Friday, February 6, 2009

ফর সত্রিক্রয় ফোন-চাঁদাবাজ চত্রক্র

ফর সত্রিক্রয় ফোন-চাঁদাবাজ চত্রক্র
চাঁদা দাবির পর বোমা ফাটিয়ে, গুলি চালিয়ে ‘সাইড নক’ করা হয়
সমকাল প্রতিবেদক
রাজধানীর সহৃত্রাপুরে তরুণ মেডিকেল হলের সামনে গত ১০ জানুয়ারি সšúাসীদের হামলায় কর্তব্যরত পুলিশের দুই সদস্য আহত হন। তদšø করে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করে পুলিশ। ফিরোজ নামে একজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। সে নিজেকে ডাকাত শহীদের ক্যাডার বলে দাবি করে। সে জানায়, ডাকাত শহীদের নির্দেশেই সে চাঁদা দাবি করেছিল।
এক সপ্টøাহ আগে যাত্রাবাড়ীর একটি ফার্নিচারের দোকানে বোমা হামলা করা হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষাপট আগেরটির মতোই। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা না হলেও হামলার আগে মোবাইল ফোনে ডাকাত শহীদের নামে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল।
গত ২২ জানুয়ারি চাঁদার দাবিতে উত্তরার আশকোনায় সšúাসীরা একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানে গুলি করে। সে সময় বাধা দিতে গিয়ে সšúাসীদের গুলিতে আহত হন পুলিশ সদস্য হারুন। পরে পা-ব চন্দ্র নামে একজনকে তাঁতীবাজার থেকে অস্টúসহ গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে দাবি করে, দেশের বাইরে পালিয়ে থাকা সšúাসী মোশারফের নির্দেশে প্রথমে চাঁদা দাবি, পরে গুলি
করা হয়েছিল।
এ তিনটি ঘটনাই নয়, মোবাইল বা ল্যান্ডফোনে চাঁদাবাজির যেসব ঘটনা ঘটে থাকে সেগুলোতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চাঁদা দাবি করা হয়েছে পলাতক শীর্ষ সšúাসীদের নামে। প্রথমে ফোনে চাঁদা দাবি, পরে গুলি অথবা বোমা ফাটিয়ে তাদের উপস্টি’তির জানান দেওয়া হয়। চাঁদাবাজরা এসব হামলাকে ‘সাইড নক’ বলে থাকে।
একটি সহৃত্র জানায়, সা¤ক্স্রতিক সময়ে চাঁদাবাজরা আবারো সত্রিক্রয় হয়ে উঠছে। শুধু পলাতক শীর্ষ সšúাসীরাই নয়, দেশে থাকা সšúাসী বা চাঁদাবাজরা আবারো নড়েচড়ে বসেছে। শীর্ষ সšúাসীদের নাম করে অনেক ছিঁচকে সšúাসীও হুমকি দিয়ে চাঁদাবাজির চে®দ্বা করছে। তবে এদের চাহিদা কখনোই হাজার ছাড়িয়ে লাখে গড়ায় না। ফলে অনেকে ঝামেলায় না গিয়ে টাকা দিয়ে দেন। যে খবর আইন-শৃগ্ধখলা বাহিনীর সদস্যদের কাছ বরাবর আসেও না।
সহৃত্র জানায়, গত বছরের সেপ্টেল্টল্ফ^র মাস থেকে গোয়েন্দা পুুলিশ মোবাইল ফোনে হুমকি ও চাঁদাবাজি ঠেকাতে একটি বিশেষ সেল খোলে। পরে মামলা ও জিডির পরিপ্রেক্ষিতে তদšø শেষে এ পর্যšø দু’হাজারের বেশি মোবাইল সিম বল্পব্দ করা হয়েছে।
পুলিশের এক কর্মকর্তা দাবি করেন, চাঁদাবাজি ছাড়াও মেয়েদের উত্ত্যক্ত করা কিংবা ভয়ভীতি দেখানোর ঘটনাও ঘটছে। তবে বেশিরভাগই হচ্ছে চাঁদা দাবির ঘটনা। এসব ঘটনায় তদšø করতে গিয়ে দেখা যায়, বেশিরভাগ দুর্বৃত্তই ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে সিম রেজি¯েদ্ব্রশন করেছিল। এসব ঘটনা তদšø করতে গিয়ে মাদারীপুরের একটি গ্র“পের অস্টিøÍ^ পাওয়া গেছে। যাদের কাজই হচ্ছে মোবাইল ফোনে শীর্ষ সšúাসীর নাম করে বিভিল্পুজনের কাছে চাঁদা দাবি করা।
