গঙ্গায় আরো ১৮টি ‘ফারাক্কা বাঁধ’ নির্মাণ করছে ভারত
আনন্দবাজার পত্রিকার রিপোর্ট
সমকাল প্রতিবেদক
ভারত গঙ্গা নদীতে ফারাক্কা বাঁধের মতো আরো দেড় ডজন বাঁধ নির্মাণ করছে। তবে বাংলাদেশ সীমাšøঘেঁষা ফারাক্কায় নয়, এসব বাঁধ নির্মিত হচ্ছে সে দেশের উত্তরাঞ্চলে। মঙ্গলবার কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকায় ‘গঙ্গার বুকে আঠারোটি বাঁধ : বিপল্পু কয়েক কোটি মানুষ’ শিরোনামের এক প্রতিবেদনে জয়া মিত্র লিখেছেন, ‘গঙ্গোত্রীর চার কিলোমিটার আগে ভৈরবঘাঁটি। সেখান থেকে হরি™^ার পর্যšø প্রায় আড়াই শ’ কিলোমিটার পথে গঙ্গার বুকে নির্মিত হতে যাচ্ছে আঠারোটি বাঁধ। বিশ^ব্যাংক ও এশীয় উল্পুয়ন ব্যাংকের অর্থানুকূল্যে এসব বাঁধ নির্মাণের পরিকল্কপ্পনা নিয়েছে মনমোহন সিং সরকার। এজন্য আšøর্জাতিক টেন্ডারও আহ্বান করা হবে। এ প্রকল্কপ্প বাস্টøবায়ন হলে গঙ্গার সবচেয়ে স্ট^চ্ছ, সবচেয়ে মুক্ত অংশটি হয়ে দাঁড়াবে বাঁধ ও সুরঙ্গের এক অল্পব্দ নরক।’
বাঁধগুলোর মুখ্য উদ্দেশ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন। গভীর সুরঙ্গ নির্মাণ করে তার ভেতর দিয়ে পার করানো হবে নদীর পানি। এভাবে সুরঙ্গ পথে চলতে গিয়ে হিমালয়নন্দিনী আর হিমালয়ের বনভূমি দিয়ে নেমে আসবে না। পানিতে মিশবে না বনতলের সার ও নানা আকরিক। বরং বল্পব্দ হয়ে যাবে নদী-খাত। জয়া মিত্রের আশগ্ধকা, এভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্কপ্প বাস্টøবায়ন করতে গিয়ে বিপল্পু হবে গঙ্গার অনেক উপ ও শাখা নদী। কয়েক কোটি মানুষের জীবন জীবিকা পড়ে যাবে হুমকির মুখে।
লেখক ভারতের উত্তরাঞ্চলে আঠোরোটি নতুন বাঁধ পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীদের জন্যও নির্মিত হলে বিপদ রয়েছে বলে মনে করেন। ফলে গঙ্গার ভাটিতে পানির প্রবাহ আরো কমে যাবে এবং পরিণতিতে ভূমি ও ভূমিতল বেশি বেশি করে চলে যেতে থাকবে লোনা পানির গ্রাসে।
আঠারোটি নতুন ‘ফারাক্কা বাঁধে’র প্রভাব বাংলাদেশে কতটা পড়বে, সেটা নিয়ে নিশ্চয়ই বিশেষজ্ঞরা ভাবতে বসবেন। ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশের প™§া, গড়াইসহ কয়েকটি নদনদীর পানির প্রবাহ শুষ্ফ‹ মৌসুমে বিপুলভাবে কমে যায়। ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন বিষয়ে দুই দেশের চুক্তি সই হলেও বাংলাদেশ তার ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছে না। গঙ্গায় দেড় ডজন নতুন বাঁধ নির্মিত হলে ফারাক্কা পয়েন্টে পানির প্রবাহ আরো কমে যাবে। এর পরিণতি বাংলাদেশের জন্যও ভয়াবহ হবে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment