Monday, February 9, 2009

১০ ট্রাক অস্টú ছিল উলফার
কাজী আবুল মনসুর, চট্টগ্রাম ব্যুরো
বিগত জোট সরকারের আমলে চট্টগ্রামে আটক অত্যাধুনিক ১০ ট্রাক অস্টú ছিল ভারতের বিচ্ছিল্পুতাবাদী সংগঠন উলফার। টেকনাফ সীমাšø দিয়ে বিশাল এ অস্টেúর চালানটি বাংলাদেশে ঢুকেছিল। কারাগারে আটক চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী চোরাচালানি হাফিজুর রহমান পুলিশের কাছে উলফার জন্য আনা অস্টেúর ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য দিলেও পুলিশ তা গোপন করে গেছে। বিগত জোট সরকারের প্রভাবশালী মহলের চাপে পুলিশ এসব তথ্য আদালতে উপস্ট’াপন করেনি। এমনকি মামলার পিপি নিজেও পুলিশের কাছ থেকে এ ব্যাপারে কোনো সহযোগিতা পাননি। অথচ অস্টú খালাসের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান ২০০৫ সালে ঢাকার মিরপুর থানা পুলিশের কাছে বিষয়টি নিয়ে পহৃর্ণাঙ্গ একটি জবানবন্দি দেয়, যা পরে কৌশলে পুলিশ গোপন করে বলে নির্ভরযোগ্য সহৃত্রে জানা গেছে।
চট্টগ্রামের ১০ ট্রাক অস্টú চোরাচালান মামলার অন্যতম আসামি হাফিজুর রহমান ২০০৫ সালের ২৬ অক্টোবর বিচারপতি খাদেমুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি মোঃ ইমদাদুল হক আজাদ সমল্প^য়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আͧসমর্পণ করে। আͧসমর্পণের পর সে এই আদালত থেকে জামিন অথবা নিরাপত্তা হেফাজতের আবেদন জানায়। হাফিজুর রহমান ত্রক্রসফায়ারে হত্যার আশগ্ধকায় নিল্ফু আদালতের পরিবর্তে দিনের শেষ ভাগে হাইকোর্টে
আͧসমর্পণ করে। আদালত তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাকে সল্পব্দ্যার পর রমনা থানা পুলিশের কাছে হস্টøাšøর করা হয়। রমনা থানা পরদিন অর্থাৎ বৃহ¯ক্সতিবার সকালে হাইকোর্টের আদেশ অনুযায়ী জেল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্টøাšøর করে। হাইকোর্টে আবেদনটির শুনানি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট নির্মলেন্দু দেব। ১৫ নভেল্ফ^র ১০ ট্রাক অস্টú মামলার হাজিরার দিন থাকায় ৭ নভেল্ফ^র তাকে চট্টগ্রাম পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যেই কোনো এক জায়গায় পুলিশ বা কোনো গোয়েন্দা সংস্ট’ার কর্মকর্তার কাছে হাফিজুর রহমান এই জবানবন্দি দিয়েছে অথবা চট্টগ্রামে সিআইডির জিজ্ঞাসাবাদের কোনো এক পর্যায়ে এসব তথ্য দিয়েছে, যা গোপন করা হয়েছে। উল্কেèখ্য, হাফিজুর রহমানের বিরু™েব্দ রাজধানীর মিরপুর থানায় ৩০২/৩৪ দ-বিধিতে একটি মামলা (নল্ফ^র-৮৪, ২০-০৭-০৩) ছিল। গোপন করা জবানবন্দিতে হাফিজুর বলেছে, ওই মামলার সঙ্গে সে জড়িত নয়, এমনকি কোনো ধরনের সংশিè®দ্বতাও নেই। এ দাবি জানিয়ে সে ১০ ট্রাক অস্টú মামলার ব্যাপারে তার স্ট^ীকারোক্তিমহৃলক জবানবন্দিটি দেয়।
এ তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ মামলাটির তদšø না করে তথ্য গোপন করে। হাফিজুর পুলিশের কাছে তার লিখিত বক্তব্যে জানায়, আসামের ‘সšúাসবাদী’ সংগঠন উলফার সামরিক প্রধান পরেশ বড়ূয়া এ অস্টú রিসিভ করতে চট্টগ্রাম আসে। উলফার পক্ষ থেকে এ খালাসের কাজে নিয়োজিত ছিল চট্টগ্রামের অস্টú ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান। উলফার সাহায্যে অত্যাধুনিক এ অস্টú ভারতের কয়েকটি ‘সšúাসবাদী’ সংগঠনের জন্য আনা হয়েছিল।
উলফার জন্য আনা বিশাল এ অস্টেúর চালানটি ২০০৪ সালের ২ এপ্রিল ধরা পড়ে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় কর্ণফুলীর তীরে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কো¤ক্সানির (সিইউএফএল) ঘাটে। উল্কেèখযোগ্য অস্টেúর মধ্যে ছিল একে-৪৭ রাইফেল ৬৯০টি, একে-৫৬ রাইফেল ৬০০টি, উজি গান ৪০০টি, টমি গান ১০০টি, আর্জেস গ্রেনেড ২৭ হাজার এবং ১১ লাখ ৩৯ হাজার রাউন্ড গুলি।
হাফিজুর উল্কেèখ করে, উলফা নেতা পরেশ বড়ূয়ার সঙ্গে জাতীয় পার্টি নেতা অভির মাধ্যমে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সহৃত্র ধরে পরেশ বড়ূয়ার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা হয়। এক পর্যায়ে পরেশ বড়ূয়া তার সঙ্গে ব্যবসা করার প্রস্টøাব দিলে হাফিজুর রাজি হয়। ব্যবসার এক পর্যায়ে বিদেশ থেকে আমদানি করা কিছু মেশিনারিজ চট্টগ্রামে খালাসের জন্য দায়িÍ^ দেওয়া হয় হাফিজুরকে। জোট সরকারের এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার সহযোগিতায় এসব অস্টú বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে আসামে পৌঁছানোর কথা ছিল। এর সার্বিক দায়িÍ^ ছিল হাফিজুর রহমানের। মেশিনারিজ এলে যথারীতি হাফিজ তা খালাসের জন্য চট্টগ্রামে আসে। এ সময় পরেশ বড়ূয়া নিজেকে ‘জামান’ বলে পরিচয় দেয়। ২০০৪ সালের মার্চে পরেশ বড়ূয়ার সঙ্গে দেখা করে হাফিজ। ধানম-ির এক বাসায় তাদের কথা হয়। হাফিজকে বলা হয় মেশিনারিজের পরিমাণ বেশি। তাই বিশ^স্টø লোক হিসেবে এসব মেশিনারি তাকে খালাস করতে হবে। বিনিময়ে তাকে দেওয়া হবে তার চাহিদামতো টাকা। পরেশ বড়ূয়ার সঙ্গে উলফার আরো এক নেতা বৈঠকে উপস্টি’ত ছিল, যার ছ™§নাম আসিফ। আসিফ ও পরেশ বড়ূয়া মিলে বাংলাদেশের কোন জলসীমায় এসব অস্টú নামানো হবে এবং কীভাবে তা খালাস করতে হবে সবকিছু বুঝিয়ে দেয় হাফিজকে। পরেশ বড়ূয়া হাফিজকে বলে দেয়, ২৯ মার্চ মালগুলো নিয়ে লোকজন সমুদ্রপথে রওনা দেবে। বৈঠকের দিন বিকেলে পরেশ বড়ূয়া ধানম-ি ফা¯দ্বফুড শপ উই¤িক্সর সামনে দুটি কাগজের কার্টনে করে হাফিজকে ৫০ লাখ টাকা নগদ দেয়। খালাসের জন্য ওই টাকা খরচ করতে বলা হয়। বৈঠকের পরদিন উলফা নেতা জনৈক আসিফ ধানম-ির উই¤িক্সর সামনে থেকেই হাফিজকে গাড়িতে তুলে নেয়। তারা রওনা হয় চট্টগ্রামের উদ্দেশে। পথে হাফিজ ফোন করে চট্টগ্রামের ট্রলার মালিক হাজী সোবহানকে। মালামালের বিষয়ে তাকে বিস্টøারিত বলা হয়। চট্টগ্রামে পৌঁছে তারা ওঠে নগরীর হোটেল গোল্ডেন ইন-এ। গোল্ডেন ইন থেকে হাফিজ চলে যায় তাদের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান লালদীঘিরপাড়ের চশমার দোকান নুর অপটিক্যালসে। হাজী সোবহান দোকানে হাফিজের সঙ্গে দেখা করে। এ সময় সে মাল খালাসের জন্য দাবি করে ১০ লাখ টাকা। তাকে চার লাখ টাকা দেওয়ার পর সে আরো এক লাখ টাকা দাবি করে। পরেশ বড়ূয়ার কাছ থেকে নেওয়া ৫০ লাখ টাকার মধ্যে ট্রলার ভাড়া বাবদ সাড়ে ১২ লাখ টাকা খরচ করে হাফিজ। বাকি ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা সে তার পটিয়ার বাড়িতে খাটের তলায় লুকিয়ে রাখে। ২৯ মার্চ সল্পব্দ্যায় ট্যাক্সিক্যাবে উলফা নেতাদের নিয়ে সে কয়লার ডিপো এলাকায় যায়। সেখান থেকে সা¤ক্সানে করে নদীতে থাকা ট্রলারে ওঠে। ট্রলার দুটি রাত ১২টায় রওনা হয়। ৩০ মার্চ রাত ১০টায় ট্রলার দুটি গভীর সমুদ্রে দাঁড়িয়ে থাকা একটি জাহাজের কাছে পৌঁছে। এ সময় উলফা নেতারা জাহাজ লক্ষ্য করে হ্যান্ডমাইকে কিছু সংকেত উচ্চারণ করলে জাহাজ থেকেও জবাব দেওয়া হয়। উলফা নেতারা এ সময় জাহাজে উঠে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া বিভিল্পু কাগজপত্র এবং টাকা পরিশোধের রসিদ দেখায়। রাত ১১টা থেকে শুরু করে প্রায় ১৪ ঘণ্টা ধরে চলে মাল ডেলিভারি।
ট্রলার দুটি লোড হওয়ার পরপরই চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা হয়। ৩১ মার্চ ঘুরপথে ট্রলার দুটি নোঙর করে সাগরের টেকনাফ সীমাšেø। ১ এপ্রিল ভোর ৬টায় টেকনাফ থেকে রওনা হয়ে সকাল ১০টায় গিয়ে পৌঁছে কক্সবাজারে। সেখান থেকে ট্রলার দুটি রওনা দেয় চট্টগ্রামের দিকে। কক্সবাজারে ট্রলার থেকে হাফিজ নেমে যায়। হাজী সোবহান এবং উলফা নেতারা ট্রলার দুটিতে সার্বক্ষণিক তদারকিতে থাকে। সিইউএফএল ঘাটে সমল্প^য়ের জন্য হাফিজ কক্সবাজার থেকে মাইত্রেক্রাবাস নিয়ে রওনা হয় চট্টগ্রামে। কক্সবাজার থেকে সে সরাসরি চলে আসে তার পটিয়ার বাড়িতে। বাড়ি থেকে ২৯ লাখ টাকা নিয়ে তার লাল প্রাইভেটকারযোগে সিইউএফএল ঘাটের উদ্দেশে রওনা দেয়। হাফিজ ৯ লাখ টাকা রাখে গাড়ির ড্যাশবোর্ডে এবং বাকি টাকা গাড়ির ফ্লোরম্যাটের নিচে। সিইউএফএল ঘাট থেকে মাল নেওয়ার জন্য ট্রাক ঠিক করার দায়িÍ^ ছিল উলফা নেতা ছ™§নামধারী জুয়েলের। ফোনে সাতটি ট্রাকের ব্যবস্ট’া হয়েছে বলে হাফিজকে জানায় জুয়েল। শ্রমিক নেতা বাবু এগুলো ভাড়া করে দেয়। এই বাবুই হচ্ছে শ্রমিক নেতা হাজী ইয়াকুব। ট্রাকগুলো এস আলম সিমেন্ট ফ্যাক্টরির আশপাশেই রয়েছে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়। হাফিজ তার প্রাইভেটকারযোগে সরাসরি হোটেল গোল্ডেন ইনে আসে। এখান থেকেই উলফা নেতাদের নিয়ে সে রওনা হয় সিইউএফএল জেটির উদ্দেশে। ১ এপ্রিল রাত সাড়ে ৮টায় তারা পৌঁছে সিইউএফএল ঘাটে। এখানে তাদের সঙ্গে দেখা হয় হাজী সোবহান, আরজু পাগলা ও দীন মোহাল্ফ§দের। তারা জানায়, ট্রলার দুটি নেভাল একাডেমীর কাছে নদীর মোহনায় নোঙর করে সা¤ক্সানযোগে তারা ঘাটে এসেছে। ট্রলার থেকে মাল খালাসের জন্য হাফিজ আট লাখ টাকা দেয় আরজু পাগলাকে। এ সময় প্রতি বাক্স ৮০০ টাকা হিসাবে ১ হাজার ৫০০ বাক্সের জন্য এ টাকা অগ্রিম দেওয়া হয়। মাল খালাসের আগেই ঘাটের চারপাশে উলফার লোকজন অবস্ট’ান নেয়। লোডিংয়ের জন্য প্রস্ট‘ত থাকা সাতটি ট্রাকে মাল খালাস শুরু হয়। রাত ১০টার দিকে ঘটনাস্ট’লে উপস্টি’ত হন পুলিশ সার্জেন্ট আলাউদ্দিন। তিনি দীন মোহাল্ফ§দের সঙ্গে কথা বলে সা¤ক্সানযোগে কয়লার ডিপোর উদ্দেশে চলে যান। এক পর্যায়ে তিনি আবার ফিরে আসেন। সঙ্গে নিয়ে আসেন তিন পুলিশ। লুঙ্গি ও শার্ট পরা অবস্ট’ায় ছিল পুলিশ। তাদের হাতে ছিল লাঠি। কোনো অস্টú ছিল না। সার্জেন্ট ছিল সিভিল ড্রেসে। তার কাছে একটি রিভলবার ছিল। এক পর্যায়ে সার্জেন্ট মাল খালাস বল্পব্দ করতে বলেন। ঘটনাটি মোবাইলে কর্ণফুলী থানার ওসিকে জানিয়ে সার্জেন্ট আরো ফোর্স পাঠাতে বলেন। অবস্ট’া বেগতিক দেখে হাজী সোবহানকে সঙ্গে নিয়ে হাফিজ মেরিন একাডেমীর পাশ দিয়ে সা¤ক্সানযোগে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্ট’লে পড়েছিল হাফিজের গাড়ি। গাড়িতে ছিল ২০ লাখ টাকা। কে বা কারা হাফিজের গাড়ি নিয়ে সটকে পড়ে। পুলিশ পরে গাড়িটি উ™ব্দার করলেও টাকার হদিস পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রামে ধরা পড়া ১০ ট্রাক অস্টú নিয়ে চাঞ্চল্য সৃ®িদ্ব হলে তৎকালীন ভারতীয় হাইকমিশনার বীণা সিত্রিক্র চট্টগ্রামে আসেন। এ সময় চট্টগ্রামের মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সঙ্গেও বৈঠক করেন। পরে মেয়র এসব অস্টú আনার পেছনে পাকিস্টøানি গোয়েন্দা সংস্ট’া আইএসআই জড়িত বলে একাধিকবার মতপ্রকাশ করেন। বিভিল্পু চাপের মুখে বিগত জোট সরকার অস্টú আটকের দুটি মামলা দায়ের করে। একটি অস্টú ও অন্যটি চোরাচালান মামলা। এক পর্যায়ে দুটি মামলাই হিমাগারে নিয়ে যাওয়ার প্রস্ট‘তি চলে। পাঁচ বছরে একের পর এক বদল হয় মামলার তদšøকারী কর্মকর্তা। চারবার তদšø কর্মকর্তা বদলের মাধ্যমে মামলাটি নিয়ে বিপাকে পড়ে প্রশাসন। বিগত জোট সরকারের আমলে দু’দফা চার্জশিটও দেওয়া হয়। নামকাওয়াস্টেø চার্জগঠন হয়। কিন্তু আদালত মামলাটি তথ্যগতভাবে দুর্বল আখ্যায়িত করে পুলিশের কাছে ১৫টি কারণ চিহিক্রত করে পুনঃতদšেøর নির্দেশ দেন।