গোয়েন্দা পুলিশের ডিসি মাইনুল হাসান সমকালকে বলেন, ‘শীর্ষ সšúাসী ছাড়াও মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানায় বড় একটি চত্রেক্রর সল্পব্দান পাওয়া গেছে। যারা মাদারীপুরে বসেও ঢাকায় বিভিল্পুজনের কাছে মোবাইল ফোনে চাঁদা দাবি করে থাকে। কিছুদিন আগে এ দলের এক সদস্যকে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে সুব্রত বাইনের কথা বলে জোট সরকারের এক মšúীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে ফেলেছিল’। তিনি আরো বলেন, সা¤ক্স্রতিক সময়ে যে কয়টি চাঁদাবাজির ঘটনার তদšø শেষে জড়িতদের চিহিক্রত করে গ্রেফতার করা হয়েছে। কয়েকটি ঘটনার নেপথ্যের নায়করা আͧগোপনে বা দেশের বাইরে আছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
সহৃত্র জানায়, চাঁদাবাজরা বর্তমানে কয়েকটি দলে বিভক্ত। এদের মধ্যে বর্তমানে মিরপুর ও আশপাশ এলাকা নিয়šúণ করছে শাহাদত, খোরশেদ ও শাহীন শিকদার। এ ৩ জনের কেউই মিরপুর এলাকায় থাকে না। পুরান ঢাকার যাত্রাবাড়ী, সহৃত্রাপুর, শ্যামপুর ও কোতোয়ালির একাংশ নিয়šúণ করে থাকে ডাকাত শহীদ গ্র“প। বর্তমানে রাজীব ও টিটু রাজবংশী ডাকাত শহীদের হয়ে কাজ করছে। তবে ডাকাত শহীদ নিজেও মাঝেমধ্যে ফোন করেছে বলে প্রমাণ পেয়েছে পুলিশ। সা¤ক্স্রতিক সময়ে উত্তরা ও গুলশান-মহাখালী এলাকায় মোশাররফ নামে একজনের নাম আসছে।
সেই নেপথ্যে থেকে চাঁদাবাজদের নেতৃÍে^ দিচ্ছে বলে জানা গেছে। পুলিশের ধারণা, এটি তার ছ™§নাম। সে বড়মাপের কেউ। প্রাথমিকভাবে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, সে দেশের বাইরে আছে।
রামপুরা, বনশ্রী, বাড্ডা এলাকা নিয়šúণ করছে কাওসার নামে একজন। ধানম-ি-মোহাল্ফ§দপুর এলাকায় চাঁদাবাজি হয় ফিদ্ধডম সোহেল ও পিচ্চি হেলালের নামে। এর মধ্যে একজন কারাগারে, অন্যজন পলাতক। তবে কয়েক দিন আগে ত্রক্রসফায়ারে মারা যায় বড় মানিক। সেও বড়মাপের চাঁদাবাজ ছিল।
চাঁদাবাজরা কখনোই একজন আরেকজনের এলাকায় প্রবেশ করে না। এদের মধ্যে এ মিল বা ত্যাগ আছে। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, মিরপুর এলাকার শাহাদতের নামে চাঁদাবাজির পাশাপাশি তার নাম দিয়ে পুলিশের এক শীর্ষ কর্মকর্তার কাছে ফোন দেওয়া হয়। দেশে ফিরে এসে সে ভালো হয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওই পুলিশ কর্মকর্তার কাছে। মিরপুর এলাকার একটি সহৃত্র জানায়, শহর আলী এক সময় টে¤েক্সা ¯দ্ব্যান্ডের সহকারী ছিল। প্রথমে ¯দ্ব্যান্ড থেকে ৫ টাকা করে মালিকপক্ষের হয়ে চাঁদা ওঠাত। পরে পুলিশের সোর্স হিসেবেও কাজ করতো। শাহীনের উত্থান প্রথমে ঝুট ব্যবসা ও পরে পুলিশের সোর্স হিসেবে কাজ করে।
মিরপুর জোনের ডিসি আনোয়ার হোসেন সমকালকে বলেন, ‘পালিয়ে থাকা শীর্ষ সšúাসীদের নাম ব্যবহার করেই মোবাইল ফোনে চাঁদা দাবি করা হয়ে থাকে। এ রকম চাঁদা দাবির অভিযোগ অহরহ আসছে। কিন্তু পরে তদšø করতে গিয়ে দেখা যায়, এসব মোবাইল ফোনের সিম রেজি¯েদ্ব্রশন করার সময় ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। এর ফলে ফোনে হুমকিদাতা বা ফোন-চাঁদাবাজদের খুঁজে বের করতে বেশ বেগ পেতে হয়।’

No comments: