Showing posts with label সেনা বাহিনী. Show all posts
Showing posts with label সেনা বাহিনী. Show all posts

Thursday, February 5, 2009

৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও জিয়াউর রহমান

এমাজউদ্দীন আহমদ

পুরানো ব্যবস্থাকে দুমড়ে-মুচড়ে পুরোপুরি অকেজো করে ছুঁড়ে ফেলে নতুন ভাবে রাজনৈতিক সমাজ গড়ার উদ্যোগই হলো বিপ্লব। রাজনৈতিক ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন এবং সমাজ চেতনার দিক পরিবর্তনই এর লক্ষ্য। বিপ্লবের পরে তাই সামাজিক ইতিহাসের গতি ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। স্কসপোলের কথায় তা (বিপ্লব) সমাজ ও রাজনৈতিক ব্যবস্থায় নতুন বিন্যাসের সূচনা করে’ । এই প্রেক্ষাপটে সাত নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের পর্যালোচনা করুন, দেখবেন, সকল বিতর্কের অবসান ঘটেছে।

সাত নভেম্বরের ঘটনাক্রম যে বিপ্লবাত্মক তার প্রমাণ মেলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, এমনকি সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের দিকে দৃষ্টি দিলে। সাত নভেম্বরের পরের বাংলাদেশ সাত নভেম্বরের পূর্বের বাংলাদেশ থেকে স্বতন্ত্র হয়ে ওঠে। এই স্বাতন্ত্র্য সুস্পষ্ট হয় অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে। সুস্পষ্ট হয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও। সাত নভেম্বরের পূর্বের বাংলাদেশে বিদ্যমান অগণতান্ত্রিক একদলীয় বাকশালের ঘন কুয়াশা সাত নভেম্বরের পরের বাংলাদেশে কেটে গেছে। বহুদলীয় গণতন্ত্রের দলগুলো ক্রমে ক্রমে বিকশিত হতে শুরু করেছে। সংবাদপত্রের মুখে নতুনভাবে কথা ফুটেছে। পূর্বের ব চোখে দৃষ্টি ফিরেছে। কান খাড়া হয়েছে। নির্বাহী কতৃêত্বের পদতল থেকে সরে ক্রমে বিচার বিভাগ স্বস্তির নিশ্বাস ফেলছে। সাত নভেম্বরের বৈপ্লবিক ঘটনাক্রমের ফলে জেনারেল জিয়াউর রহমান শাসন পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। যদিও ৩ নভেম্বরে তাঁকে ব্রিগডিয়ার খালেদ মোশাররফ পদত্যাগে বাধ্য করে গৃহব িকরেছিলেন। বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান, কৃতী মুক্তিযোদ্ধা এবং একাত্তরের অনিশ্চিত মুহূর্তে স্বাধীনতার ঘোষণাদানকারী জিয়াউর রহমান সিপাহী জনতার সম্মিলিত উদ্যেগের ফলে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন হলেন, কোন পূর্ব পরিকল্পনার মাধ্যমে নয়, নয় কোন ষড়যন্ত্র অথবা কোন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। তিনি ক্ষমতা- কেন্দ্রে অভ্যুত্থান এবং প্রতি-অভ্যুত্থানের ফলে সৃষ্ট ক্ষমতার শূন্যতা পূরণ করতে এগিয়ে এলেন সাত নভেম্বরে বিপ্লবের মাধ্যমে, অনেকটা জেনারেল দ্য গল বিপর্যস্ত ফ্রান্সের রাজনৈতিক মর্যাদা সংরক্ষণের জন্যে যেমন আবির্ভূত হয়েছিলেন ফরাসি ইতিহাসের এক সংকটময় মুহূর্তে, ঠিক তেমনি। সাত নভেস্বরের পর থেকেই রুশ-ভারতের অকার কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মুক্তিলাভ করে বিশ্বময় বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ লাভ করে। দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এবং পূর্ব এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার সম-সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশ এক গৌরবময় ভূমিকা পালনের জন্যে সচকিত হয়ে ওঠে। দূরপ্রাচ্য, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার নতুন নতুন ক্ষেত্র রচিত হতে থাকে। সাত নভেম্বরের পূর্বে যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ছিল নিঃসঙ্গ, বুবিহীন, একাকী, সেই বাংলাদেশ বিশ্বময় বহুসংখ্যক সুহৃদ ও শুভানুধ্যায়ীর স্পর্শে গতিশীল হতে থাকে।

সাত নভেম্বরের পরে আঞ্চলিক পর্যায়ে বাংলাদেশ মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশে ভারতবিরোধী মনমানসিকতা পরিবর্তিত হয়ে সম-সার্বভৌমত্বের এবং সাম্যের ভিত্তিতে সহযোগিতার ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে। যার পরিপূর্ণ রূপ আরো পরে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা গঠনে সহায়ক হয়ে ওঠে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ নতুনবাবে উজ্জীবিত হয়।

সমাজতন্ত্রের নামে দেশে যে অপচয়প্রবণ দুর্নীতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক কাঠামো বিদ্যমান ছিল তার অবসান ঘটতে থাকে। ব্যক্তি উদ্যোগ এবং সৃজনশীল প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে তৈরি হয়। হেনরী কিসিঞ্জারের সেই নির্মম অভিধা- ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’র শতছিন্দ্র একে একে ব হতে থাকে। সংকীর্ণ বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে সামাজিক পর্যায়ে বৃহৎ পরিধিবিশিষ্ট উদার এবং রাষ্ট্রকেন্দ্রিক পরিশীলিত বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আবেদন ব্যাপকভিত্তিক হয়ে ওঠে। মোটকথা সাত নভেম্বরের পরে বাংলাদেশের বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির ি মৌলিক পরিবর্তন ঘটে।

সাত নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্যের আর একটি দিক হলো- সৈনিক ও জনতার মধ্যে এতদিন পর্যন্ত যে অনতিক্রম্য দূরত্ব বিদ্যমান ছিল এই আন্দোলনে তার অবসান হলো। জাতীয় স্বার্থে যা গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়, সেক্ষেত্রে সিপাহী এবং জনতার উচ্চকণ্ঠ সমগ্র সমাজকে সচকিত করে তোলে। জাতীয় চেতনা এবং জাতীয় স্বার্থের সুষম বনে আবদ্ধ হয় জনগণ ও বিভিন্ন পেশার কর্মকর্তাবৃন্দ। এদিক থেকেও বলা যায়। প্রতিরক্ষা এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থার সার্বিক পুনর্গঠনে সৃজনশীল নেতৃত্বের সুর ঝংকৃত হয়ে ওঠে এই বিপ্লবে এবং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো- বাংলাদেশের নতুন রাজনীতির সুর ও ছন্দ জিয়ার কণ্ঠে ধ্বনিত-প্রতিধ্বনিতে হতে থাকে। বাংলাদেশের নতুন রাজনীতির প্রকৃতি তাঁর কর্মকাণ্ডে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

জাতীয় জীবনের এই সক্ষিণে যখন সামরিক অভ্যুত্থানে এবং প্রতি-অভ্যুত্থানের আঘাতে জাতীয় ঐক্য খণ্ডছিন্ন হয়ে পড়ে, জাতীয় নিরাপত্তা পর্যন্ত বিপন্ন হয়ে ওঠে, সামরিকবাহিনীর মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানটি যখন উচ্চাভিলাষী সামরিক কর্মকর্তাদের ব্যক্তি-স্বার্থের মাধ্যম হয়ে পড়ে, তখনই জাতীয় ঐক্যের অন্বেষায় বিপ্লব সংঘটিত হয় সাত নভেম্বরে। এবং বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসের ধারা নির্ধারিত হয়ে গেল। এসব কারণেই এই দিবসটির গুরুত্ব এই জাতির ইতিহাসে এমন তাৎপর্যপূর্ণ।

এক্ষেত্রে এটিও উল্লেখযোগ্য যে, বাংলাদেশের জনগণের তখনকার চিন্তা-ভাবনা আজকের চিন্তা-ভাবনা থেকেও তেমন ভিন্ন নয়। জাতীয় স্বাধীনতা বিপন্ন হলে অথবা বিপন্ন হওয়ার কোন আশঙ্কা দেখা দিলে, জাতীয় ঐক্য বিধ্বস্ত হলে, কোন মহলের চক্রান্তে জাতীয় স্বার্থ ভূলুণ্ঠিত হলে বা হওযার আশঙ্কা দেখা দিলে, সাত নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রেরণা চিরঞ্জীব প্রত্যয়রূপে জাতিতে যে সঞ্জীবিত করবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। যারা জনকল্যাণের লক্ষ্যে সমাজ পরিবর্তনে উদ্যোগী, জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রেখে দেশের সমস্যা সমাধান আগ্রহী, তাদের জন্যেও সাত নভেম্বরের শিক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ওয়ান ইলেভেন সম্পর্কে আমারও অনেক কিছু বলার আছে: লে. জে. মাসুদ

ওয়ান ইলেভেন সম্পর্কে আমারও অনেক কিছু বলার আছে: লে. জে. মাসুদ

আকিদুল ইসলাম, সিডনি থেকে:
ওয়ান ইলেভেনের অন্যতম রূপকার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ওয়ান ইলেভেনের প্রেক্ষাপট নিয়ে আজ বিভিন্ন জন বিভিন্ন মত প্রকাশ করছেন। প্রত্যেকেই সেই ঐতিহাসিক ঘটনাকে নিজের মতো করে বলার চেষ্টা করছেন। আমি নিজেও ওয়ান ইলেভেনের ঘটনাবলির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। ওইদিন অন্যদের সঙ্গে আমিও উপস্থিত ছিলাম বঙ্গভবনে। ১১ জানুয়ারি সারারাত বঙ্গভবনেই ছিলাম। আমি সকল ঘটনার সাক্ষী।

মেজর জেনারেল মাসুদ ওই সময় ছিলেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ রচিত ‘শান্তির স্বপ্নে সময়ের স্মৃতিচারণ’ গ্রন্থটি প্রকাশের পর ওয়ান ইলেভেন আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ওই গ্রন্থে ১১ জানুয়ারির ঘটনাকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে তার সম্পর্কে অনেকেই দ্বিমত পোষণ করছেন, প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। ওয়ান ইলেভেনের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা জেনারেল মাসুদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওয়ান ইলেভেন কীভাবে সংগঠিত হয়েছে, কার নেতৃত্বে হয়েছে সেটা বলার সময় কি এসেছে? এখন আমরা বরং বলতে পারি, যে লক্ষে ওই ঐতিহাসিক দিনের সূচনা হয়েছিল সেটা আমরা কতটুকু সার্থক করতে পেরেছি। আমরা জাতির চোখে যে স্বপ্ন এনে দিয়েছিলাম তা পূরণ করতে পেরেছি কিনা। এখন আমাদের সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলা উচিত।

তিনি বলেন, ইতিহাসই বিচার করবে ওয়ান ইলেভেনের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিল তারা নায়ক না খলনায়ক। আমরা কেন নিজেরা নিজেদের নায়ক বানাতে যাব? জেনারেল মাসুদ বলেন, ওয়ান ইলেভেন নিয়ে আমারও অনেক কিছু বলার আছে। অনেক অজানা তথ্য আমি জানি। একদিন সেসব অবশ্যই বলব। আজ দেখছি, অনেকেই সত্য-মিথ্যা মিলিয়ে অনেক কথা বলছেন। এসবের জবাবও একদিন আমি দেব। এখন নয়। এখন আমি সরকারি কর্মচারী। এখন কিছু বললে নিজের অবস্থানের কথা মাথায় রেখে বলতে হবে। সব কিছু বলাও সম্ভব হবে না। ওয়ান ইলেভেনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ইতিহাসের কাছে আমি দায়বদ্ধ। সেই দায় আমাকে একদিন মেটাতেই হবে।

জাতির পিতা স্বীকৃতি পাননি: সেনাপ্রধান

জাতির পিতা স্বীকৃতি পাননি: সেনাপ্রধান

বাংলাদেশের সেনাপ্রধান লে জেনারেল মইন ইউ আহমেদ বলেছেন স্বাধীনতার ৩৬ বছর পরেও জাতির পিতা এবং জাতিয় নেতাদের স্বীকৃতি দেয়া হয়নি৻

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের এক সমাবেশে বক্তৃতায় সেনাপ্রধান বলেন, “ভেবে দেখুন, স্বাধীনতার ৩৬ বছর পরেও জাতির পিতাকে আমরা স্বীকৃতি দিতে পারিনি৻“

তিনি বলেন রাজনীতিকরা বিষয়টি নিয়ে শুধুমাত্র জাতিকে বিভক্ত করেছেন৻ “স্বাধীনতার পর ৩৬ বছরে আমরা শুধু পেয়েছি দূর্নীতি, বিভক্তি আর (খাদ্যে) ভেজাল৻“

জেনারেল মইন মন্তব্য করেন এখন সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যাওয়ার৻

সেনাপ্রধান বলেন শেখমুজিব হত্যামামলার দন্ডপ্রাপ্ত মহিউদ্দিন আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে৻ পলাতক অন্যদেরও দেশে আনার ব্যবস্থা হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন৻

জেনারেল মইন বলেন বর্তমান সরকারের সময়ে শেখ মুজিব হত্যা মামলার বিচারের রায় কার্যকর করার ব্যবস্থা নেয়া হবে৻

Wednesday, February 4, 2009

ওয়ান ইলেভেন সম্পর্কে আমারও অনেক কিছু বলার আছে: লে. জে. মাসুদ

ওয়ান ইলেভেন সম্পর্কে আমারও অনেক কিছু বলার আছে: লে. জে. মাসুদ

আকিদুল ইসলাম, সিডনি থেকে:

ওয়ান ইলেভেনের অন্যতম রূপকার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, ওয়ভবনেই ছিলাম। আমি সকল ঘটনার সাক্ষী।

মেজর জেনারেল মাসুদ ওই সময় ছিলেন নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি। বর্তমানে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ রচিত ‘শান্তির স্বপ্নে সময়ের স্মৃতিচারণ’ গ্রন্থটি প্রকাশের পর ওয়ান ইলেভেন আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ওই গ্রন্থে ১১ জানুয়ারির ঘটনাকে যেভাবে তুলে ধরা হয়েছে তার সম্পর্কে অনেকেই দ্বিমত পোষণ করছেন, প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন। ওয়ান ইলেভেনের অন্যতম স্বপ্নদ্রষ্টা জেনারেল মাসুদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওয়ান ইলেভেন কীভাবে সংগঠিত হয়েছে, কার নেতৃত্বে হয়েছে সেটা বলার সময় কি এসেছে? এখন আমরা বরং বলতে পারি, যে লক্ষে ওই ঐতিহাসিক দিনের সূচনা হয়েছিল সেটা আমরা কতটুকু সার্থক করতে পেরেছি। আমরা জাতির চোখে যে স্বপ্ন এনে দিয়েছিলাম তা পূরণ করতে পেরেছি কিনা। এখন আমাদের সফলতা-ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলা উচিত।

তিনি বলেন, ইতিহাসই বিচার করবে ওয়ান ইলেভেনের সঙ্গে যারা যুক্ত ছিল তারা নায়ক না খলনায়ক। আমরা কেন নিজেরা নিজেদের নায়ক বানাতে যাব? জেনারেল মাসুদ বলেন, ওয়ান ইলেভেন নিয়ে আমারও অনেক কিছু বলার আছে। অনেক অজানা তথ্য আমি জানি। একদিন সেসব অবশ্যই বলব। আজ দেখছি, অনেকেই সত্য-মিথ্যা মিলিয়ে অনেক কথা বলছেন। এসবের জবাবও একদিন আমি দেব। এখন নয়। এখন আমি সরকারি কর্মচারী। এখন কিছু বললে নিজের অবস্থানের কথা মাথায় রেখে বলতে হবে। সব কিছু বলাও সম্ভব হবে না। ওয়ান ইলেভেনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ইতিহাসের কাছে আমি দায়বদ্ধ। সেই দায় আমাকে একদিন মেটাতেই হবে।
dLi“Ïxb miKvi I `y`K †Pqvig¨v‡bi wePvi bv n‡j `ye©„Ëiv evievi ¶gZv `Lj Ki‡e

we‡kl mv¶vrKv‡i W. gwnDwÏb Lvb AvjgMxi



* dLi“Ïx‡bi mgqB UvKv cvPvi nq|

* `y`K †Pqvig¨v‡bi m¤ú` Avgvi †P‡q †ewk bv n‡j ivRbxwZ †Q‡o †`e, Zvi wb‡qvM A‰ea, †kvbv hvq wZwb ivó«cwZ n‡Z †P‡qwQ‡jb, `y`‡Ki KvV wewµ I Mvwo µ‡q jvL jvL UvKv `yb©xwZ n‡q‡Q|

* Uv¯‹‡dvm© Nyl †P‡qwQj, hZ UvKv e¨vs‡K ivLv n‡q‡Q Zvi †P‡q †ewk UvKv Iiv c‡K‡U wb‡q‡Q|

* gvgjvi cÖ¯‘wZ †kl ch©v‡q|



kvgQyÏxb Avn‡g`:

AvIqvgx jx‡Mi mfvcwZgÊjxi m`m¨ I mv‡eK cwiKíbv cÖwZgš¿x W. gwnDwÏb Lvb AvjgMxi e‡j‡Qb, W. dLi“Ïxb Avng‡`i miKvi I `yb©xwZ `gb Kwgk‡bi (†Pqvig¨vb) †jd‡Ub¨v›U †Rbv‡ij (Ae.) nvmvb gkû` †PŠa~ixi wePvimv‡c‡¶ `„óvšÍg~jK kvw¯Í nIqv Ri“wi| bB‡j `ye©„Ëiv AvMvgx‡ZI evievi ivó«xq ¶gZv `L‡ji lohš¿ Ki‡e| GgbwK AvMvgx ZË¡veavqK miKvi G‡m hw` e‡j Avgiv 10 eQi ¶gZvq _vKe Zvn‡jI wKQy Kivi _vK‡e bv| ZvB ivó«, msweavb, MYZš¿ I RbM‡Yi ¯^v_© i¶vi Rb¨ I‡`i‡K AvB‡bi gy‡LvgywL Ki‡ZB n‡e|

gwnDwÏb Lvb AvjgMxi MZKvj ebvbxi wbR evwo‡Z GB cÖwZ‡e`K‡K †`qv we‡kl GK mv¶vrKv‡i Gme K_v e‡jb| Zvi g‡Z, ivRbxwZwe`‡`i `yb©xwZevR Acev` w`‡qB evsjv‡`kmn we‡k¦i wewfbœ †`‡k ˆ¯^iZš¿ Kv‡qg n‡q‡Q| Õ58 I Õ62 mv‡jI cvwK¯Ív‡b ZvB n‡qwQj| Õ75-G e½eÜz‡K nZ¨vi mgqI ejv n‡qwQj ivRbxwZKiv `yb©xwZevR| ÔgvIjvbvÕ Gikv`I ivRbxwZK‡`i `yb©xwZevR e‡j ¶gZv `Lj K‡iwQj| wb‡R‡K mr cÖgvY Ki‡Z mvB‡K‡j P‡o Awd‡m wM‡q wZwb Qwe Zz‡j wgwWqvq cÖPvi K‡ib|

wZwb Rvbvb, W. dLi“Ïxb, Zvi miKv‡ii mKj Dc‡`óv, mKj we‡kl mnKvix, ¸i“Zi Aciva `gb msµvšÍ RvZxq mgš^q KwgwUi m‡½ m¤ú„³iv, `y`K †Pqvig¨vb I `yb©xwZwe‡ivax Awfhvb cwiPvjbvi m‡½ m¤ú„³ _vKv mvgwiK-†emvgwiK mKj Kg©KZ©v-Kg©Pvixi wei“‡× wZwb gvgjv Kivi †h cÖ¯‘wZ wb‡q‡Qb Zv GLb †kl ch©v‡q| wkMwMiB wZwb gvgjv `v‡qi Ki‡Z hv‡”Qb|

GQvov dLi“Ïx‡bi miKv‡ii mgq ¶wZMÖ¯Í I wbh©vZ‡bi wkKvi nIqv AvIqvgx jxM I weGbwci †ek KÕRb mv‡eK gš¿x, cÖwZgš¿x I mvsm`I c„_Kfv‡e gvgjv Kivi cÖ¯‘wZ wb‡”Qb e‡j Rvbvb W. gwnDwÏb| Z‡e Zv‡`i Kv‡iv bvg wZwb Rvbv‡Z Pvbwb|

W. Lvb `vwe K‡i e‡jb, msm‡`i †fZ‡i I evB‡i AvIqvgx jxM mvaviY m¤úv`K Avãyj Rwjj I wZwbmn Av‡iv K‡qKRb weMZ ZË¡veavqK miKvi I `y`‡Ki wei“‡× †hme Awf‡hvM G‡b‡Qb, Gi m‡½ AvIqvgx jxM wKsev eZ©gvb miKv‡ii wØgZ †bB| GgbwK cÖavbgš¿x †kL nvwmbvI wbðqB wØgZ †cvlY K‡ib bv| KviY eZ©gvb miKvi `yb©xwZ `gb Ki‡Z Pvq| GB A½xKvi AvIqvgx jx‡Mi wbe©vPwb Bk‡Znv‡iI i‡q‡Q| Avgiv mwZ¨Kv‡ii `yb©xwZevR, Acivax Ges msweavb I gvbevwaKvi jsNbKvix‡`i wePvi Ki‡Z PvB| ivR‰bwZK AZ¨vPvi I wbh©vZb Pvjv‡Z PvB bv|

mv‡eK GB cÖwZgš¿x e‡jb, `y`K Kvh©vj‡q cvwK¯Ívb Avg‡j ˆZwi †m¸b Kv‡Vi A‡bK¸‡jv fvwi Kv‡Vi `iRv wQj| G¸‡jvi `vg jvL jvL UvKv| eZ©gvb †Pqvig¨v‡bi mgq GB `iRv¸‡jv webv †UÛv‡i wewµ K‡i †`qv n‡q‡Q| GB UvKv †Kv_vq †Mj? †Kv‡bv †UÛvi Qvov `y`K i¨vsMm †_‡K 20wU Mvwo wK‡b‡Q| cÖwZwU Mvwoi `vg 23 jvL n‡jI †`Lv‡bv n‡q‡Q 33 jvL UvKv K‡i| GB UvKv Kvi c‡K‡U? Kwgk‡bi †Pqvig¨vb `y`K‡K e¨envi K‡i e¨w³MZ ¯^v‡_© RbM‡Yi gb‡hvM AvKl©‡Yi †Póv K‡i‡Qb| GUv eo `yb©xwZ| †jvKgy‡L †kvbv hvq, GB †jvKwU bvwK loh‡š¿i gva¨‡g ivó«cwZI n‡Z †P‡qwQ‡jb|

`y`K †Pqvig¨v‡bi D‡Ï‡k wZwb e‡jb, Avmyb Avcwb Avcbvi m¤ú‡`i wnmve w`b, AvwgI Avgvi m¤ú‡`i wnmve †`e| hw` Avgvi †P‡q Avcbvi m¤ú‡`i cwigvY †ewk bv nq Avwg ivRbxwZ †Q‡o †`e| Avwg cÖKv‡k¨ GB P¨v‡jÄ w`w”Q| mrmvnm _vK‡j P¨v‡jÄ MÖnY Ki“b|

AvIqvgx jxM `jxq GB mvsm` e‡jb, `y`‡Ki †Pqvig¨vb nIqvi Av‡M nvmvb gkû` `yevi cvwK¯Ív‡b †Kb wM‡qwQ‡jb? †mLv‡b Lywb Wvwj‡gi ¯¿xi Kei wRqviZ Kiv QvovI Avi Kx Kx K‡iwQ‡jb, RbMY‡K Rvbv‡Z n‡e|

wZwb e‡jb, nvmvb gkû‡`i wb‡qvMB A‰ea| `y`K AvBb Abyhvqx †Pqvig¨vb wb‡qv‡Mi Rb¨ mywcÖg †Kv‡U©i Avwcj wefv‡Mi GKRb wePvicwZ‡K cÖavb K‡i wZb m`‡m¨i GKwU evQvB KwgwU Kivi K_v| KwgwUi †M‡RU n‡Z nq| Gici KwgwU ivó«cwZi Kv‡Q †h c¨v‡bj †`‡e †mLvb †_‡KB GKRb †Pqvig¨vb n‡eb| wKš‘ †Kv‡bv KwgwUi †M‡RU QvovB Zv‡K †Pqvig¨vb Kiv n‡q‡Q| GB wel‡q nvB‡Kv‡U© GKwU gvgjvI i‡q‡Q| hLb †`‡k †Kv‡bv gš¿xB wQ‡jb bv ZLb Zv‡K gš¿xi c`gh©v`vq `y`K †Pqvig¨vb Kiv n‡jv Kxfv‡e? GB nvmvb gkû` hLb †mbvcÖavb wQ‡jb ZLb wK¬b nvU© Acv‡ik‡bi bv‡g 337 Rb‡K webvwePv‡i nZ¨v Kiv n‡q‡Q| GB nZ¨vi `vq wZwb Gov‡Z cv‡ib bv|

gwnDwÏb Lvb e‡jb, wewfbœ e¨w³i KvQ †_‡K †Rvic~e©K †bqv †h 1 nvRvi 200 †KvwU UvKv evsjv‡`k e¨vs‡K ivLv n‡q‡Q Zv m¤ú~Y© †eAvBwb| msweav‡b ejv Av‡QÑ Ki, cÖkvmwbK †iwfwbD, Kgvwk©qvj †iwfwbD, Av`vjZ KZ©„K Kiv A_©`Ê †_‡K cÖvß UvKv, †iwg‡UÝ I DËivwaKvinxb m¤ú` †_‡K Avmv UvKv Qvov Ab¨ †Kv‡bv m~Î †_‡K ivó«xq †KvlvMv‡i A_© Rgv ivLvi my‡hvM †bB| †Rvi K‡i Kv‡iv KvQ †_‡K UvKv Av`vq Kivi ¶gZv msweavb KvD‡K †`qwb|

Zvi g‡Z, MZ `yB eQ‡i `y`K hZ KvR K‡i‡Q †Kv‡bvwU‡ZB AvBb I wewa gvbv nqwb| cÖ_gZ, †jvKRb‡K webv Aciv‡a †MÖdZvi K‡i cÖv_wgKfv‡e wePvi cÖwµqvq n¯Í‡¶c Kiv n‡q‡Q| wØZxqZ, gvgjvi Z`šÍ I PvR©wkU cÖ`v‡bi †¶‡Î wba©vwiZ mgqmxgv AbymiY K‡iwb| cvewjK cÖwmwKDUi‡`i G‡KKRb‡K `y`K †h wdm w`‡q‡Q cÖavb wePvicwZI †m †eZb cvb bv| `y`K‡K GB ¶gZv †K w`‡q‡Q? m‡›`nfvRb `yb©xwZevR‡`i ZvwjKv cÖKvk K‡i cÖv_wgKfv‡e wgwWqv Uªvqvj Kiv n‡q‡Q| Awfhy³‡`i c‡¶i DwKj‡`i gvgjv cwiPvjbv bv Ki‡Z ûgwK †`qv n‡qwQj| b¨vqwePv‡i evav †`qv `Êbxq Aciva| GB `v‡q I‡`i wei“‡× gvgjv nIqv DwPZ|

wbe©vwPZ I mr ivRbxwZK‡`i †MÖdZvi Kiv n‡jI hviv ms¯‹vicš’x I ivRvi `j K‡i‡Q I‡`i ¯úk© Kiv nqwb| PÆMÖvg I ivRkvnxi †gqi‡K aiv n‡jv| XvKvi †gqi‡K aiv n‡jv bv †Kb? AvIqvgx jx‡Mi mvaviY m¤úv`K‡K aiv n‡jI weGbwci ZrKvjxb gnvmwPe aiv‡Quvqvi evB‡i _vK‡jb †Kvb K¨vwikgvq? mv‡eK wk¶v cÖwZgš¿x wgjb RvUKv wba‡bi bv‡g iv‡ó«i 75 jvL UvKv AvZ¥mvr K‡i‡Qb, cix¶vq bKj e‡Üi bv‡g wewfbœ †Kv¤úvwb †_‡K cÖfve LvwU‡q †nwjKÞvi I R¡vjvwb wb‡q‡Qb| weGbwc †bÎxi fvB mvC` G¯‹v›`vi‡K UvKv w`‡q wZwb †MÖdZvi Govb|

W. gwnDwÏb Rvbvb, Õ95 mv‡j `yb©xwZ `gb ey‡iv‡Z ZrKvjxb miKvi QvÎ`j I hye`‡ji †jvK‡`i wb‡qvM w`‡q hvq| eZ©gvb `y`K †Pqvig¨vb QvÎ`j-hye`‡ji †mB †Kivwb‡`i †i‡L w`‡q Zv‡`i w`‡q gvgjv Z`šÍ Kwi‡q‡Qb| Ab¨w`‡K hviv wcGmwmi gva¨‡g wb‡qvM †c‡q‡Qb Zv‡`i mwi‡q w`‡q‡Qb| GB KvRwU wZwb Kxfv‡e Ki‡jb| `y`‡Ki 18 Rb cwiPvj‡Ki g‡a¨ 13 Rb‡KB †bqv n‡q‡Q mvgwiK evwnbx †_‡K| Gi gv‡b Kx? mvgwiK evwnbxi evB‡i Ab¨ mevB wK Amr? `y`‡Ki Uv¯‹‡dv‡m©i †bZ…‡Z¡ wQj mvgwiK evwnbxi †jvKRb| †Kvb AvB‡b GUv Kiv n‡qwQj? Zviv `yb©xwZi Z`šÍ Ki‡jI Av`vj‡Z Zv‡`i‡K mv¶x wn‡m‡e nvwRi Kiv nqwb| wbæ Av`vj‡Zi wePviK‡`i evmv-Awd‡m hLb-ZLb wM‡q GB Z`šÍKvix Kg©KZ©viv ûgwK I wb‡`©k w`‡q‡Qb| Av`vj‡Z wcwc‡`i cv‡k e‡mI Zviv wb‡`©k †`b| GUv Kxfv‡e m¤¢e?

wZwb e‡jb, wewfbœR‡bi KvQ †_‡K Uv¯‹‡dvm© †h UvKv Av`vq K‡i ivó«xq †KvlvMv‡i Rgv w`‡q‡Q Zvi K‡qK¸Y †ewk A_© Iiv †Uwe‡ji wbP w`‡q wb‡R‡`i c‡K‡U wb‡q‡Q| Iiv Avgvi Kv‡QI Nyl †P‡qwQj| e‡jwQj, Avcbvi †Q‡jiv we‡`‡k _v‡K, Avcbvi UvKv Av‡Q, Nyl w`b, †Q‡o †`e| Nyl I †kL nvwmbvi wei“‡× wg_¨v mv¶¨ †`Bwb e‡jB Avgv‡K I Avgvi mšÍvb‡`i †Rj †`qv nq| Zvi g‡Z, RvZxq mgš^q KwgwUi †Kv‡bv AvBbMZ wfwË †bB| mv‡eK Dc‡`óv †gRi †Rbv‡ij (Ae.) GgG gwZbI Zv e‡j‡Qb|

W. dLi“Ïxb I Zvi miKvi A‰eafv‡e `yB eQi ¶gZvq †_‡K msweavb I gvbevwaKvi jsNb K‡i‡QbÑ Ggb Awf‡hvM G‡b W. gwnDwÏb e‡jb, GB dLi“Ïxb hLb evsjv‡`k e¨vs‡Ki Mfb©i wQ‡jb ZLbB weGbwci †jvKRb we‡`‡k UvKv cvPvi K‡i| gvwbjÛvwis †VKv‡bv ZviB `vwqZ¡ wQj| Zvi miKv‡ii Avg‡j M‡o cÖwZ 6 w`‡b GKwU K‡i Aa¨v‡`k K‡i `yB eQ‡iiI Kg mg‡q 122wU Aa¨v‡`k Rvwi n‡q‡Q| GB `„óvšÍ c„w_exi †Kv_vI †Kv‡bv BwZnv‡m †bB| wbe©vPb mswkøó Qvov Ab¨ †Kv‡bv Aa¨v‡`k Rvwii GLwZqvi Zvi miKvi‡K msweavb †`qwb| wZwb Rvbvb, wbe©vPb msµvšÍ Qvov evwK mKj Aa¨v‡`kB A‰ea| mybxwZ †nvK Avi `yb©xwZ †nvK, msweavb ewnf©~Z Aa¨v‡`k¸‡jvi ˆeaZv †`qvi cÖkœB I‡V bv|

m¤úv`bv: nvwmeyj dvi“K †PŠayix

এ শুধু এক জেনারেলের বর্ণনা -----আতাউস সামাদ

দুর্ভাগ্যজনক হলেও একথা সত্যি যে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের ইতিহাস এ পর্যন্ত খুব একটা ভালো হয়নি। রাষ্ট্রপতি লে. জে. জিয়াউর রহমানসহ তিনজন মুক্তিযোদ্ধা সেনানায়ক সামরিক অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যু-ত্থানে নিহত হয়েছেন। দু’জন সেনাপ্রধান মেয়াদ পুরো করতে পারার আগেই অপসারিত হয়েছেন। লে. জে. এরশাদ অভ্যুত্থান করে ক্ষমতা দখল করে নয় বছর সরকার চালিয়ে পরে গণ-অভ্যুত্থানের চাপে রাষ্ট্র-পতি পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। বর্তমান সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে দিয়ে দেশে জরুরি অবস্হা ঘোষণা করালে তিনিও বাংলাদেশের রাজনীতির মঞ্চের পাদপ্রদীপের সামনে এসে পড়েন। তাকে নিয়ে জল্পনা-কল্পনা ও বিতর্ক কম হয়নি। তার কারণও আছে নিশ্চয়ই।
জেনারেল মইন একটা নতুন রেকর্ড গড়েছেন। তিনি চাকরিরত অবস্হায় একটি স্মৃতিচারণমুলক গ্রন্হ প্রকাশ করেছেন। বইটির শিরোনাম ‘শান্তির স্বপ্নে সময়ের স্মৃতিচারণ’। সরকারি চাকরিতে থেকে বই লিখলে তা প্রকাশ করতে যথাযথ কতৃ�পক্ষের অনুমতি লাগে বলে শুনেছি। মিলিটারি চাকরি হলে তো বটেই। জেনারেল মইন সেই যথাযথ অনুমতিক্রমে বইটি প্রকাশ করেছেন বলে মনে করছি। আশা করি একই ধারায় তার মতো আরো কেউ কেউ তাদের দায়িত্ব পালন বিষয়ে এই লিখবেন ভবিষ্যতে।

সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ-এর ‘শান্তির স্বপ্নে সময়ের স্মৃতিচারণ’ বইয়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও গুরুত্বপুর্ণ অংশ হওয়া উচিত ‘ওয়ান ইলেভেন’ নামক অংশটি। এতে গত ১১ জানুয়ারি, ২০০৭ তারিখে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ হঠাৎ করে যে জরুরি অবস্হা ঘোষণা করলেন, তা কেন করলেন, কীভাবে করলেন, কাদের পরামর্শে করলেন-তার বর্ণনা রয়েছে। ঐ জরুরি আইনের শাসনে দেশ জর্জরিত হয়েছে প্রায় দু’বছর। কাজেই পাঠকরা যে জেনারেল মইন-এর বইটি পড়তে উন্মুখ হবেন তা প্রায় নিশ্চিত। তবে যারা জরুরি অবস্হা জারি করা সম্পর্কে জেনারেল মইন উ আহমেদ-এর বিবরণটি পড়বেন তাদেরকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, তার বর্ণনাই ঘটনার একমাত্র গ্রহণযোগ্য বিবরণ বলে বিবেচিত হতে পারে না। কারণ, ১/১১’র নাটকে আরো চরিত্র আছে। আর আছে এ নাটকের ঐ অংকের আগে ও পরে আরো বহু জানা-অজানা ঘটনা। তাই, অন্যান্য গুরুত্বপুর্ণ চরিত্রের কথা না শোনা পর্যন্ত জেনারেল মইন উ আহমেদ-এর বিবরণটি কেবলই তার নিজের ভাষ্য হিসেবে দেখতে হবে।

জেনারেল আহমেদ ঘটনার যে বর্ণনা দিয়েছেন, তাতে কিছু বড় ফাঁক রয়েছে। যার দরুন খুবই গুরুত্বপুর্ণ কয়েকটি প্রশ্ন উঠছে। এমন গোটা পাঁচেক প্রশ্ন হলোঃ
এক. ২২ জানুয়ারি, ২০০৭ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উদ্ভুত ‘সাংঘর্ষিক পরিস্হিতি’ থেকে বেরিয়ে আসার জন্যই যদি জরুরি অবস্হা ঘোষণা করা প্রয়োজন হয়েছিল, তবে তা ১ বছর ১১ মাস ২ দিন ধরে চললো কেন? রাষ্ট্রপতি, সেনাপ্রধান, নৌবাহিনী প্রধান, নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ফখরুদ্দীন আহমদ কেউই কি তখন জানতেন না যে, অতদিন জরুরি অবস্হা জারি রাখা হবে সংবিধানের লংঘন? তাহলে ‘আইন যাই বলুক, আমরা দু’বছর থাকবই’-এই মনোভাবটি কি পরিকল্পিতভাবে কিছু ঘটানোর সাক্ষ্য দেয় না?

দুই. জেনারেল মইন উ আহমেদ-এর ভাষ্য অনুযায়ী ১/১১’র আগে থাকতেই কয়েকটি প্রভাবশালী দেশের কুটনৈতিক প্রতিনিধি তাকে যোগাযোগ করে ‘উদ্ভুত পরিস্হিতিতে’ সেনাবাহিনী দেশের দায়িত্ব নেবে কিনা জানতে চেয়েছিলেন। এর একটি অর্থ কি এমন হতে পারে যে, ঐ বিদেশিরাই চেয়েছে যে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক গোলযোগকে উছিলা করে দেশের সেনাবাহিনী অথবা তাদের ক্রীড়নকরা ক্ষমতায় বসুক?

তিন. ১/১১’র পর হঠাৎ করেই ‘দুর্নীতি দমন’ নামে একটি বিষয় প্রবলভাবে দেশবাসীর সামনে এনে খাড়া করা হয় এবং তার দু’এক মাসের মধ্যেই সরকার, ডিজিএফআই ও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে ‘জরুরি অবস্হা’ নামক নাটকটির প্লটের ভেতর রাজনৈতিক সংস্কার নাম দিয়ে চমক সৃষ্টিকারী একটি সাব-প্লট উপস্হাপন করা হয়। ঐ সাব-প্লটে একটি থিম ছিল ‘মাইনাস’। এগুলো দেশবাসী চাক্ষুষ করেছেন। কাজেই নাটকের এই অংক নিয়ে কোনো প্রমাণ দেখাবার প্রয়োজন নেই। তাহলে ‘জরুরি অবস্হা’ নামক যাঁতাকল দিয়ে ‘সংস্কারের’ নামে কি বাংলাদেশে বিদেশীদের আজ্ঞাবহ একটি সরকার ও রাজনৈতিক ব্যবস্হাপনা চাপিয়ে দেবার জন্যই ১/১১ সৃষ্টি করা হয়েছিল?

চার. সেনাপ্রধান নিজেই বলছেন, ঢাকায় বিদেশি কুটনীতিকরা তাকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিচ্ছিল যে, ২২ জানুয়ারি নির্বাচনে সব দল অংশ না নিলে সেনাবাহিনী যেন সেই ভোট অনুষ্ঠানে কোনো দায়িত্ব পালন না করে। তা করলে বাংলাদেশী সৈন্যদের বাড়তি আয়-রোজগার করার জন্য আর বিদেশে শান্তি মিশনে যেতে হবে না। সেনাপ্রধান কি ঐ কুটনীতিকদের জিজ্ঞেস করেছিলেন, তারা বা তাদের নিজ নিজ দেশের সরকার কি বাংলাদেশ সরকারকে ওই কথিত বিপদের কথা জানিয়েছে? অথবা সেনাপ্রধান নিজেই সরকারকে তথা ঐ সময়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে এই হুমকির কথা জানিয়েছিলেন কি?

পাঁচ. সেনাপ্রধান ১/১১’র সময়ের পরিস্হিতি সম্পর্কে লিখেছেন, তিনি ভাবতেন ‘এ সমস্যা রাজনীতিবিদদের তৈরি, রাজনীতিবিদদেরই এগিয়ে এসে এর সমাধান খুঁজতে হবে’। জেনারেল মইন-এর এই লেখায় বিষয়টির উল্লেখ নেই বলে আমরাই এখানে স্মরণ করি যে, ১৯৯০ এবং ১৯৯৬ সালে রাজনীতিবিদরা আসলেই কোন গৃহযুদ্ধ ছাড়া ‘সাংঘর্ষিক পরিস্হিতি’ থেকে বেরিয়ে এসে রাজনৈতিক সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান করেছেন। তখন কোনো মার্শাল ল বা বিদেশীদের নির্দেশে সেনাপতিদেরকে ‘জরুরি অবস্হা’ আমদানি করতে হয়নি। এবার সেভাবে সমাধান করার শেষ সুযোগ পাওয়া গেল না কেন?
এরকম অনেক প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া গেলে ১/১১’র কোনো বর্ণনাই পুর্ণাঙ্গ বা গ্রহণযোগ্য হবে না। জেনারেল মইন উ আহমেদ-এর লেখায় একটি বিষয় বারেবারে এসেছে। তা হলো যে, আমাদের সৈনিকদের জন্য জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীতে যাওয়া খুবই জরুরি। ঐ কাজটি না করতে পারলে সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা নাকি ভেঙে যেতে পারে।

আমাদের প্রশ্ন, কোনো দেশের কোনো পেশাদার সৈনিক (ঢ়ৎড়ভবংংরড়হধষ ংড়ষফরবৎ) কি এরকমটি ভাবে? তাহলে কি তার পেশাদারিত্ব (ঢ়ৎড়ভবংংরড়হধষরংস) বজায় থাকে? তা যদি না থাকে, তাহলে ওই সৈনিকের প্রতি সেই দেশের অন্য নাগরিকদের কী ধারণা হবে। আর যদি ধরা যায় যে, একদিন জাতিসংঘ আর শান্তিরক্ষা বাহিনী রাখবে না বা তা রাখার প্রয়োজন বোধ করবে না, তখন বাংলাদেশের সৈনিকদের দৃষ্টিভঙ্গী কি হবে?
জেনারেল মইন উ আহমেদ তাঁর স্মৃতিগ্রন্হের ‘ওয়ান ইলেভেন’ অধ্যায়ের শেষাংশে লিখেছেন ‘দেশের ইতিহাসই এ দিনটির সফলতা কিংবা ব্যর্থতা বিচার করবে।’ হয়তোবা তাই। কিন্তু দেশের ওপর এ দিনটির প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে আমরা এখনই কিছু বলে দিতে পারি। যেমন ১/১১ দেশের সংবিধান লঙ্ঘন করেছে, রাজনীতিকে বিকৃত করেছে, গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করেছে, অর্থনীতিকে পিছিয়ে দিয়েছে, দেশে দরিদ্রের সংখ্যা বাড়িয়েছে, স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনকে রিমোট কন্ট্রোল পরিচালিত রোবটে পরিণত করেরেছ, যা এখন ফ্র্যাঙ্কেনষ্টাইনে রুপ নিতে চাইছে, বিচার বিভাগকে হাস্যকর করেছে, সর্বোপরি দেশব্যাপী সর্বস্তরে আস্হার সংকট সৃষ্টি করেছে। তবে জেনারেল মইন উ আহমেদ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার দ্বার খুলে দেয়ায় তাঁকে ধন্যবাদ।

gI`y` Avng‡`i Revwb‡Z †Mv‡q›`v †m‡j wbh©vZ‡bi †jvgnl©K eY©bv

÷vd wi‡cvU©vi: nvB‡Kv‡U© `uvwo‡q ZË¡veavqK miKv‡ii Avg‡j †Mv‡q›`v †m‡j wbh©vZ‡bi †jvgnl©K eY©bv w`‡q‡Qb mv‡eK AvBbgš¿x e¨vwi÷vi gI`y` Avng`| wZwb Zvi AcÖKvwkZ MÖš’’ ÔjvBd Bb wcÖRbÕ-Gi cÖ_g c„ôvwU Av`vj‡Z Dc¯’vcb K‡i ivRbxwZwe`‡`i Ici wbh©vZ‡bi NUbv Z`‡šÍ GKwU RvZxq Kwgkb MV‡bi `vwe Rvwb‡q‡Qb| e‡j‡Qb, ivRbxwZwe`‡`i Ici Gme wbh©vZ‡bi ˆeaZv †`qv wVK n‡e bv| Av`vj‡Z Dc¯’vwcZ ÔjvBd Bb wcÖRbÕ-G e¨vwi÷vi gI`y` wj‡L‡Qb: ÔwRÁvmvev`Kvix GK Kg©KZ©v Avgv‡K wR‡Ám K‡ib- ÔAvcwb wK AvZ©bv‡`i kã ïb‡Z cv‡”Qb?Õ wb`©qfv‡e KvD‡K cÖnv‡ii d‡j Zvi AvZ©bv` Avwg ïb‡Z cvw”Qjvg| Avwg †hLv‡b GKwU Uz‡ji Ici e‡mwQjvg Zvi AbwZ`~‡i cÖüZ gvbylwU gyg~l©yi g‡Zv Ôgv‡Mv gv‡MvÕ e‡j KvZivw”Q‡jb| cÖkœKZ©vi cÖ‡kœi Rev‡e Avwg ewj, Ônu¨v, Avwg AvZ©bv` ïb‡Z cvw”Q|Õ Avevi wZwb M‡R© I‡Vb| Avgvi mvg‡b ivLv †Uwe‡j m‡Rv‡i _vài w`‡q wZwb e‡jb, ÔGKB NUbv Avcbvi †ejvqI NU‡Z cv‡i|Õ f‡q AvZ‡¼ Avwg wb¯Íä n‡q hvB| wb‡R‡K AZ¨šÍ Amnvq g‡b nq|Õ e¨vwi÷vi gI`y` Avng‡`i eY©bvq, Zv‡`i fvlvq Avwg wQjvg GKwU UP©vi nvDR ev AÜKvi cÖ‡Kv‡ô| wek¦vm Ki‡Z cviwQjvg bv †h, 70 eQi eq‡m Avgv‡K Ggb ¯’v‡b †bqv n‡e| G AvµgY †gvKvwejvi kw³ mÂq Kivi †Póv Kwi| wKš‘ wb‡g‡lB Zv nvwi‡q hvq| GUv wQj †`‡ki wbivcËvi cÖwZ wek¦vmNvZKZvq RwoZ ivóªxq, we‡`kx Ges RvZxq kÎæ‡`i Rb¨ we‡klfv‡e MwVZ mvgwiK †Mv‡q›`v‡`i GKwU AÜKvi KvivKÿ| Gici Av‡iKRb Awdmvi mnmvB weoweo K‡i Avgvi evc-gv †PvχMvôxi bvg a‡i MvjvMvwj w`‡Z _v‡Kb| Avwg nZevK n‡q hvB- Avwg wK we‡`‡ki †Kvb gvwU‡Z bvwK Ggb gvbyl‡`i mvg‡b hviv Ab¨ †`k †_‡K G‡m‡Q| Gici wWªj gv÷vi‡`i g‡Zv K‡i, Lvbœvm-kqZv‡bi g‡Zv K‡i wPrKvi Ki‡Z _v‡K Av‡iKRb| bvgnxb, c`nxb IB †jv‡Kiv wb‡R‡`i cwiPq †`q Kg©KZ©v e‡j Ges ivRbxwZwe`‡`i‡K RbM‡Yi me‡P‡q eo kÎæ e‡j Awfhy³ K‡i| Zviv ivRbxwZwe`‡`i‡K hv‡”QZvB fvlvq Mvjg›` Ki‡Z _v‡K| Zv‡`i †gvÏv K_v Ô†`‡ki Rb¨ ivRbxwZwe`iv wK”Qz K‡iwb|Õ AvMvgx eQi MÖš’‡gjvq GB eB cÖKvwkZ n‡e e‡j mvsevw`K‡`i Rvwb‡q‡Qb e¨vwi÷vi gI`y` Avng`|

cÖavbgš¿xi Nwbô e¨w³‡KI Acgvb Kiv n‡q‡Q

mv‡eK Ggwc bvw`g †gv¯Ídvi Rvwgb Av‡e`‡bi ïbvwb‡Z e¨vwi÷vi gI`y` Avng` e‡jb, cÖavbgš¿x †kL nvwmbvi GK Nwbô e¨w³‡KI Acgvb Kiv n‡q‡Q| Gme wbh©vZb‡K ˆeaZv †`qv wVK n‡e bv| wZwb e‡jb, Ggb e¨e¯’v wb‡Z n‡e †hb †mbvevwnbx fwel¨‡Z MYZvwš¿K avivevwnKZvq †Kvb n¯Í‡ÿc Ki‡Z bv cv‡i| msm` fe‡bi we‡kl Av`vjZ‡K K¨v½viæ †KvU© AvL¨vwqZ K‡i IB Av`vj‡Z myôz wePvi nqwb e‡jI `vwe K‡ib wZwb| wePvicwZ ˆmq` Gwe gvngy`yj nK I wePvicwZ gBbyj Bmjvg †PŠayixi mgš^‡q MwVZ nvB‡Kv‡U©i GKwU †e‡Â G ïbvwb nq| c‡i bvbv Bmy¨‡Z mvsevw`K‡`i m‡½ K_v e‡jb e¨vwi÷vi gI`y` Avng`| msm‡` AvIqvgx jxM †bZv Ave`yj Rwjj I W. gnxDÏxb Lvb AvjgMx‡ii †`qv e³e¨I mg_©b K‡ib wZwb| Zv‡`i e³e¨ wZwb nvB‡Kv‡U© c‡o †kvbvb| gI`y` Avng` e‡jb, MZ `yB eQ‡i hv n‡q‡Q Zvi †cQ‡b AvB‡bi mg_©b wQj bv| msweavb Abyhvqx wZb gvm Riæwi Ae¯’v Pj‡Z cv‡i| Awbw`©óKvj Riæwi Ae¯’v Rvwii g¨v‡ÛU msweavb KvD‡K †`qwb| Riæwi Ae¯’v †hb wZb gv‡mi †ewk Pj‡Z bv cv‡i G e¨vcv‡i msm`‡K c`‡ÿc wb‡Z n‡e| wZwb e‡jb, Riæwi Ae¯’vq bvMwiK‡`i Ici AZ¨vPvi, wbh©vZb Pvjv‡bv n‡q‡Q| Avgv‡KI †PvL †eu‡a R‡q›U B›Uv‡iv‡Mkb †m‡j †bqv nq| Avgv‡K hLb Mvwo‡Z IVv‡bv nq Avwg RvbZvg bv Avgv‡K †Kv_vq wb‡q hvIqv n‡”Q| A‡bK c‡i Avwg eySjvg Avgv‡K †bqv n‡q‡Q wWwRGdAvBÕi eø¨vK †nv‡j| †mLv‡b Avgvi m‡½ bvbv AcgvbRbK AvPiY Kiv n‡q‡Q| mvaviYZ †`‡ki kÎæ‡`i IB eø¨vK †nv‡j †bqv nq| wZwb e‡jb, Avgvi weiæ‡× †Kvb gvgjv wQj bv, †Kvb Awf‡hvM wQj bv| e¨vwi÷vi gI`y` e‡jb, AvIqvgx jx‡Mi A‡bK cÖexY †bZv‡KI wbh©vZb Kiv n‡q‡Q| ivRbxwZwe`‡`i wbh©vZb Kiv n‡q‡Q| Zv‡`i‡K eyU w`‡q AvNvZ Kiv n‡q‡Q| Mvwj †`qv n‡q‡Q| G e¨vcv‡i weGbwc AvBwb c`‡ÿc †bqvi wPšÍv Ki‡Q e‡jI Rvbvb wZwb| wZwb e‡jb, 1972 mv‡ji msweav‡b Riæwi Ae¯’v Rvwii weavb wQj bv| wØZxq ms‡kvabxi gva¨‡g G weavb msweav‡b AšÍf©y³ Kiv n‡q‡Q| G wel‡q GLbB c`‡ÿc wb‡Z n‡e| wZwb e‡jb, MYZ‡š¿i AMÖhvÎv †hb †KD evavMÖ¯Í Ki‡Z bv cv‡i G e¨vcv‡i msm`‡K D‡`¨vM wb‡Z n‡e| Avi ÿgZvmxb `j AvIqvgx jxM‡KB g~j c`‡ÿc wb‡Z n‡e| e¨vwi÷vi gI`y` e‡jb, `yb©xwZ `gb Kwgkb AvBb †g‡b gvgjv `v‡qi K‡iwb| Kwgkb †Kvb Avwc‡jB wRZ‡Z cvi‡e bv| G ch©šÍ wb®úwË nIqv `yÕwU Avwc‡jB Kwgkb †n‡i‡Q| cjvZK e¨w³‡`i nvB‡Kv‡U© AvZ¥mgc©Y K‡i Rvwgb PvIqvi AwaKvi cÖm‡½ wZwb e‡jb, Riæwi Ae¯’vq †Kvb b¨vqwePvi wQj bv| K¨v½viæ †KvU© Avmvwg‡`i †h mvRv w`‡q‡Q Zvi †Kvb AvBwb wfwË †bB| ZvB Zv‡`i AwaKvi i‡q‡Q nvB‡Kv‡U© AvZ¥mgc©Y K‡i Rvwgb PvIqvi| nvB‡KvU© GiB g‡a¨ †kL †njvj I e¨vwi÷vi kvnRvnvb Igi‡K Rvwgb w`‡q‡Q| Riæwi Ae¯’vq e¨vwi÷vi gI`y` Avng` cÖvq `yB eQi KvivMv‡i AvUK wQ‡jb| MZ wW‡m¤^‡i wZwb gyw³ cvb| Gw`‡K, cjvZK wfAvBwc‡`i Rvwgb Av‡e`‡bi Ici ïbvwb Ae¨vnZ i‡q‡Q| AvR Avevi ïbvwb n‡Z cv‡i| nvB‡Kv‡U© AvZ¥mgc©Y K‡i Rvwgb †P‡q‡Qb mv‡eK gš¿x Av‡bvqvi †nv‡mb gÄy, mv‡eK wPd ûBc Aveyj nvmvbvZ Ave`yjøvn, mv‡eK cÖwZgš¿x †gvdv¾j †nv‡mb †PŠayix gvqv cÖgyL|

Monday, February 2, 2009

রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে সেনা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে: আলমগীর

রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে সেনা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে: আলমগীর


Sun, Feb 1st, 2009 11:16 pm BdST
ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) -- সেনা বাহিনী আর যাতে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেজন্য এই মুহুর্তেই ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংসদ মহীউদ্দিন খান আলমগীর।

তিনি বলেন, "আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিপাহী-শান্ত্রী হাতে বন্দুক পেয়ে আর যাতে রাষ্ট্রের মালিক হয়ে না যায় তা নিশ্চিত করতে হবে। না হলে আগামী প্রজন্ম আমাদের মাফ করবে না।"

রাষ্টপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য দিতে গিয়ে মহীউদ্দিন খান আলমগীর একথা বলেন।

এই মুহূর্তে ব্যবস্থা না নিলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) 'দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত' হবে এবং দুদকের কার্যক্রম যাচাই করার জন্য সংসদীয় কমিটি গঠনের আহবান জানিয়ে সাবেক এই পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, "কোন ক্ষমতা বলে কর্মচারী দিয়ে দুদক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম সমীক্ষা করেছে? দুদকের চেয়ারম্যানের নিয়োগ কি সঠিক ছিলো? তারা যেসব মামলা করেছে তা কি সঠিক ছিলো? দুদক কোন অধিকার বলে তাদের পাবলিক প্রসিকিউটরদের পারিতোষিক দিয়েছে?"

দুদকের কর্মকর্তাদের সম্পত্তির হিসাব নেওয়ার দাবি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, "১৮ জনের মধ্যে কোন আইনে নিরাপত্তা বাহিনী থেকে ১২ জন পরিচালক নেওয়া হয়েছে। সততার মানদণ্ড কি শুধুই নিরাপত্তা বাহিনী? আক্ষরিক অর্থেই দুদক দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে।"

মহীউদ্দিন খান আলমগীর তার বক্তব্যে দুদকের চেয়ারম্যান হাসান মশহুদকে 'নির্লজ্জ' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "বিদ্যুত উৎপাদন একটুও না বাড়িয়ে সংবিধান লংঘন করে সিটিজেন চার্টার উপস্থাপন করা হয়েছে। একদিকে বেটার বিজনেস ফোরাম গঠন করা হয়েছে, আর অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের নামে কাউকে টাকা লুটের অধিকার দেওয়া হয়নি।"

বিচার বহির্ভূতভাবে ২৩৭ জনকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচারের বাইরে রাখা হয়েছে বলেও মহীউদ্দিন খান আলমগীর দাবি করেন।

তিনি বলেন, "আমাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীর একদল সদস্য চেয়েছেন নিজেদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করতে। আমাকে বলা হয়েছিলো আমি যদি আমাদের নেত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দেই তাহলে বাড়িতে চলে যেতে দেওয়া হবে। আমি জানতে চেয়েছিলাম, আমি মিথ্যা সাক্ষী না দিলে কী হবে? এর জবাবে বলা হয়েছিলো, আমার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হবে।"

তিনি বলেন, "সংবিধান লংঘনের জন্য রাষ্ট্রপতির বিচার হওয়া দরকার।"

তিনি বলেন, "তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতি দমনের নামে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। গরীবি হটানোর নামে গরীব হটানো হয়েছে।"

তিনি আরো বলেন, ফখরুদ্দীন আহমদ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর থাকাকালে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আরো বক্তব্য রাখেন আসাদুজ্জামান নূর, এ বি এম গোলাম মোস্তফা, আবু জাহির, এ এইচ মাহমুদ আলী, এম এ মান্নান প্রমুখ।


বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসইউএম/কেআরসি/টিআর/১১১৩ ঘ.