Showing posts with label ফারাক্কা. Show all posts
Showing posts with label ফারাক্কা. Show all posts

Thursday, February 12, 2009

বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত কিচ্ছা এবং বাংলাদেশীদের “দাদা নমস্কার নীতি”

আমাদের সীমান্তে ভারতীয়দের নোংরামি নতুন কিছু নয়। এটি একটি নিয়মিত ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে। হান্নান সরকার আর কৃষ্ণপদ দাসের মৃত্যও তেমনি নতুন কোন ঘটনা না। যারা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধকে বহির্বিশ্বে তুলে ধরে ইন্দো-পাক ওয়ার হিসেবে তারা বাংলাদেশ নামক একটি ভূ-খন্ডকে তাদের একটি অঙ্গ রাজ্য বিবেচনা করে যদি ৬ মাসে ৮০ জনকে জন কাতেল করে যায়, আমাদের সমুদ্রসীমায় ঢুকে তেল গ্যাস সন্ধান করে যায়, দেশের উত্তর - পশ্চিমাঞ্চলকে মরুভূমিতে পরিনত করে, তাতে কি ভারতের দূর্নাম হবে? এটা কি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নয়? উহু মোটেও না বরং বানরমুখো আম্রিকান “ঝোপ” ওয়ালা আর আফ্রিকান বংশদ্ভুত পরচুলা লাগানো মহিলা পরগাছাটা সন্ত্রাস দমনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মনমোহন সিং এর ইকনোমিক্যাল কানন্ট্রিটার সাথে নতুন নতুন সম্পর্ক গড়বে। উহা কি দৈহিক নাকি চুক্তি স্বাক্ষর সে ব্যাপারে আমার চেয়ে ভাল উনারাই বলতে পারেবন।

আমি আর “দাদা”দের নিয়ে কি বলবো বরং আমি আমার দেশের জগৎশ্ঠে ওরফে সুশিল ওরফে মানবতার বন্ধুদের নিয়েও কিছু বলার যোগ্যতা রাখিনা। তারপরেও গত কয়েকদিরে পত্রিকা খুললে যেটা দেখা যায় সেটা মানুষ হিসেবে আমাকে লজ্জিত করে। ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের মতো এড়িয়াতে আমাদের স্বাধীনতার হকদার ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ বিএসএফ কর্তৃক বিডিআর হত্যার প্রতিবাদের মিছিলে হামলা চালায়। মেজর জেনারেল ফজলুর রহমানকে কারো মনে আছে কিনা জানি না। সেই রৌমারী হিরো যিনি “দাদা নমস্কার নীতি” থেকে বেড়িয়ে আসতে পেরেছিলেন কিন্তু বেড়িয়ে আসলে হবে কি তাকে আমাদের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্সি আজকাল রাজাকার বলেন। ইন্টারপোলের হিসেবে নাকি বাংলাদেশী আপরাধীদের সিংহভাগ অপরাধীই ভারতে রাষ্ট্রীয় অতিথী হিসেবেই আছেন। ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের দেশের সেই সকল কৃতি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বলে বর্তমানে পরিচিত নেতাদের মতো তারা তাসে তুরপ মারাতে বা উইস্কির বোতল নিয়ে বসে না থেকে সেখানে ব্যবসা করছেন। ভারত সরকারের অনুগ্রহ নিঃসন্দেহে অতুলনীয়। সেই সাথে আমাদের বঙ্গ সন্তানদেরও। বাংলাদেশে ৬৭০টিরও অধিক রেজিস্ট্রিকৃত মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন আছে। সেক্টর কমান্ডাররা আছ্নে। কয়েকদিন আগে যারা একজন ইরেগুলার ফ্রিডম ফাইটারের পশ্চাদে লাথি মারাকে কেন্দ্র করে ২য় আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ করার ঘোষণা মিনিটে মিনিটে দিচ্ছেন তাদের কাউকে টু শব্দটি করতে দেখা যায়নি। কারন হচ্ছে উনারা ৭১ এ কে রাজাকার ছিলো আর কে আল- বদর ছিলো তা নির্নয় করছেন, তাদেরকে বিচার নামক প্রহসন করার জন্য সভা সেমিনারে ব্যস্ত উনারা। এখন দরকার রাজাকার বিচারের নামে জাতিকে বিভক্ত করা। আমি জানিনা তাদের এই বালখিল্যতার কারনটি কি? কারন আমি খুজতে চাইনা। আমার ভয় হচ্ছে উনার না আবার বলে বসেন ৩০ লাখ মারা না যাওয়া পর্যন্ত চেতনা জাগ্রত হয় না! বিষয়টি যেন এমন ৯ মাসে ৩০ লাখ আর ৬ মাসে ৮০ জন এইটা কোন বিষয় হইলো। ভারত আগে ৩০ লাখ ১জন (৩০০০০০১) মেরে নেক পরে দেখা যাবে।

তাদের এ সকল খিস্তি খেউর আমার কাছে বি এস এফর গুলির মতোই মনে হয়। দেশের জন্য ভালবাসা দেয়া ছাড়া আমার এখনো কিছু দেয়ার সুযোগ হয়ে উঠেনি তাই বলবো

“সবুজে শ্যামলে আঁকা থোকা থোকা জুঁই
নাও, নদী, ঢেউ, জল, দেবনা কিছুই
উজাড় দু হাত জুড়ে শোধ দেব ঋণ
দেবনা সীমানা ছেড়ে ইঞ্চি জমীন…”

এতোটুকু দায়বদ্ধতা থেকেই এই লেখা যে দায়বদ্ধতাটুকু আমাদের মুখের সামনে লাউড স্পীকার নয়ে বসে থাকা গোঁফ বা চশমাধারী উপাধিয়ালাদের নেই। প্রবালকে কাছে পেলে জিজ্ঞাসা করতাম “তুই প্রায়ই বলতি তুই যতটা না বাংলাদেশকে ভালবাসিস তার চেয়ে বেশী ঘৃনা করিস ভারতকে” এটা তু্ই কেন বলতি?

Friday, February 6, 2009

গঙ্গায় আরো ১৮টি ‘ফারাক্কা বাঁধ’ নির্মাণ করছে ভারত

গঙ্গায় আরো ১৮টি ‘ফারাক্কা বাঁধ’ নির্মাণ করছে ভারত
আনন্দবাজার পত্রিকার রিপোর্ট
সমকাল প্রতিবেদক
ভারত গঙ্গা নদীতে ফারাক্কা বাঁধের মতো আরো দেড় ডজন বাঁধ নির্মাণ করছে। তবে বাংলাদেশ সীমাšøঘেঁষা ফারাক্কায় নয়, এসব বাঁধ নির্মিত হচ্ছে সে দেশের উত্তরাঞ্চলে। মঙ্গলবার কলকাতার দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকায় ‘গঙ্গার বুকে আঠারোটি বাঁধ : বিপল্পু কয়েক কোটি মানুষ’ শিরোনামের এক প্রতিবেদনে জয়া মিত্র লিখেছেন, ‘গঙ্গোত্রীর চার কিলোমিটার আগে ভৈরবঘাঁটি। সেখান থেকে হরি™^ার পর্যšø প্রায় আড়াই শ’ কিলোমিটার পথে গঙ্গার বুকে নির্মিত হতে যাচ্ছে আঠারোটি বাঁধ। বিশ^ব্যাংক ও এশীয় উল্পুয়ন ব্যাংকের অর্থানুকূল্যে এসব বাঁধ নির্মাণের পরিকল্কপ্পনা নিয়েছে মনমোহন সিং সরকার। এজন্য আšøর্জাতিক টেন্ডারও আহ্বান করা হবে। এ প্রকল্কপ্প বাস্টøবায়ন হলে গঙ্গার সবচেয়ে স্ট^চ্ছ, সবচেয়ে মুক্ত অংশটি হয়ে দাঁড়াবে বাঁধ ও সুরঙ্গের এক অল্পব্দ নরক।’
বাঁধগুলোর মুখ্য উদ্দেশ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন। গভীর সুরঙ্গ নির্মাণ করে তার ভেতর দিয়ে পার করানো হবে নদীর পানি। এভাবে সুরঙ্গ পথে চলতে গিয়ে হিমালয়নন্দিনী আর হিমালয়ের বনভূমি দিয়ে নেমে আসবে না। পানিতে মিশবে না বনতলের সার ও নানা আকরিক। বরং বল্পব্দ হয়ে যাবে নদী-খাত। জয়া মিত্রের আশগ্ধকা, এভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্কপ্প বাস্টøবায়ন করতে গিয়ে বিপল্পু হবে গঙ্গার অনেক উপ ও শাখা নদী। কয়েক কোটি মানুষের জীবন জীবিকা পড়ে যাবে হুমকির মুখে।
লেখক ভারতের উত্তরাঞ্চলে আঠোরোটি নতুন বাঁধ পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীদের জন্যও নির্মিত হলে বিপদ রয়েছে বলে মনে করেন। ফলে গঙ্গার ভাটিতে পানির প্রবাহ আরো কমে যাবে এবং পরিণতিতে ভূমি ও ভূমিতল বেশি বেশি করে চলে যেতে থাকবে লোনা পানির গ্রাসে।
আঠারোটি নতুন ‘ফারাক্কা বাঁধে’র প্রভাব বাংলাদেশে কতটা পড়বে, সেটা নিয়ে নিশ্চয়ই বিশেষজ্ঞরা ভাবতে বসবেন। ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের বিরূপ প্রভাবে বাংলাদেশের প™§া, গড়াইসহ কয়েকটি নদনদীর পানির প্রবাহ শুষ্ফ‹ মৌসুমে বিপুলভাবে কমে যায়। ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি বণ্টন বিষয়ে দুই দেশের চুক্তি সই হলেও বাংলাদেশ তার ন্যায্য হিস্যা পাচ্ছে না। গঙ্গায় দেড় ডজন নতুন বাঁধ নির্মিত হলে ফারাক্কা পয়েন্টে পানির প্রবাহ আরো কমে যাবে। এর পরিণতি বাংলাদেশের জন্যও ভয়াবহ হবে।