৈঠকের পরদিন উলফা নেতা জনৈক আসিফ ধানম-ির উই¤িক্সর সামনে থেকেই হাফিজকে গাড়িতে তুলে নেয়। তারা রওনা হয় চট্টগ্রামের উদ্দেশে। পথে হাফিজ ফোন করে চট্টগ্রামের ট্রলার মালিক হাজী সোবহানকে। মালামালের বিষয়ে তাকে বিস্টøারিত বলা হয়। চট্টগ্রামে পৌঁছে তারা ওঠে নগরীর হোটেল গোল্ডেন ইন-এ। গোল্ডেন ইন থেকে হাফিজ চলে যায় তাদের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান লালদীঘিরপাড়ের চশমার দোকান নুর অপটিক্যালসে। হাজী সোবহান দোকানে হাফিজের সঙ্গে দেখা করে। এ সময় সে মাল খালাসের জন্য দাবি করে ১০ লাখ টাকা। তাকে চার লাখ টাকা দেওয়ার পর সে আরো এক লাখ টাকা দাবি করে। পরেশ বড়ূয়ার কাছ থেকে নেওয়া ৫০ লাখ টাকার মধ্যে ট্রলার ভাড়া বাবদ সাড়ে ১২ লাখ টাকা খরচ করে হাফিজ। বাকি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা সে তার পটিয়ার বাড়িতে খাটের তলায় লুকিয়ে রাখে। ২৯ মার্চ সল্পব্দ্যায় ট্যাক্সিক্যাবে উলফা নেতাদের নিয়ে সে কয়লার ডিপো এলাকায় যায়। সেখান থেকে সা¤ক্সানে করে নদীতে থাকা ট্রলারে ওঠে। ট্রলার দুটি রাত ১২টায় রওনা হয়। ৩০ মার্চ রাত ১০টায় ট্রলার দুটি গভীর সমুদ্রে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজের কাছে পৌঁছে। এ সময় উলফা নেতারা জাহাজ লক্ষ্য করে হ্যান্ডমাইকে কিছু সংকেত উচ্চারণ করলে জাহাজ থেকেও জবাব দেওয়া হয়। উলফা নেতারা এ সময় জাহাজে উঠে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া বিভিল্পু কাগজপত্র এবং টাকা পরিশোধের রসিদ দেখায়। রাত ১১টা থেকে শুরু করে প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে চলে মাল ডেলিভারি।
ট্রলার দুটি লোড হওয়ার পরপরই চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়। ৩১ মার্চ ঘুরপথে ট্রলার দুটি নোঙর করে সাগরের টেকনাফ সীমাšেø। ১ এপ্রিল ভোর ৬টায় টেকনাফ থেকে রওনা হয়ে সকাল ১০টায় গিয়ে পৌঁছে কক্সবাজারে। সেখান থেকে ট্রলার দুটি রওনা দেয় চট্টগ্রামের দিকে। কক্সবাজারে ট্রলার থেকে হাফিজ নেমে যায়। হাজী সোবহান এবং উলফা নেতারা ট্রলার দুটিতে সার্বক্ষণিক তদারকিতে থাকে। সিইউএফএল ঘাটে সমল্প^য়ের জন্য হাফিজ কক্সবাজার থেকে মাইত্রেক্রাবাস নিয়ে রওনা হয় চট্টগ্রামে। কক্সবাজার থেকে সে সরাসরি চলে আসে তার পটিয়ার বাড়িতে। বাড়ি থেকে ২৯ লাখ টাকা নিয়ে তার লাল প্রাইভেটকারযোগে সিইউএফএল ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। হাফিজ ৯ লাখ টাকা রাখে গাড়ির ড্যাশবোর্ডে এবং বাকি টাকা গাড়ির ফ্লোরম্যাটের নিচে। সিইউএফএল ঘাট থেকে মাল নেওয়ার জন্য ট্রাক ঠিক করার দায়িÍ^ ছিল উলফা নেতা ছ™§নামধারী জুয়েলের। ফোনে সাতটি ট্রাকের ব্যবস্ট’া হয়েছে বলে হাফিজকে জানায় জুয়েল। শ্রমিক নেতা বাবু এগুলো ভাড়া করে দেয়। এই বাবুই হচ্ছে শ্রমিক নেতা হাজী ইয়াকুব। ট্রাকগুলো এস আলম সিমেন্ট ফ্যাক্টরির আশপাশেই রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়। হাফিজ তার প্রাইভেটকারযোগে সরাসরি হোটেল গোল্ডেন ইনে আসে। এখান থেকেই উলফা নেতাদের নিয়ে সে রওনা হয় সিইউএফএল জেটির উদ্দেশে। ১ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টায় তারা পৌঁছে সিইউএফএল ঘাটে। এখানে তাদের সঙ্গে দেখা হয় হাজী সোবহান, আরজু পাগলা ও দীন মোহাল্ফ§দের। তারা জানায়, ট্রলার দুটি নেভাল একাডেমীর কাছে নদীর মোহনায় নোঙর করে সা¤ক্সানযোগে তারা ঘাটে এসেছে। ট্রলার থেকে মাল খালাসের জন্য হাফিজ আট লাখ টাকা দেয় আরজু পাগলাকে। এ সময় প্রতি বাক্স ৮০০ টাকা হিসাবে ১ হাজার ৫০০ বাক্সের জন্য এ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। মাল খালাসের আগেই ঘাটের চারপাশে উলফার লোকজন অবস্ট’ান নেয়। লোডিংয়ের জন্য প্রস্ট‘ত থাকা সাতটি ট্রাকে মাল খালাস শুরু হয়। রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্ট’লে উপস্টি’ত হন পুলিশ সার্জেন্ট আলাউদ্দিন। তিনি দীন মোহাল্ফ§দের সঙ্গে কথা বলে সা¤ক্সানযোগে কয়লার ডিপোর উদ্দেশে চলে যান। এক পর্যায়ে তিনি আবার ফিরে আসেন। সঙ্গে নিয়ে আসেন তিন পুলিশ। লুঙ্গি ও শার্ট পরা অবস্ট’ায় ছিল পুলিশ। তাদের হাতে ছিল লাঠি। কোনো অস্টú ছিল না। সার্জেন্ট ছিল সিভিল ড্রেসে। তার কাছে একটি রিভলবার ছিল। এক পর্যায়ে সার্জেন্ট মাল খালাস বল্পব্দ করতে বলেন। ঘটনাটি মোবাইলে কর্ণফুলী থানার ওসিকে জানিয়ে সার্জেন্ট আরো ফোর্স পাঠাতে বলেন। অবস্ট’া বেগতিক দেখে হাজী সোবহানকে সঙ্গে নিয়ে হাফিজ মেরিন একাডেমীর পাশ দিয়ে সা¤ক্সানযোগে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্ট’লে পড়েছিল হাফিজের গাড়ি। গাড়িতে ছিল ২০ লাখ টাকা। কে বা কারা হাফিজের গাড়ি নিয়ে সটকে পড়ে। পুলিশ পরে গাড়িটি উ™ব্দার করলেও টাকার হদিস পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রামে ধরা পড়া ১০ ট্রাক অস্টú নিয়ে চাঞ্চল্য সৃ®িদ্ব হলে তৎকালীন ভারতীয় হাইকমিশনার বীণা সিত্রিক্র চট্টগ্রামে আসেন। এ সময় চট্টগ্রামের মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গেও বৈঠক করেন। পরে মেয়র এসব অস্টú আনার পেছনে পাকিস্টøানি গোয়েন্দা সংস্ট’া আইএসআই জড়িত বলে একাধিকবার মতপ্রকাশ করেন। বিভিল্পু চাপের মুখে বিগত জোট সরকার অস্টú আটকের দুটি মামলা দায়ের করে। একটি অস্টú ও অন্যটি চোরাচালান মামলা। এক পর্যায়ে দুটি মামলাই হিমাগারে নিয়ে যাওয়ার প্রস্ট‘তি চলে। পাঁচ বছরে একের পর এক বদল হয় মামলার তদšøকারী কর্মকর্তা। চারবার তদšø কর্মকর্তা বদলের মাধ্যমে মামলাটি নিয়ে বিপাকে পড়ে প্রশাসন। বিগত জোট সরকারের আমলে দু’দফা চার্জশিটও দেওয়া হয়। নামকাওয়াস্টেø চার্জগঠন হয়। কিন্তু আদালত মামলাটি তথ্যগতভাবে দুর্বল আখ্যায়িত করে পুলিশের কাছে ১৫টি কারণ চিহিক্রত করে পুনঃতদšেøর নির্দেশ দেন।
মামলার ব্যাপারে সরকারি পিপি অ্যাডভোকেট আহসানুল হক হেনা সমকালকে বলেন, ১০ ট্রাক অস্টú আনার পেছনে যেসব রাঘববোয়াল জড়িত, তাদের বের করতে হলে চৌকস তদšøকারী কর্মকর্তার প্রয়োজন। যেহেতু মামলাটির পেছনে আšøর্জাতিক অস্টú জোগানদাতারা রয়েছে, সে হিসেবে এ বিষয়ে তদšø করতে আšøর্জাতিক সংস্ট’া ইন্টারপোল বা স্ট‹টল্যান্ড ইয়ার্ডের সহায়তা নিতে পারে সরকার। তিনি বলেন, পুলিশ ইতিমধ্যে মামলাটির তদšেøর ব্যাপারে অপারগতা প্রকাশ করেছে। হাফিজুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশের কাছে কী বক্তব্য দিয়েছে, তা আমার কাছে আসেনি।
মামলার তদšø নিয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্টø বলেন, আমি নিজেও একাধিকবার সরকারি পিপির সঙ্গে কথা বলেছি, যাতে সত্যিটা বেরিয়ে আসে। তিনি বলেন, ১০ ট্রাক অস্টú আটকের কারণে বিদেশে দেশের ভাবমহৃর্তি নিয়ে প্রশু উঠেছে। তাই দেশের স্ট^ার্থে জড়িতদের খুঁজে বের করা উচিত।
অস্টú মামলা নিয়ে পুলিশের অপারগতার বিষয়টি আদালতে জানানো হয়েছে। চট্টগ্রাম পুলিশের কমিশনার মোহাল্ফ§দ মনিরুজ্জামান সমকালকে বলেন, মামলাটি তদšø করছে সিআইডি। হাফিজুর গ্রেফতারের পর কী জবানবন্দি দিয়েছে, তা আমি দেখিনি। না দেখে কিছু বলতে পারব না। এ বিষয়ে কেউ কিছু আমাকে অবহিত করেনি। তবে সরকার চাইলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারি।
মামলাটি নিয়ে নতুন তদšøকারী কর্মকর্তা সিআইডি চট্টগ্রাম জোনের এএসপি মোহাল্ফ§দ মনিরুজ্জামান চৌধুরী সমকালকে বলেন, তদšøভার পাওয়ার পর আমি কাজ শুরু করেছি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, বিস্টøারিত কিছু এখন বলতে পারব না।
এদিকে র‌্যাব সহৃত্রে জানা গেছে, আšøর্জাতিক শীর্ষ চোরাকারবারি শফিকুর রহমান ১০ ট্রাক অস্টú আমদানির পেছনে জড়িত বলে র‌্যাব তথ্য পেয়েছে। ঘটনার পর ২০০৪ সালের ৭ সেপ্টেল্টল্ফ^র র‌্যাবের একটি দল চট্টগ্রামের অভিজাত খুলশী এলাকার বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ধৃত শফিকুর মিয়ানমারের নিষি™ব্দ ‘রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন’সহ (আরএসও) বিভিল্পু সšúাসবাদী সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক ও চাঁদা প্রদানকারী। সিঙ্গাপুরে তার ব্যবসা-বাণিজ্য রয়েছে। তার কাছ থেকে এ সময় ১১টি পাসপোর্ট, বিদেশি বিভিল্পু ব্যাংকের ১৫টি ত্রেক্রডিট কার্ড, বিভিল্পু দেশের ছয়টি ডিসকাউন্ট কার্ড, একটি সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড, ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আইডি কার্ড, সিঙ্গাপুরের একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাংক অব আমেরিকা, হাবিব ব্যাংক এজি জুরিকের চেক বইসহ চোরাচালানের কাজে ব্যবহƒত বিভিল্পু কাগজপত্র পাওয়া যায়। তাকে গ্রেফতারের পর আইনের ফাঁক-ফোকরে সে বেরিয়ে যায়। বিগত জোট সরকারের আমলে তাকে গ্রেফতার করা আর সল্ফ¢ব হয়নি।

Friday, February 6, 2009

খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বিরোধী দলকে সংসদে ফিরিয়ে নিন

খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বিরোধী দলকে সংসদে ফিরিয়ে নিন
সরকারকে বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার
সমকাল প্রতিবেদক
বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে বিরোধী দলকে সংসদে ফিরিয়ে নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রচারকালে যিনি দেশ বাঁচানোর ডাক দিয়েছিলেন, তিনিই এখন নিরাপত্তাহীনতায়। তার নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টিকে আমরা বিচ্ছিল্পু ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করতে চাই না। অবিলল্ফে^ প্রয়োজনীয় ব্যবস্ট’া নিন।
গতকাল বৃহ¯ক্সতিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে দেশের আইন-শৃগ্ধখলা পরিস্টি’তির অবনতি ও খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা প্রত্যাহারের প্রতিবাদে আয়োজিত সভায় এসব কথা বলেন তিনি। যুবদল আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় সভাপতিÍ^ করেন সংগঠনের সভাপতি বরকতউল্কèা বুলু। বক্তব্য রাখেন সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবেদীন ফারুক,
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, অ্যাডভোকেট আবদুস সামাদ আজাদ, এলবার্ট পি কস্টøা, জসিম উদ্দিন মাহমুদ প্রমুখ।
খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্ট’া গ্রহণের দাবি জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, সরকারের কাছে আবেদন জানানো হলেও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় কোনো ব্যবস্ট’া নেওয়া হয়নি। তার নিরাপত্তার পক্ষে যৌক্তিক ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে। আবেদনে সাড়া না পাওয়ায় প্রতিবাদ সভা করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে আর যাতে কোনো প্রতিবাদ সভা করতে না হয়, সেজন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্ট’া নিতে হবে। যিনি দেশ বাঁচানোর ডাক দিয়েছিলেন তিনিই এখন নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। তার নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টিকে আমরা কোনো বিচ্ছিল্পু ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করতে চাই না।
বিএনপি সংসদে বসতে চায় উল্কেèখ করে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমরা সংসদকে কার্যকর দেখতে চাই। বিরোধী দলে থেকে আওয়ামী লীগ কখনো সংসদের প্রথম অধিবেশনে যায়নি। আমরা প্রথম অধিবেশনে গিয়ে দৃ®দ্বাšø স্ট’াপন করেছি। আসন পুনর্বিন্যাসের নামে আমাদের বসতে দেওয়া হয়নি। তারা (আওয়ামী লীগ) কার্যকর সংসদ চায় না বলেই বসার জায়গা নিয়ে কাড়াকাড়ি করছে। গণতšেúর জন্য এটা শুভ নয়। বিরোধীদলীয় নেতার নিরাপত্তার ব্যবস্ট’া করুন, সংসদে যাওয়ার ব্যবস্ট’া নিন। আমরা আপনাদের সি™ব্দাšেøর অপেক্ষায় আছি।
জয়নাল আবেদীন ফারুক বলেন, সংসদ পরিচালনায় আমাদের নেত্রী সহযোগিতা করতে চেয়েছিলেন। সংসদে আসন পুনর্বিন্যাস নিয়ে জটিলতার পর বিরোধীদলীয় নেত্রীর নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হলো। আসলে তারা সংসদকে কার্যকর করতে চায় কি-না, তা নিয়ে প্রশু রয়েছে। ক্ষমতায় বসেই প্রতিবেশী একটি দেশের তাঁবেদার হয়ে তাদের ট্রানজিট দিতে চায় আওয়ামী লীগ।
বরকতউল্কèা বুলু বলেন, ভারতকে ট্রানজিট দিলে এ দেশে যে উগ্র জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দেবে না তার কোনো গ্যারান্টি নেই। বাংলাদেশের স্ট^াধীনতা ও সার্বভৌমÍ^ হুমকির মুখে পড়লে আমরা তা রক্ষা করব।

টিফার সর্বশেষ খসড়া প্রকাশের দাবি বিএনপির

টিফার সর্বশেষ খসড়া প্রকাশের দাবি বিএনপির
সমকাল প্রতিবেদক

যুক্তরা®েদ্ব্রর সঙ্গে প্রস্টøাবিত টিফা চুক্তির সর্বশেষ খসড়া জনগণের সামনে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। দলের মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, আমরা এ চুক্তির বিরোধিতা করছি না। তবে এ বিষয়ে সি™ব্দাšø নেওয়ার আগে বিভিল্পু পর্যায়ে পর্যালোচনা দরকার। এ কারণেই চুক্তির সর্বশেষ খসড়া স¤ক্সর্কে জনগণের জানা প্রয়োজন। গতকাল বৃহ¯ক্সতিবার রাতে বিএনপির
স্ট’ায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনার পর টিফা চুক্তি প্রসঙ্গে সংবাদ সল্ফে§লনে দলের অবস্ট’ান ব্যাখ্যা করেন বিএনপি মহাসচিব। চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সভাপতিÍে^ তার গুলশানের কার্যালয়ে সল্পব্দ্যা ৭টায় ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, জাতীয় স্ট^ার্থ সমুল্পুত রেখে কোনো চুক্তি হলে তাতে আপত্তি জানাবে না বিএনপি। তবে দেশের স্ট^ার্থবিরোধী যে কোনো সি™ব্দাšেøর প্রতিবাদ জানাবে। টিফা চুক্তি নিয়ে অতীতে বিএনপি সরকারের সঙ্গে যুক্তরা®েদ্ব্রর তিন দফা আলোচনা হলেও জাতীয় স্ট^ার্থ বিবেচনায় বিএনপি তড়িঘড়ি করে চুক্তি সই করেনি।

গঙ্গায় আরো ১৮টি ‘ফারাক্কা বাঁধ’ নির্মাণ করছে ভারত

গঙ্গায় আরো ১৮টি ‘ফারাক্কা বাঁধ’ নির্মাণ করছে ভারত
আনন্দবাজার পত্রিকার রিপোর্ট
সমকাল প্রতিবেদক
ভারত গঙ্গা নদীতে ফারাক্কা বাঁধের মতো আরো দেড় ডজন বাঁধ নির্মাণ করছে। তবে বাংলাদেশ সীমাšøঘেঁষা ফারাক্কায় নয়, এসব বাঁধ নির্মিত হচ্ছে সে দেশের উত্তরাঞ্চলে। মঙ্গলবার কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকায় ‘গঙ্গার বুকে আঠারোটি বাঁধ : বিপল্পু কয়েক কোটি মানুষ’ শিরোনামের এক প্রতিবেদনে জয়া মিত্র লিখেছেন, ‘গঙ্গোত্রীর চার কিলোমিটার আগে ভৈরবঘাঁটি। সেখান থেকে হরি™^ার পর্যšø প্রায় আড়াই শ’ কিলোমিটার পথে গঙ্গার বুকে নির্মিত হতে যাচ্ছে আঠারোটি বাঁধ। বিশ^ব্যাংক ও এশীয় উল্পুয়ন ব্যাংকের অর্থানুকূল্যে এসব বাঁধ নির্মাণের পরিকল্কপ্পনা নিয়েছে মনমোহন সিং সরকার। এজন্য আšøর্জাতিক টেন্ডারও আহ্বান করা হবে। এ প্রকল্কপ্প বাস্টøবায়ন হলে গঙ্গার সবচেয়ে স্ট^চ্ছ, সবচেয়ে মুক্ত অংশটি হয়ে দাঁড়াবে বাঁধ ও সুরঙ্গের এক অল্পব্দ নরক।’
বাঁধগুলোর মুখ্য উদ্দেশ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন। গভীর সুরঙ্গ নির্মাণ করে তার ভেতর দিয়ে পার করানো হবে নদীর পানি। এভাবে সুরঙ্গ পথে চলতে গিয়ে হিমালয়নন্দিনী আর হিমালয়ের বনভূমি দিয়ে নেমে আসবে না। পানিতে মিশবে না বনতলের সার ও নানা আকরিক। বরং বল্পব্দ হয়ে যাবে নদী-খাত। জয়া মিত্রের আশগ্ধকা, এভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্কপ্প বাস্টøবায়ন করতে গিয়ে বিপল্পু হবে গঙ্গার অনেক উপ ও শাখা নদী। কয়েক কোটি মানুষের জীবন জীবিকা পড়ে যাবে হুমকির মুখে।
লেখক ভারতের উত্তরাঞ্চলে আঠোরোটি নতুন বাঁধ পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীদের জন্যও নির্মিত হলে বিপদ রয়েছে বলে মনে করেন। ফলে গঙ্গার ভাটিতে পানির প্রবাহ আরো কমে যাবে এবং পরিণতিতে ভূমি ও ভূমিতল বেশি বেশি করে চলে যেতে থাকবে লোনা পানির গ্রাসে।
আঠারোটি নতুন ‘ফারাক্কা বাঁধে’র প্রভাব বাংলাদেশে কতটা পড়বে, সেটা নিয়ে নিশ্চয়ই বিশেষজ্ঞরা ভাবতে বসবেন। ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশের প™§া, গড়াইসহ কয়েকটি নদনদীর পানির প্রবাহ শুষ্ফ‹ মৌসুমে বিপুলভাবে কমে যায়। ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন বিষয়ে দুই দেশের চুক্তি সই হলেও বাংলাদেশ তার ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছে না। গঙ্গায় দেড় ডজন নতুন বাঁধ নির্মিত হলে ফারাক্কা পয়েন্টে পানির প্রবাহ আরো কমে যাবে। এর পরিণতি বাংলাদেশের জন্যও ভয়াবহ হবে।

ফর সত্রিক্রয় ফোন-চাঁদাবাজ চত্রক্র

ফর সত্রিক্রয় ফোন-চাঁদাবাজ চত্রক্র
চাঁদা দাবির পর বোমা ফাটিয়ে, গুলি চালিয়ে ‘সাইড নক’ করা হয়
সমকাল প্রতিবেদক
রাজধানীর সহৃত্রাপুরে তরুণ মেডিকেল হলের সামনে গত ১০ জানুয়ারি সšúাসীদের হামলায় কর্তব্যরত পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। তদšø করে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করে পুলিশ। ফিরোজ নামে একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। সে নিজেকে ডাকাত শহীদের ক্যাডার বলে দাবি করে। সে জানায়, ডাকাত শহীদের নির্দেশেই সে চাঁদা দাবি করেছিল।
এক সপ্টøাহ আগে যাত্রাবাড়ীর একটি ফার্নিচারের দোকানে বোমা হামলা করা হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষাপট আগেরটির মতোই। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা না হলেও হামলার আগে মোবাইল ফোনে ডাকাত শহীদের নামে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
গত ২২ জানুয়ারি চাঁদার দাবিতে উত্তরার আশকোনায় সšúাসীরা একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে গুলি করে। সে সময় বাধা দিতে গিয়ে সšúাসীদের গুলিতে আহত হন পুলিশ সদস্য হারুন। পরে পা-ব চন্দ্র নামে একজনকে তাঁতীবাজার থেকে অস্টúসহ গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে দাবি করে, দেশের বাইরে পালিয়ে থাকা সšúাসী মোশারফের নির্দেশে প্রথমে চাঁদা দাবি, পরে গুলি
করা হয়েছিল।
এ তিনটি ঘটনাই নয়, মোবাইল বা ল্যান্ডফোনে চাঁদাবাজির যেসব ঘটনা ঘটে থাকে সেগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চাঁদা দাবি করা হয়েছে পলাতক শীর্ষ সšúাসীদের নামে। প্রথমে ফোনে চাঁদা দাবি, পরে গুলি অথবা বোমা ফাটিয়ে তাদের উপস্টি’তির জানান দেওয়া হয়। চাঁদাবাজরা এসব হামলাকে ‘সাইড নক’ বলে থাকে।
একটি সহৃত্র জানায়, সা¤ক্স্রতিক সময়ে চাঁদাবাজরা আবারো সত্রিক্রয় হয়ে উঠছে। শুধু পলাতক শীর্ষ সšúাসীরাই নয়, দেশে থাকা সšúাসী বা চাঁদাবাজরা আবারো নড়েচড়ে বসেছে। শীর্ষ সšúাসীদের নাম করে অনেক ছিঁচকে সšúাসীও হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির চে®দ্বা করছে। তবে এদের চাহিদা কখনোই হাজার ছাড়িয়ে লাখে গড়ায় না। ফলে অনেকে ঝামেলায় না গিয়ে টাকা দিয়ে দেন। যে খবর আইন-শৃগ্ধখলা বাহিনীর সদস্যদের কাছ বরাবর আসেও না।
সহৃত্র জানায়, গত বছরের সেপ্টেল্টল্ফ^র মাস থেকে গোয়েন্দা পুুলিশ মোবাইল ফোনে হুমকি ও চাঁদাবাজি ঠেকাতে একটি বিশেষ সেল খোলে। পরে মামলা ও জিডির পরিপ্রেক্ষিতে তদšø শেষে এ পর্যšø দু’হাজারের বেশি মোবাইল সিম বল্পব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা দাবি করেন, চাঁদাবাজি ছাড়াও মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা কিংবা ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনাও ঘটছে। তবে বেশিরভাগই হচ্ছে চাঁদা দাবির ঘটনা। এসব ঘটনায় তদšø করতে গিয়ে দেখা যায়, বেশিরভাগ দুর্বৃত্তই ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে সিম রেজি¯েদ্ব্রশন করেছিল। এসব ঘটনা তদšø করতে গিয়ে মাদারীপুরের একটি গ্র“পের অস্টিøÍ^ পাওয়া গেছে। যাদের কাজই হচ্ছে মোবাইল ফোনে শীর্ষ সšúাসীর নাম করে বিভিল্পুজনের কাছে চাঁদা দাবি করা।
গোয়েন্দা পুলিশের ডিসি মাইনুল হাসান সমকালকে বলেন, ‘শীর্ষ সšúাসী ছাড়াও মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানায় বড় একটি চত্রেক্রর সল্পব্দান পাওয়া গেছে। যারা মাদারীপুরে বসেও ঢাকায় বিভিল্পুজনের কাছে মোবাইল ফোনে চাঁদা দাবি করে থাকে। কিছুদিন আগে এ দলের এক সদস্যকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে সুব্রত বাইনের কথা বলে জোট সরকারের এক মšúীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে ফেলেছিল’। তিনি আরো বলেন, সা¤ক্স্রতিক সময়ে যে কয়টি চাঁদাবাজির ঘটনার তদšø শেষে জড়িতদের চিহিক্রত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। কয়েকটি ঘটনার নেপথ্যের নায়করা আͧগোপনে বা দেশের বাইরে আছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
সহৃত্র জানায়, চাঁদাবাজরা বর্তমানে কয়েকটি দলে বিভক্ত। এদের মধ্যে বর্তমানে মিরপুর ও আশপাশ এলাকা নিয়šúণ করছে শাহাদত, খোরশেদ ও শাহীন শিকদার। এ ৩ জনের কেউই মিরপুর এলাকায় থাকে না। পুরান ঢাকার যাত্রাবাড়ী, সহৃত্রাপুর, শ্যামপুর ও কোতোয়ালির একাংশ নিয়šúণ করে থাকে ডাকাত শহীদ গ্র“প। বর্তমানে রাজীব ও টিটু রাজবংশী ডাকাত শহীদের হয়ে কাজ করছে। তবে ডাকাত শহীদ নিজেও মাঝেমধ্যে ফোন করেছে বলে প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। সা¤ক্স্রতিক সময়ে উত্তরা ও গুলশান-মহাখালী এলাকায় মোশাররফ নামে একজনের নাম আসছে।
সেই নেপথ্যে থেকে চাঁদাবাজদের নেতৃÍে^ দিচ্ছে বলে জানা গেছে। পুলিশের ধারণা, এটি তার ছ™§নাম। সে বড়মাপের কেউ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, সে দেশের বাইরে আছে।
রামপুরা, বনশ্রী, বাড্ডা এলাকা নিয়šúণ করছে কাওসার নামে একজন। ধানম-ি-মোহাল্ফ§দপুর এলাকায় চাঁদাবাজি হয় ফিদ্ধডম সোহেল ও পিচ্চি হেলালের নামে। এর মধ্যে একজন কারাগারে, অন্যজন পলাতক। তবে কয়েক দিন আগে ত্রক্রসফায়ারে মারা যায় বড় মানিক। সেও বড়মাপের চাঁদাবাজ ছিল।
চাঁদাবাজরা কখনোই একজন আরেকজনের এলাকায় প্রবেশ করে না। এদের মধ্যে এ মিল বা ত্যাগ আছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, মিরপুর এলাকার শাহাদতের নামে চাঁদাবাজির পাশাপাশি তার নাম দিয়ে পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তার কাছে ফোন দেওয়া হয়। দেশে ফিরে এসে সে ভালো হয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে। মিরপুর এলাকার একটি সহৃত্র জানায়, শহর আলী এক সময় টে¤েক্সা ¯দ্ব্যান্ডের সহকারী ছিল। প্রথমে ¯দ্ব্যান্ড থেকে ৫ টাকা করে মালিকপক্ষের হয়ে চাঁদা ওঠাত। পরে পুলিশের সোর্স হিসেবেও কাজ করতো। শাহীনের উত্থান প্রথমে ঝুট ব্যবসা ও পরে পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে।
মিরপুর জোনের ডিসি আনোয়ার হোসেন সমকালকে বলেন, ‘পালিয়ে থাকা শীর্ষ সšúাসীদের নাম ব্যবহার করেই মোবাইল ফোনে চাঁদা দাবি করা হয়ে থাকে। এ রকম চাঁদা দাবির অভিযোগ অহরহ আসছে। কিন্তু পরে তদšø করতে গিয়ে দেখা যায়, এসব মোবাইল ফোনের সিম রেজি¯েদ্ব্রশন করার সময় ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে ফোনে হুমকিদাতা বা ফোন-চাঁদাবাজদের খুঁজে বের করতে বেশ বেগ পেতে হয়।’

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নবায়ন হচ্ছে

ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নবায়ন হচ্ছে
এ চুক্তির আওতায়ই ট্রানজিট সুবিধা
সমকাল প্রতিবেদক
সরকার বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি নবায়নের সি™ব্দাšø নিয়েছে। গতকাল বৃহ¯ক্সতিবার মšিúসভার এক বৈঠকে চুক্তিটি তিন বছরের জন্য নবায়নের প্রস্টøাব অনুমোদন হয়। এ চুক্তির আওতায় ভারত ও বাংলাদেশ পর¯ক্সর ট্রানজিট সুবিধা ভোগ করবে। এছাড়া মšিúসভা দু’দেশের সরকারের মধ্যে ™ি^পক্ষীয় পুঁজি বিনিয়োগ, উল্পুয়ন ও সংরক্ষণ চুক্তি অনুমোদন করে।
মšিúপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমšúী শেখ হাসিনার সভাপতিÍে^ অনুষ্ঠিত মšিúসভার বৈঠকে চুক্তি দুটি অনুমোদন করা হয়। বৈঠক শেষে প্রধানমšúী শেখ হাসিনার তথ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের
জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তি আগামী তিন বছরের জন্য নবায়নের সি™ব্দাšø নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, ১৯৮০ সালে রা®দ্ব্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে প্রথম বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য চুক্তি হয়। পরে ২০০৬ সালের ২১ মার্চ তৎকালীন অর্থমšúী এম সাইফুর রহমান চুক্তিটি নবায়ন করেন। ১৩ অনুচ্ছেদের ওই চুক্তির ৮ নল্ফ^র অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘উভয় সরকার এক দেশ থেকে অপর দেশের স্ট’ানসমহৃহে পণ্য পারাপারে বাণিজ্যের জন্য দু’দেশের নৌপথ, সড়কপথ ও রেলপথ ব্যবহারে পার¯ক্সরিক কল্যাণকর ব্যবস্ট’ায় সল্ফ§ত হয়েছে।’
বৈঠকে মšিúসভার সদস্য ও সংশিè®দ্ব মšúণালয়ের প্রতিমšúীরা উপস্টি’ত ছিলেন। এছাড়া মšিúপরিষদ সচিব আবদুল আজিজ এবং সংশিè®দ্ব সচিবরা, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও এনবিআর চেয়ারম্যান বৈঠকে উপস্টি’ত ছিলেন।
দু’দেশের সরকারের মধ্যে ™ি^পক্ষীয় পুঁজি বিনিয়োগ, উল্পুয়ন ও সংরক্ষণ চুক্তিটির বিষয়ে আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অন্যান্য দেশের সরকারের মধ্যে এ ধরনের ২৪টি চুক্তি রয়েছে। এটি ২৫ নল্ফ^র চুক্তি। শেখ হাসিনা এ চুক্তিকে ভালো চুক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, দেশের মানুষের জন্য ভালো এবং দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত হয় এ রকম কাজ সরকার আগামীতে আরো করবে।’
বৈঠক শেষে প্রধানমšúীর তথ্য সচিব তথ্য অধিদফতরের সল্ফে§লন কক্ষে ব্রিফ করেন। বেলা ১১টা থেকে ২টা পর্যšø মšিúসভার বৈঠক হয়।
এদিকে বাণিজ্যমšúী লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান গতকাল তার মšúণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তির আওতায় উভয় দেশ পণ্য পরিবহন বা ট্রানজিট সুবিধা ভোগ করবে। এ চুক্তি থাকার কারণেই ভারত চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ ভেড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে। বাংলাদেশও প্রয়োজনে ভারতের নৌবন্দরে জাহাজ ভেড়াচ্ছে। মšúী বলেন, এ চুক্তি ট্রানজিট চুক্তি নয়; তবে এ চুক্তির ৮ নল্ফ^র অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এক দেশ অন্য দেশে ট্রানজিট সুবিধা ভোগ করতে পারবে। দু’দেশের মধ্যে পার¯ক্সরিক স¤ক্সর্ক বজায় রাখা ও বাণিজ্য স¤ক্স্রসারণের লক্ষ্যে এ চুক্তি সহায়ক ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ভারতের বাজারে আরো পণ্য রফতানির সুযোগ পাবে। পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে অশুল্ক‹ বাধাসহ অন্যান্য বাধা দহৃর করতে ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ।
এদিকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি ত্রক্রমেই বাড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক, রফতানি উল্পুয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও এফবিসিসিআই সহৃত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈধ বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ৩০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে। জাতীয় রাজস্ট^ বোর্ড ও বিশেষজ্ঞদের জরিপ অনুযায়ী ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অবৈধ উপায়ে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ বৈধ পর্যায়ে ঘাটতির ™ি^গুণ।
বৃহ¯ক্সতিবার বাণিজ্যমšúী সাংবাদিকদের বলেন, দু’দেশের মধ্যকার বাণিজ্য সংত্রক্রাšø ওই চুক্তি নবায়ন করে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর চে®দ্বা করা হবে। গতকাল বাণিজ্য মšúণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ গ্রে অ্যান্ড ফিনিশড ফেব্রিক্স মিলস অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের নিয়ে এক সভা শেষে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ১৯৮০ সালে সাবেক রা®দ্ব্রপতি জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় থাকাকালে ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তিটি স্ট^াক্ষরিত হয়। চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্ট^াক্ষর করেছিলেন সাবেক বাণিজ্য প্রতিমšúী চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকী। ভারতের পক্ষে স্ট^াক্ষর করেছিলেন সে দেশের বাণিজ্যমšúী প্রণব মুখার্জি। ২০০৬ সালের ২১ মার্চ নয়াদিল্কিèতে সাবেক প্রধানমšúী খালেদা জিয়ার উপস্টি’তিতে এই চুক্তি নবায়ন করা হয়। এ সময় বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্ট^াক্ষর করেন সাবেক অর্থমšúী এম সাইফুর রহমান এবং ভারতের পক্ষে সে দেশের সাবেক বাণিজ্যমšúী কমলনাথ। সর্বশেষ চুক্তিতে স্ট^াক্ষর করার সময় এ ব্যাপারে মšিúসভার অনুমোদন নেওয়া হয়নি। গোপনেই স্ট^াক্ষর করা হয়েছিল। মšúী বলেন, বিএনপি সরকার আমলের চুক্তিটিই বর্তমান সরকার নবায়ন করতে যাচ্ছে। অথচ সেই বিএনপি এ চুক্তি নবায়নের বিষয়টিকে ইস্যু করে এর বিরু™েব্দ অবস্ট’ান নিয়েছে।
২০০৬ সালের ২১ মার্চ নবায়ন করা বাণিজ্য চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে এ বছরের ৩০ মার্চ। তাই ৩০ মার্চের পর যে কোনোদিন চুক্তিটি নবায়ন হবে বলে জানা গেছে।

Sunday, February 1, 2009

এবার রিপাবলিকান পার্টির প্রধান হলেন একজন কৃষষ্ণাঙ্গ

এবার রিপাবলিকান পার্টির প্রধান হলেন একজন কৃষষ্ণাঙ্গ

এএফপি
যুক্তরা®েদ্ব্রর রিপাবলিকান পার্টির প্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো দায়িÍ^ নিলেন একজন কৃষষ্ণাঙ্গ। শুত্রক্রবার দলীয় নির্বাচনে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কমিটির (আরএনসি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন মেরিল্যান্ডের সাবেক লেফটেন্যান্ট
গভর্নর মাইকেল ¯িদ্বল।
যুক্তরা®েদ্ব্রর দুটি বড় দলের ইতিহাসে দলীয় প্রধান হিসেবে তিনি ™ি^তীয় আফেদ্ধা-আমেরিকান। এর আগে রন ব্রাউন ১৯৮৯ সালে ডেমোত্রেক্রটিক পার্টির প্রথম কৃষষ্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
রিপাবলিকান পার্টির প্রধান নির্বাচিত হওয়ার পর মাইকেল ¯িদ্বল বলেন, ‘বল্পব্দু ও শত্র“ সবার প্রতি আমাদের আহ্বান, আমাদের সঙ্গে যোগ দিন। আমাদের সব ভালো কাজে আপনাদের পাশে চাই আমরা।’
রিপাবলিকান পার্টির জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মাইকেল ¯িদ্বলকে এখন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ডেমোত্রক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে মোকাবেলা করতে হবে। মাত্র ১১ দিন আগে যুক্তরা®েদ্ব্রর ইতিহাসে প্রথম কৃষষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষিক্ত হন ওবামা।
দলীয় কাউন্সিলের প্রতিযোগিতামহৃলক নির্বাচনে মোট ৯১ ভোট পেয়ে ১৪ ভোটের ব্যবধানে জিতে রিপাবলিকান পার্টির ইতিহাসে প্রথম কৃষষ্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান হন মাইকেল ¯িদ্বল। তার নিকটতম প্রতি™^›™^ী সাউথ ক্যারোলাইনা রাজ্যের দলীয় চেয়ারম্যান ক্যাটন ডসন পান ৭৭ ভোট।
রিপাবলিকানরা গত নভেল্ফ^রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ধকল সামলে ওঠার চে®দ্বা করছে। এজন্য দলের দমে যাওয়া ভাবমহৃর্তি উ™ব্দার এবং সিনেট ও কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের প্রাধান্য বাড়ানোর প্রচে®দ্বাই হবে ¯িদ্বলের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।
ওবামা ও ¯িদ্বলের মধ্যে একটি মিল হলো সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের প্রতি দু’জনের অনুরাগ। দলীয়প্রধান হিসেবে ¯িদ্বল নির্বাচিত হওয়ার পর আরএনসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ¯িদ্বল হচ্ছেন স্ট^ঘোষিত ‘লিংকন ধারার রিপাবলিকান’। বর্তমান ডেমোত্রক্র্যাট প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাও আব্রাহাম লিংকনকে নিজের রাজনৈতিক আদর্শ হিসেবে মানেন।

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্টি’তি জাতিসংঘের শুনানিতে অংশ নিতে জেনেভা মগেছেন পররা®দ্ব্রমšúী

বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্টি’তি
জাতিসংঘের শুনানিতে অংশ নিতে জেনেভা মগেছেন পররা®দ্ব্রমšúী
কূটনৈতিক প্রতিবেদক
বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্টি’তি জাতিসংঘে তুলে ধরতে পররা®দ্ব্রমšúী ডা. দীপু মনি জেনেভা গেছেন। গতকাল শনিবার রাতে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে তিনি ঢাকা ছেড়ে গেছেন। প্রতিনিধি দলে অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলমসহ পররা®দ্ব্র, স্ট^রা®দ্ব্র ও আইন মšúণালয় এবং বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা রয়েছেন। উল্কেèখ্য, পররা®দ্ব্রমšúী হওয়ার পর ডা. দীপু মনির এটাই প্রথম বিদেশ সফর।
সহৃত্র জানায়, আগামী ৩ ফেব্র“য়ারি সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের শুনানিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে অংশ নেবেন পররা®দ্ব্রমšúী ডা. দীপু মনি। শুনানিতে বাংলাদেশসহ ১৬টি দেশ অংশ নেবে। এতে প্রতিটি দেশকেই নিজেদের মানবাধিকার পরিস্টি’তি স¤ক্সর্কে ব্যাখ্যা দিতে হবে। একই সঙ্গে নানা প্রশেুর জবাব এবং কিছু বিষয়ে প্রতিশ্র“তি ও অঙ্গীকারের বিষয়ও রয়েছে। সাধারণত চার বছর পর পর এই শুনানি হয়ে থাকে।
সহৃত্রমতে, বিচারবহিভর্হৃত হত্যাকা-ে সমর্থন দেবে না সরকারÑ শুনানিতে এমন প্রতিশ্র“তি দেবেন পররা®দ্ব্রমšúী। এছাড়াও তিনি বেশকিছু প্রস্টøাব তুলে ধরবেন। শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের ওপর জোর দেওয়া হবে শুনানিতে। আগামী ৬ ফেব্র“য়ারি পররা®দ্ব্রমšúী ও প্রতিনিধি দল দেশে ফিরবেন।

বঙ্গবল্পব্দু হত্যাকা-ের পর ফারুক রশিদ শাহরিয়ার দেশ চালাতেন জেনারেল মইনের স্ট§ৃতিচারণ

বঙ্গবল্পব্দু হত্যাকা-ের পর ফারুক রশিদ শাহরিয়ার দেশ চালাতেন
জেনারেল মইনের স্ট§ৃতিচারণ
সমকাল ডেস্ট‹

সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ মনে করেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগ¯দ্ব বঙ্গবল্পব্দু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ঘটনাটি ছিল কয়েকজন কনিষ্ঠ পদবির অফিসারের ব্যক্তিগত আত্রেক্রাশের বহিঃপ্রকাশ। পুরো সেনাবাহিনী তাতে কোনোভাবেই স¤ক্সৃক্ত ছিল না। ওই হত্যাকা-ের পর লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফারুক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল রশিদ, মেজর শাহরিয়ার বঙ্গভবনে থেকে দেশ চালাতেন। খোন্দকার মোশতাক আহমেদ রা®দ্ব্রপতি হয়েও রা®দ্ব্র পরিচালনার স্ট^াদ নিতে পারেননি।
গত বৃহ¯ক্সতিবার প্রকাশিত তার ™ি^তীয় বই ‘শাšিøর স্ট^পেু : সময়ের স্ট§ৃতিচারণ’-এ এভাবেই ১৯৭৫ সালের ঘটনাপ্রবাহের মহৃল্যায়ন করেছেন সেনাপ্রধান। ৩৮৩ পৃষ্ঠার বইটির ‘ওয়ান ইলেভেন’ অধ্যায়ে ২০০৭ সালে ক্ষমতার পালাবদল ও এর পেছনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়েও খোলামেলা

আলোচনা করেছেন তিনি।
১৯৭৫ সালে বঙ্গবল্পব্দুকে যখন হত্যা করা হয় মইন তখন সেনাবাহিনীতে সদ্য কমিশন পাওয়া সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট। ২৩ বছর পর নিজের স্ট§ৃতিকথায় সেই ঘটনার মহৃল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘১৫ আগ¯দ্ব, ১৯৭৫ সালের রক্তক্ষয়ী এক সামরিক অভ্যুত্থানে বঙ্গবল্পব্দু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হলে খোন্দকার মোশতাক প্রেসিডেন্ট হিসেবে আবির্ভূত হন। দেশের মানুষ নির্মম এ হত্যাকা-ে ভীষণভাবে ব্যথিত ও আলোড়িত হয়েছিল। কেননা বঙ্গবল্পব্দু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন দেশের অবিসংবাদিত নেতা। তিনিই দেশের মানুষকে স্ট^াধীনতার স্ট^পু দেখিয়েছিলেন।... কাজেই তাঁর এ রকম নির্মম মৃত্যু দেশের মানুষ সহজভাবে নেয়নি। ¯ক্স®দ্বতই সর্বত্র একটা চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছিল।’
১৫ আগ¯দ্ব রাতের ঘটনার বিস্টøারিত বিবরণ মইন দেননি। বইটির বিবরণ অনুযায়ী, খাদ্য-পরিবহন ব্যবস্ট’া নিরাপদ রাখতে দায়িÍ^প্রাপ্টø একটি ইউনিটের সঙ্গে ১৪ আগ¯দ্ব তিনি জামালপুর অবস্ট’ান করছিলেন। পরদিন ঘুম থেকে উঠে বঙ্গবল্পব্দুকে নৃশংসভাবে হত্যা করার কথা জানতে পারেন।
এরপর সেপ্টেল্টল্ফ^রে ঢাকায় ফেরেন মইন। নভেল্ফ^রে সেনাবাহিনীর মধ্যকার একাধিক অভ্যুত্থান-পাল্কল্টাঅভ্যুত্থান দেখেন খুব কাছ থেকে। ৬ নভেল্ফ^র রাতে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানের সময় তিনি ছিলেন বঙ্গভবন ও তখনকার রা®দ্ব্রপতি খোন্দকার মোশতাকের নিরাপত্তার দায়িÍে^। বইটির ‘বঙ্গভবন : নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি’ অধ্যায়ে মহৃলত সেই রাতের অভিজ্ঞতাই লিপিব™ব্দ করেছেন তিনি।
মইনের বিবরণ অনুযায়ী, জুনিয়র অফিসারদের নির্দেশনায় রা®দ্ব্রতšú চলতে থাকায় সেনাবাহিনীর উচ্চপদস্ট’ অফিসারদের অস্ট^স্টিø বাড়তে থাকে। সেনাবাহিনীর সর্বস্টøরে এক ধরনের সমল্প^য়হীনতা দেখা দেয়। এ প্রেক্ষাপটে ৩ নভেল্ফ^রে সেনাবাহিনীর অসন্তু®দ্ব সিনিয়র অফিসাররা সেনাবাহিনী ও রা®দ্ব্রতšেú শৃগ্ধখলা ফিরিয়ে আনতে ১৫ আগ¯েদ্বর অভ্যুত্থানকারীদের বিরু™েব্দ পাল্কল্টা অভ্যুত্থান করেন। লেফটেন্যান্ট কর্নেল রশিদ ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফারুকরা সবকিছুর ওপর একচেটিয়া নিয়šúণ হারায়। ওইদিনই তাদের থাইল্যান্ড পাঠিয়ে দেওয়া হয়। খোন্দকার মোশতাক বঙ্গভবনে গৃহবন্দি হন এবং তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াকে গৃহবন্দি করে ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফকে পদোল্পুতি দিয়ে সেনাপ্রধান নিযুক্ত করা হয়।
ওই ঘটনার পর বঙ্গভবনে খোন্দকার মোশতাককে ‘দেখে রাখার’ দায়িÍ^ পড়ে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট মইন উ আহমেদের ওপর। সেই দায়িÍ^ নিয়ে বঙ্গভবন থেকে ৬ নভেল্ফ^র রাতে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান প্রত্যক্ষ করেন মইন।
বঙ্গভবনে গৃহবন্দি খোন্দকার মোশতাক আজকের সেনাপ্রধানের স্ট§ৃতিকথায় ধরা পড়েছেন এভাবেÑ ‘রাজ্য ও ক্ষমতা হারিয়ে তিনি (মোশতাক) তখন একজন ভ¹ু হƒদয়ের মানুষ। যদিও কোনো সময়ই তাঁর হাতে প্রকৃত ক্ষমতা ছিল না, তবুও তিনি ক্ষমতার বলয়ের মধ্যেই ছিলেন।’
সেই রাতের বিবরণ দিতে গিয়ে মইন লিখেছেন, ‘গুলিস্টøান সিনেমা হল আর দৈনিক বাংলার মোড় থেকে অনেক গাড়ি বঙ্গভবনের দিকে আসতে থাকে; সঙ্গে ট্যাগ্ধক আর হাজার হাজার মানুষ। এলোপাতাড়ি গোলাগুলিও চলে কোথাও কোথাও।... আমি একজন নবীন সেনা কর্মকর্তা। আমার দায়িÍ^ ছিল খোন্দকার মোশতাককে আͧহত্যা করতে না দেয়া। এখন আমার উপর পুরো বঙ্গভবন রক্ষা করার দায়িÍ^ চেপেছে।... ভাবছিলাম আজ আমার মৃত্যু নিশ্চিত।... হাজার হাজার বিদ্রোহী মানুষ, সৈনিক, সবার সল্ফি§লিত আত্রক্রমণ। এই আত্রক্রমণে পুরো বঙ্গভবন ধুলায় মিশে যাওয়ার কথা।’
৬ নভেল্ফ^র রাতে নানা স্টøরের মানুষ আর সেনাসদস্যরা কীভাবে বঙ্গভবনের দখল নেয়, কীভাবে লুটপাট চলে এবং কীভাবে মোশতাক আহমেদকে উ™ব্দার করা হয় তারও বিস্টøারিত বিবরণ দিয়েছেন মইন।
শাšিøরক্ষা মিশন থেকে সৈন্য
ফিরিয়ে দেওয়ার হুমকি
থেকে ওয়ান ইলেভেন
২০০৭ সালর ১১ জানুয়ারির পটপরিবর্তনে সশস্টú বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও খোলামেলাভাবে লিখেছেন সেনাপ্রধান। তিনি লিখেছেন, ‘রাজনীতিবিদদের সৃ®দ্ব’ এ সংকটে সেনাবাহিনীকে জড়ানোর কোনো ইচ্ছা তার ছিল না। কিন্তু শাšিøরক্ষা মিশন থেকে বাংলাদেশের সৈন্যদের ফিরিয়ে দেওয়া হতে পারে এমন হুমকিতে তিনি সি™ব্দাšø বদলাতে বাধ্য হন।
মইন লিখেছেন, ‘এক সময় ক্ষমতাধর কয়েকটি দেশের প্রতিনিধি আমার সাথে দেখা করে জানালো, সব দলের অংশগ্রহণ ব্যতিরেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী সহায়তা করলে জাতিসংঘ শাšিøরক্ষা মিশন থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে প্রত্যাহারের জন্য তারা জাতিসংঘকে অনুরোধ করবে। প্রচ্ছল্পু এ হুমকির অবশ্যল্ফ¢াবী পরিণতি অনুধাবন করতে আমার অসুবিধা হলো না।’
১১ জানুয়ারির ঘটনাপ্রবাহের বিবরণ মইন দিয়েছেন এভাবে, ‘দেশের সার্বিক পরিস্টি’তি ও জাতিসংঘের মনোভাব নিয়ে আমি নৌ ও বিমানবাহিনী প্রধানের সাথেও কথা বললাম। তারাও সবাই একমত হলো, রা®েদ্ব্রর এ পরিস্টি’তি মহামান্য প্রেসিডেন্টকে অবগত করে তাঁর দিক-নির্দেশনা চাওয়া প্রয়োজন। আমরা প্রেসিডেন্টের সাথে কথা বলার জন্য সময় চাইলাম।...১৫:৩০ ঘটিকায় দেখা করার জন্য আমাদের সময় দেয়া হলো। ঠিক হলো আমরা তিন বাহিনীর প্রধান, সশস্টú বাহিনী বিভাগের পিএসও এবং ডিজিএফআই-এর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বারী একসাথে রা®দ্ব্রপতির সাথে কথা বলবো।’
‘নির্ধারিত সময়ের প্রায় একঘণ্টা পর বিকেল চারটায় বঙ্গভবনের ভেতরের বসার ঘরে আমাদের ডাক পড়লো।... আমি প্রেসিডেন্টকে দেশের সর্বশেষ পরিস্টি’তি, নির্বাচন, বিরোধী রাজনৈতিক দলের আলটিমেটাম, বিদেশি রা®দ্ব্রসমহৃহের অবস্ট’ান বিশেষ করে নির্বাচনের ব্যাপারে জাতিসংঘের দৃঢ় অবস্ট’ানের কথা জানালাম।...নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানও নিজ নিজ অবস্ট’ানে থেকে প্রেসিডেন্টকে পরিস্টি’তির গুরুÍ^ বোঝাতে সচে®দ্ব হলো।... আলোচনার মাধ্যমেই বের হয়ে এলো সংকট হতে উত্তরণের জন্য আমাদের সম্মুখে তিনটি পথ খোলা আছে।
এর প্রথম পথটি ছিল সেই পরিস্টি’তির ভেতরই নির্বাচন অনুষ্ঠানের চে®দ্বা করা। ™ি^তীয়ত, দেশে সামরিক আইন জারি করে সুবিধাজনক সময়ে নির্বাচনের ব্যবস্ট’া করা। আর তৃতীয় এবং শেষ উপায় ছিল দেশে সংবিধান সমুল্পুত রেখে জরুরি অবস্ট’া জারির মাধ্যমে আইন-শৃগ্ধখলা পরিস্টি’তির উল্পুতিসাপেক্ষে যত দ্র“ত সল্ফ¢ব নির্বাচন করে গণতšú পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
সেনাপ্রধান লিখেছেন, ‘সার্বিক বিবেচনায় আমরা সকলে জরুরি অবস্ট’া জারির পক্ষে আমাদের যুক্তি তুলে ধরলাম। মহামান্য প্রেসিডেন্ট আমাদের সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন কিন্তু কোনো মšøব্য করলেন না। দীর্ঘক্ষণ চুপ করে থেকে মহামান্য প্রেসিডেন্ট আরো কিছুটা সময় চাইলেন।... আমি জানতাম ইতোপহৃর্বে উপদে®দ্বা পরিষদের অনেক ইতিবাচক সি™ব্দাšø অজানা কোনো কারণ ও প্রভাবে পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। যার কারণে আমরা কোনো দু®দ্বচত্রক্রকে আবার নতুন কোনো খেলা শুরু করার সুযোগ দিতে চাচ্ছিলাম না। এক সময় আমরা সবাই প্রেসিডেন্টের কথা শোনার জন্য নিশ্চুপ হয়ে থাকলাম।’
‘দীর্ঘ নীরবতা ভেঙ্গে প্রেসিডেন্ট এক সময় সারা দেশে জরুরি অবস্ট’া জারির পক্ষে মত দিলেন। সি™ব্দাšø হলো বর্তমান উপদে®দ্বা পরিষদ তিনি ভেঙ্গে দেবেন এবং প্রধান উপদে®দ্বার পদ থেকে পদত্যাগ করবেন।... আমাদের বুক থেকে যেন একটা জগদ্দল পাথর সরে গেলো। মুহহৃর্তের ভেতর কামরার পরিবেশ কেমন উৎসবমুখর হয়ে উঠলো। সবাই আবার হাসিমুখে কথা বলা শুরু করলো। সহৃর্য রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত হলে তার উজ্জ্বলতা যেমন বৃ™িব্দ পায়, তেমনি প্রেসিডেন্টের চোখে-মুখেও হঠাৎ করে একরাশ মুক্তির আলো উদ্ভাসিত হলো।’
‘শাšিøর স্ট^পেু : সময়ের স্ট§ৃতিচারণ’ বইটি প্রকাশ করেছে এশিয়া পাবলিকেশন্স। দাম ৪০০ টাকা। গত বৃহ¯ক্সতিবার বইটির মোড়ক উšে§াচন হয়।