মামলার ব্যাপারে সরকারি পিপি অ্যাডভোকেট আহসানুল হক হেনা সমকালকে বলেন, ১০ ট্রাক অস্টú আনার পেছনে যেসব রাঘববোয়াল জড়িত, তাদের বের করতে হলে চৌকস তদšøকারী কর্মকর্তার প্রয়োজন। যেহেতু মামলাটির পেছনে আšøর্জাতিক অস্টú জোগানদাতারা রয়েছে, সে হিসেবে এ বিষয়ে তদšø করতে আšøর্জাতিক সংস্ট’া ইন্টারপোল বা স্ট‹টল্যান্ড ইয়ার্ডের সহায়তা নিতে পারে সরকার। তিনি বলেন, পুলিশ ইতিমধ্যে মামলাটির তদšেøর ব্যাপারে অপারগতা প্রকাশ করেছে। হাফিজুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর পুলিশের কাছে কী বক্তব্য দিয়েছে, তা আমার কাছে আসেনি।
মামলার তদšø নিয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রানা দাশগুপ্টø বলেন, আমি নিজেও একাধিকবার সরকারি পিপির সঙ্গে কথা বলেছি, যাতে সত্যিটা বেরিয়ে আসে। তিনি বলেন, ১০ ট্রাক অস্টú আটকের কারণে বিদেশে দেশের ভাবমহৃর্তি নিয়ে প্রশু উঠেছে। তাই দেশের স্ট^ার্থে জড়িতদের খুঁজে বের করা উচিত।
অস্টú মামলা নিয়ে পুলিশের অপারগতার বিষয়টি আদালতে জানানো হয়েছে। চট্টগ্রাম পুলিশের কমিশনার মোহাল্ফ§দ মনিরুজ্জামান সমকালকে বলেন, মামলাটি তদšø করছে সিআইডি। হাফিজুর গ্রেফতারের পর কী জবানবন্দি দিয়েছে, তা আমি দেখিনি। না দেখে কিছু বলতে পারব না। এ বিষয়ে কেউ কিছু আমাকে অবহিত করেনি। তবে সরকার চাইলে আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পারি।
মামলাটি নিয়ে নতুন তদšøকারী কর্মকর্তা সিআইডি চট্টগ্রাম জোনের এএসপি মোহাল্ফ§দ মনিরুজ্জামান চৌধুরী সমকালকে বলেন, তদšøভার পাওয়ার পর আমি কাজ শুরু করেছি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি, বিস্টøারিত কিছু এখন বলতে পারব না।
এদিকে র‌্যাব সহৃত্রে জানা গেছে, আšøর্জাতিক শীর্ষ চোরাকারবারি শফিকুর রহমান ১০ ট্রাক অস্টú আমদানির পেছনে জড়িত বলে র‌্যাব তথ্য পেয়েছে। ঘটনার পর ২০০৪ সালের ৭ সেপ্টেল্টল্ফ^র র‌্যাবের একটি দল চট্টগ্রামের অভিজাত খুলশী এলাকার বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে। ধৃত শফিকুর মিয়ানমারের নিষি™ব্দ ‘রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন’সহ (আরএসও) বিভিল্পু সšúাসবাদী সংগঠনের পৃষ্ঠপোষক ও চাঁদা প্রদানকারী। সিঙ্গাপুরে তার ব্যবসা-বাণিজ্য রয়েছে। তার কাছ থেকে এ সময় ১১টি পাসপোর্ট, বিদেশি বিভিল্পু ব্যাংকের ১৫টি ত্রেক্রডিট কার্ড, বিভিল্পু দেশের ছয়টি ডিসকাউন্ট কার্ড, একটি সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড, ক্যালিফোর্নিয়ার একটি আইডি কার্ড, সিঙ্গাপুরের একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স, ব্যাংক অব আমেরিকা, হাবিব ব্যাংক এজি জুরিকের চেক বইসহ চোরাচালানের কাজে ব্যবহƒত বিভিল্পু কাগজপত্র পাওয়া যায়। তাকে গ্রেফতারের পর আইনের ফাঁক-ফোকরে সে বেরিয়ে যায়। বিগত জোট সরকারের আমলে তাকে গ্রেফতার করা আর সল্ফ¢ব হয়নি।

No comments: