Monday, February 2, 2009

সিরাজ সিকদার হত্যা মামলায় রাজ্জাক, তোফায়েল এবং নাসিমসহ ৭জন অভিযুক্ত

সিরাজ সিকদার হত্যা মামলায় রাজ্জাক, তোফায়েল এবং নাসিমসহ ৭জন অভিযুক্ত

শেখ মুজিবের হুকুমে সর্বহারা পার্টির প্রধান এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ সিকদারকে অকথ্য নির্যাতনের পর বন্দী অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এই হত্যা প্রসঙ্গে দৈনিক সংগ্রামে ৫ই জুন ১৯৯২ সালে যে প্রতিবেদন ছাপা হয় তা থেকে শুধু তার হত্যা সম্পর্কেই অনেক কিছু জানা যাবে তাই নয়; শেখ মুজিব সরকারের অধিনে তৎকালীন সার্বিক অবস্থা এবং সেই প্রেক্ষাপটে সর্বহারা পার্টির কার্যক্রম সম্পর্কে ও অনেক তথ্য জানা যাবে।

রাজ্জাক, তোফায়েল, নাসিমসহ ৭জন আসামী। সিরাজ সিকদার হত্যা মামলা দায়ের।

স্টাফ রিপোর্টার: - পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টির নেতা জনাব সিরাজ সিকদারকে হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রাজ্জাক, তোফায়েল ও মোহাম্মদ নাসিমসহ ৭জনকে আসামী করে গতকাল বৃহঃস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের (সিএমএম) আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সিরাজ সিকদার পরিষদের সভাপতি শেখ মহিউদ্দিন আহমদ বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামীরা হলেন: (১) সাবেক পুলিশ সুপার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (২) আব্দুর রাজ্জাক এমপি (৩) তোফায়েল আহমদ এমপি (৪) সাবেক আইজি পুলিশ ইএ চৌধুরী (৫) সাবেক রক্ষীবাহিনীর মহাপরিচালক বর্তমানে সুইডেনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কর্নেল (অবঃ) নূরুজ্জামান (৭) মোহাম্মদ নাসিম এমপি গং।

আসামীদের বিরুদ্ধে ৩০২ ও ১০৯ নং ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার আর্জিতে বলা হয়, বিশিষ্ট প্রকৌশলী নিহত সিরাজ সিকদার ছিলেন একজন আজাদী পাগল মুক্ত বিবেকের অধিকারী ও স্বাধীনচেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি তার জীবদ্দশায় নিপীড়িত মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে প্রথমে শ্রমিক সংগঠন, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং পরবর্তীতে পূর্ব বাংলা সর্বহারা পার্টি নামে রাজনৈতিক দল গঠন করে কাজ করতে থাকেন। সিরাজ সিকদারের নেতৃত্বের প্রতি জনসমর্থন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় তৎকালীন সরকার প্রধান মরহুম শেখ মুজিবর রহমান ঈর্ষান্বিত হয়ে জনসমর্থন হারানোর কারণে, ক্ষমতাচুত্যির ভয়ে ভীত হয়ে সর্বহারা পার্টির কর্মীদের ওপর দমন নীতি চালাতে থাকেন। এমনকি পার্টি প্রধান সিরাজ সিকদারকে হত্যার জন্য বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করতে থাকেন।

আর্জিতে বলা হয় আসামীরা মরহুম শেখ মুজিবের সহচর ও অধিনস্থ কর্মী থেকে শেখ মুজিবের সাথে ঘনিষ্ট যোগাযোগ ও গোপন শলা-পরামর্শে অংশগ্রহণ করতেন এবং ১নং থেকে ৬নং আসামী তৎকালীন সময়ে সরকারের উচ্চপদে থেকে অন্যান্য ঘনিষ্ঠ সহচরদের সাথে শেখ মুজিবের সিরাজ সিকদার হত্যার নীল নকশায় অংশগ্রহণ করেন। তারা এ লক্ষ্যে সর্বহারা পার্টির বিভিন্ন কর্মীকে হত্যা, গুম, গ্রেফতার, নির্যাতন ও হয়রানি করতে থাকেন। সিরাজ সিকদারকে গ্রেফতার ও হত্যার বিবরণ দিয়ে আর্জিতে বলা হয়, মরহুম শেখ মুজিব ও উল্লেখিত আসামীরা তাদের অন্য সহযোগীদের সাহচর্যে সর্বহারা পার্টির মধ্যে সরকারের চর নিয়োগ করেন। এদের মধ্যে ইএ চৌধুরীর একজন নিকট আত্মীয়কেও চর হিসাবে নিয়োগ করা হয়। এভাবে ১৯৭৫ সালের ১লা জানুয়ারী চট্টগ্রামের নিউমার্কেট এলাকা থেকে অন্য একজনসহ সিরাজ সিকদারকে গ্রেফতার করে ঐদিনই বিমানে করে ঢাকায় আনা হয়। ঢাকার পুরাতন বিমান বন্দরে নামিয়ে বিশেষ গাড়িতে করে বন্দীদের পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের মালিবাগস্থ অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সিরাজ সিকদারকে আলাদা করে তার উপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়। ২রা জানুয়ারী সন্ধ্যায় পুলিশ ও রক্ষীবাহিনীর বিশেষ স্কোয়াডের অনুগত সদস্যরা বঙ্গভবনে মরহুম শেখ মুজিবের কাছে সিরাজ সিকদারকে হাত ও চোখ বাধাঁ অবস্থায় নিয়ে যায়। সেখানে শেখ মুজিবের সাথে তার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুম ক্যাপ্টেন (অবঃ) মনসুর আলীসহ আসামীরা, শেখ মুজিবের পুত্র মরহুম শেখ কামাল এবং ভাগ্নে মরহুম শেখ মনি উপস্থিত ছিলেন।

আর্জিতে আরো বলা হয়, প্রথম দর্শনেই শেখ মুজিব সিরাজ সিকদারকে গালিগালাজ শুরু করেন। সিরাজ এর প্রতিবাদ করলে শেখ মুজিবসহ উপস্থিত সকলে তার উপর ঝাপিঁয়ে পড়েন। সিরাজ সে অবস্থায়ও শেখ মুজিবের পুত্র কর্তৃক সাধিত ব্যাংক ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্ম, ভারতীয় সেবাদাসত্ব না করার, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য শেখ মুজিবের কাছে দাবি জানালে শেখ মুজিব আরো উত্তেজিত হয়ে উঠেন। সে সময় ১নং আসামী মাহবুব উদ্দিন তার রিভলবারের বাট দিয়ে মাথায় আঘাত করলে সিরাজ সিকদার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। শেখ কামাল রাগের মাথায় গুলি করলে সিরাজ সিকদারের হাতে লাগে। ঐ সময় সকল আসামী শেখ মুজিবের উপস্থিতিতেই তার উপর ঝাপিঁয়ে পড়ে কিল, ঘুষি, লাথি মারতে মারতে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে। এরপর শেখ মুজিব, মনসুর আলী এবং দুই থেকে সাত নং আসামী সিরাজ সিকদারকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেন এবং ১নং আসামীকে নির্দেশ দেন। ১নং আসামী মাহবুব উদ্দিন আহমদ আসামীদের সাথে বন্দী সিরাজ সিকদারকে শের-এ-বাংলা নগর রক্ষীবাহিনীর সদর দফতরে নিয়ে যায়। এরপর তার উপর আরো নির্যাতন চালানো হয়। অবশেষে ২রা জানুয়ারী আসামীদের উপস্থিতিতে রাত ১১টার দিকে রক্ষীবাহিনীর সদর দফতরেই সিরাজ সিকদারকে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরে ১নং আসামীর সাথে বিশেষ স্কোয়াডের সদস্যগণ পূর্ব পরিকল্পনা মত বন্দী অবস্থায় নিহত সিরাজ সিকদারের লাশ সাভারের তালবাগ এলাকা হয়ে সাভার থানায় নিয়ে যায় এবং সাভার থানা পুলিশ পরের দিন ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করে। কিন্তু সরকারি ঘোষণায় বলা হয়, বন্দী অবস্থা থেকে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করায় পুলিশ এনকাউন্টারে সিরাজ সিকদার নিহত হন। আর্জিতে উল্লেখ করা হয় যে, সিরাজ সিকদারকে হত্যার পর তৎকালীন সরকার প্রধান শেখ মুজিবর রহমান জাতীয় সংসদে ভাষণ দেয়ার সময় ‘কোথায় আজ সিরাজ সিকদার?’ এই দম্ভোক্তি উচ্চারণের মাধ্যমে তার জিঘাংসার বহিঃপ্রকাশ ঘটান। বিলম্বে মামলা দায়ের করার কারণ সম্পর্কে বলা হয়, ঘটনার সাথে সাথে সিরাজের পিতা মরহুম আব্দুর রাজ্জাক মামলা দায়ের করতে যান। কিন্তু তৎকালীন স্বৈরাচারী শাসন ও রক্ষীবাহিনীর সন্ত্রাসের ভয়ে পুলিশ মামলা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। শাসকদের সন্ত্রাসের মুখে মোকদ্দমা দায়ের করা যায়নি। দেশে অস্থির অগণতান্ত্রিক একনায়কতন্ত্রী পরিবেশের কারণে আইন-শৃঙ্খলার অস্বাভাবিক অবনতি, ক্ষমতায় থাকা একনায়কত্ব ফ্যাসিবাদী দলের ক্ষমতার দাপটে ভয়ভীতি ও সন্ত্রস-তায় দীর্ঘ ১৭বছর এই বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতার বিচার নীরবে কেঁদে ফিরেছে। ঐ অবস্থায় মরহুমের পরিবার ও সহকর্মীদের পক্ষ থেকে এজাহার ও মামলা দায়েরের ক্ষুদ্রতম সাহসও কারো ছিল না এবং এখনও নেই। বাদী নিজে সিরাজ সিকদারের আদর্শের এক তরুণ, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই আর্জি পেশ করছে।”

এ আর্জির প্রেক্ষিতে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম দরখাস্তখানা তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার প্রতি নির্দেশ জারি করেন। বাদী পক্ষে মামলা পেশ করেন এডভোকেট ফরমান উল্লাহ খান। তাকে সহায়তা করেন জনাব মোঃ আফজাল হোসেইন। এভাবে চরম নিষ্ঠুরতায় পার্টি নেতা সিরাজ সিকদারের হত্যার পর অর্ন্তর্দ্বন্দ্ব ও নেতৃত্বের কোন্দলের ফলে এবং সরকারি নিষ্পেষণে সর্বহারা পার্টির সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ে। পার্টিতে ভাঙ্গন দেখা দেয়। জাতীয় পরিসরে পার্টির প্রভাব ও কর্মকান্ড এবং শক্তি ক্রমান্বয়ে লোপ পেতে থাকে। নেতৃত্বের দুর্বলতায় কর্মীরা উদ্দামহীন হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়েন। ফলে জনগণও হতাশ হয়ে সন্দিহান হয়ে উঠে সর্বহারা পার্টির ভবিষ্যত সম্পর্কে। এভাবেই সিরাজ সিকদারের মৃত্যুর সাথে সাথে হঠাৎ করে জেগে উঠা গণমানুষের মুক্তির এক উজ্জ্বল সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায় স্বৈরশাসনের আগ্রাসী জিঘাংসায়।

Successful Plans of 1/11

Successful Plans of 1/11


Successful Plans of 1/11
Party: Bangladesh Awami League, Designation: Presidium member, MP
Confession:
1. Hasina was confused whether she would participate in the election.
2. Election Commissioner SM Jakeria and Modabbir were to be replaced by Awami minded Commissioner
3. Since DC and SPs of the countries were BNP minded so it was suicidal if it was participated in the election.
4. ‘Suicidal' was the assessment of Salman F Rahman
5. As per the assessment with the survey, the decision was taken to withdraw the nomination of Awami League by the absolute decision of Sheikh Hasina. Since it was pretended as it might go against AL.
5. The election scheduled to be held on 22 January was taken to stop as it might be as like as the election held on 15 February, 2006
6. Sheikh Hasina told him on 2 January that the election would not be held on 22 nd January. She anticipated for a situation might drive the position.
7. Sheikh Salim also advised Hasina for the election on 22 nd January. As it might perish the existence of AL.
8. Sheikh Hasina was confident about the fate of election on 22 nd January, 2007 as he maintained internal and international connection.
9. He said that Army did not want to be held the election like that.
10. As per his anticipation Hasina was confident for holding the election before 18 months and it would take 6 months for the preparation of voter list.
11. He thought that Election Commissioner made wrong in order to take the decision in the very beginning. They were slow in their action. It would not take more time to chalk out the plan for the program which may make rumor.
12. The Election Commissioner should better to talk with them.
13. The presidium members welcomed the Military and he advised Hasina to be silent.
14. If war leader Sheikh Abdur Rahman would not be the brother –in law of Mirza Azam and if Mirza Azam would be the leader of BNP we would burst (Fatia) him. Sheikh Hasina would burst (fatia) him also.
15. It was a mistake to arrest Shaikhul Hadith Allama Azizul Haq. The police officer was murdered while to drive operation at Azizul Haq's mosque in Mohammadpur.
16. He mentioned one cause for the defeat in the election of 2001; then, the Ghadanik committee members- Monem Sarkar; Shariar Kabir became the adviser of Awami League. Then they prepared a cartoon of a dog wearing a cup in its head which made anger the Muslims and affected the image of Awami League and became the boomerang.
17. Whether it is RAW or not there are relations between India and Sheikh Hasina, Abdur Rajjak, Tofael Ahmed, Mukul Bose, Suronjit Sen Gupta. He did not know about the RAW's payment to them.
18. William B Milam was oil dealer came only to deal in. He had no power in America .
19. The ‘tram card' plan was weaved by Kazi Faruk Ahmed, the Chairman of PROSHIKA, Saber Hossein Chowdhury, Asaduzzaman Nur and Abdul Jalil.
20. He denied about the US$300 million of Joy,the son of Sheikh Hasina,
21. He confessed that Shah Alam, Chairman of Bashudhara group Shah Alam donated 2 lacs of taka every month, later 3 lacs .
22. Sheikh Hasina received 10 lacs, Tofael Ahmed 2 lacs, Abdur Razzak 2 lacs, Obaidul Kader 2 lacs every month.
23. The Managing Director Saiem Sobhan Anvir used to pay him cash at his resident. Wakil Commissioner was accompanied by him every so often .
24. In order to get the approval of RAJUK, Bashudhara group paid 25 lacs taka.
25. Bashundhara group gifted 1 bigaha of plot to Sheikh Rehana, One bigah plot to Tofael Ahmed and one bigah plot to Haris Chowdhury.
26. He informed that Sheikh Rehana bought a house in London in 1980 although she denied about it. He visited eight times to the house of Sheikh Rehana at Edward road in London where she is living by rent, hhe lastly visited in 2005.
27. He informed that Abdul Jalil proposed and married the wife of his far nephew while she came to see him for tadbir (lobby?). She was his second wife.
28. In quest to receive money Hasina did not trust any body. Salman F Rahman, Jafrullah, and Sheikh Helal were the middle men to receive money .
29. He did not confess anything about the involvement of the killing of Awami League leader babul,however, he confessed that after the death of Mr. Babul Tofael made ‘special relation' with his wife.
30. He informed that Joy, Sheikh Hasina's son, married an Indian girl in 1990, and detached them after one year. A post marital ceremony was held in London at that time. Later he married American girl Cristina.
31. He confessed the local and international involvement to jeopardy the Garments sector last year. He confessed about the involvement of kamal Ahmed Mojumder and Tauhid Murad Jong. Besides some garments workers leaders were involvement with the incident.
32. Regards to the matter of bother-in-law **ur Rahman Monju he informed that he made relation through the batch mate Captain Nawab Hossein of Hussein Muhammad Ershad.
33. He denied any involvement about the nomination business .He refused the proposal Nurul Islam Babul and Gazi Shaheb of Gazi tank. Furthermore, he informed that Salman F Rahman, Jafrullah and Sheikh Helal were involved with the nomination business.
34. Although he was elected five times MP, he was not made the member of Parliamentary board which made him annoyed and prepared to be resigned that made open to Jalil.
35. He confessed about two percent commission that he took from Azam Chowdhury, the Managing Director of East Coast Limited.
36. He possessed the movable and immovable property worth of taka 4 crore and 75 lacs 37. Among them , 3 crore and 80 lacs in Bank : in Dutch Bangla bank, Banani branch 6 lacs, In Premium bank, Dilkhusa branch 40 thousand, Prime Bank Motijheel branch 30 tousand, and $9 thousand under a credit account of NBL (National bank Limited) .He used to send his son and daughter's education expenditure through Datch Bangla Bank .
37. He received 5 lacs of taka from Nasimul Alam Chowdhury , candidate to Barura Constituent Under Comilla.

টেলিফোন দুর্নীতি মামলায় এরশাদ খালাস

টেলিফোন দুর্নীতি মামলায় এরশাদ খালাস

Mon, Feb 2nd, 2009 11:32 am BdST
ঢাকা, ফেব্র"য়ারি ০২ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-- সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদ উপজেলা পর্যায়ে ডিজিটাল টেলিফোন লাইন স্থাপন সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় খালাস পেয়েছেন।

মামলা দায়েরের ১৬ বছর পর সোমবার সকালে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. গোলাম মর্তুজা এ রায় দেন।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় এরশাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "অনেক দিন পর আদালত থেকে ন্যায়বিচার পেতে শুরু করেছি।"

প্রায় দশকব্যাপী স্বৈরশাসন চালানো হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের দল জাতীয় পার্টি ক্ষমতাসীন মহাজোটের অংশীদার। নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি তিনটি আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন।

৯২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তেজগাঁও থানায় এই মামলা করেন তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তা উপেন্দ্র চন্দ্র দাস।

মামলায় এরশাদ ছাড়া আর যাদের আসামী করা হয় তারা হচ্ছেন- তার সরকারের টেলিযোগাযোগমন্ত্রী কাজী ফিরোজ রশিদ, টিঅ্যান্ডটি বোর্ডের সাবেক উপ মহা-ব্যবস্থাপক শামসুল ইসলাম (পলাতক), সাবেক ব্যবস্থাপক আনোয়ারুল কাদের এবং এক্সপো ট্রেডের মালিক মজিদ চৌধুরী।

রায় এবং মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ফিনল্যান্ডের ঋণের আওতায় বাংলাদেশের ৮৯টি উপজেলায় ডিজিটাল টেলিফোন লাইন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে তৎকালীন বহিঃসম্পদ বিভাগের সচিব এবং পরিকল্পনামন্ত্রীর মতামত উপেক্ষা করে এরশাদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে ফরাসি ঋণের আওতায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাষ্ট্রের ওপর ২৮ কোটি ৬২ লাখ ৬৭ হাজার ৩১১ টাকার ঋণ এবং ৭১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৮২ টাকা সুদের বোঝা চাপিয়ে নিজেরা লাভবান হন।

১৯৯৫ সালের ৩১ জুলাই মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। অভিযোগ গঠনের সময় কাজী ফিরোজ রশিদকে মামলার দায়-দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরশাদের আইনজীবী শেখ সিরাজুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এর আগে এরশাদ সোনা চোরাচালান মামলা, জাপানি বোট ক্রয় সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলা, ইলেকট্রনিক নিউজ গ্যাদারিং যন্ত্রপাতি স্থাপন সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলা ও শিল্প ব্যাংকের ঋণ মওকুফ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় খালাস পেয়েছেন।

এ মামলার বিচারকালে ১৫ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/পিবি/এজে/এসকে/১১৫৯ঘ.

আ' লীগের বৈঠকে ইকবাল, হাজি সেলিম, মকবুল

আ' লীগের বৈঠকে ইকবাল, হাজি সেলিম, মকবুল
Sun, Feb 1st, 2009 12:12 am BdST
ঢাকা, জানুয়ারি ৩১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-ঢাকার দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক সংসদ সদস্য এইচ বি এম ইকবাল, হাজি সেলিম ও হাজি মকবুলকে শনিবার মহানগর আওয়ামী লীগের এক বৈঠকে যোগ দিতে দেখা গেছে।

বৈঠকে রাজধানীর প্রতিটি থানায় খুব শিগগিরই কর্মীসভা আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ইকবাল, হাজি সেলিম ও মকবুল তিনজনই দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিলেন বলে সকলের ধারণা। কিন্তু তাদের দল ক্ষমতায় আসার পরপর তারা আবার দেশে ফিরে আসেন। জরুরি অবস্থা চলার সময় বিচারে তাদের তিনজনকেই দীর্ঘ মেয়াদের কারদণ্ড দেয়া হয়। এছাড়া ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের শাসনামলে রাজধানীতে সন্ত্রাসী তৎপরতায় মদদ দেয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

দলের মহানগর কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম আজিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন আইন প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মোফাজ্জল হোসেন মায়াও শিগগির দেশে ফিরে আসবেন।

টিভি ফুটেজে ইকবাল, হাজি সেলিম ও হাজি মকবুলকে আলোচনায় অংশ নিতেও দেখা যায়।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে থানা পর্যায়ের কর্মীসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন উপস্থিত থাকবেন বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

দুই-একদিনের মধ্যে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় থানা কর্মী সভার দিনক্ষণ ঠিক করা হবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসইউএম/ডিডি/টিআর/২৩৫৫ঘ.

রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে সেনা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে: আলমগীর

রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে সেনা হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে: আলমগীর


Sun, Feb 1st, 2009 11:16 pm BdST
ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ০১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) -- সেনা বাহিনী আর যাতে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে হস্তক্ষেপ করতে না পারে সেজন্য এই মুহুর্তেই ব্যবস্থা নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাংসদ মহীউদ্দিন খান আলমগীর।

তিনি বলেন, "আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিপাহী-শান্ত্রী হাতে বন্দুক পেয়ে আর যাতে রাষ্ট্রের মালিক হয়ে না যায় তা নিশ্চিত করতে হবে। না হলে আগামী প্রজন্ম আমাদের মাফ করবে না।"

রাষ্টপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে বক্তব্য দিতে গিয়ে মহীউদ্দিন খান আলমগীর একথা বলেন।

এই মুহূর্তে ব্যবস্থা না নিলে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) 'দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত' হবে এবং দুদকের কার্যক্রম যাচাই করার জন্য সংসদীয় কমিটি গঠনের আহবান জানিয়ে সাবেক এই পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, "কোন ক্ষমতা বলে কর্মচারী দিয়ে দুদক সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম সমীক্ষা করেছে? দুদকের চেয়ারম্যানের নিয়োগ কি সঠিক ছিলো? তারা যেসব মামলা করেছে তা কি সঠিক ছিলো? দুদক কোন অধিকার বলে তাদের পাবলিক প্রসিকিউটরদের পারিতোষিক দিয়েছে?"

দুদকের কর্মকর্তাদের সম্পত্তির হিসাব নেওয়ার দাবি জানিয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, "১৮ জনের মধ্যে কোন আইনে নিরাপত্তা বাহিনী থেকে ১২ জন পরিচালক নেওয়া হয়েছে। সততার মানদণ্ড কি শুধুই নিরাপত্তা বাহিনী? আক্ষরিক অর্থেই দুদক দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে।"

মহীউদ্দিন খান আলমগীর তার বক্তব্যে দুদকের চেয়ারম্যান হাসান মশহুদকে 'নির্লজ্জ' হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে তিনি বলেন, "বিদ্যুত উৎপাদন একটুও না বাড়িয়ে সংবিধান লংঘন করে সিটিজেন চার্টার উপস্থাপন করা হয়েছে। একদিকে বেটার বিজনেস ফোরাম গঠন করা হয়েছে, আর অন্যদিকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের নামে কাউকে টাকা লুটের অধিকার দেওয়া হয়নি।"

বিচার বহির্ভূতভাবে ২৩৭ জনকে যারা হত্যা করেছে তাদের বিচারের বাইরে রাখা হয়েছে বলেও মহীউদ্দিন খান আলমগীর দাবি করেন।

তিনি বলেন, "আমাকে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীর একদল সদস্য চেয়েছেন নিজেদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করতে। আমাকে বলা হয়েছিলো আমি যদি আমাদের নেত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষী দেই তাহলে বাড়িতে চলে যেতে দেওয়া হবে। আমি জানতে চেয়েছিলাম, আমি মিথ্যা সাক্ষী না দিলে কী হবে? এর জবাবে বলা হয়েছিলো, আমার স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হবে।"

তিনি বলেন, "সংবিধান লংঘনের জন্য রাষ্ট্রপতির বিচার হওয়া দরকার।"

তিনি বলেন, "তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতি দমনের নামে রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। গরীবি হটানোর নামে গরীব হটানো হয়েছে।"

তিনি আরো বলেন, ফখরুদ্দীন আহমদ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর থাকাকালে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আরো বক্তব্য রাখেন আসাদুজ্জামান নূর, এ বি এম গোলাম মোস্তফা, আবু জাহির, এ এইচ মাহমুদ আলী, এম এ মান্নান প্রমুখ।


বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসইউএম/কেআরসি/টিআর/১১১৩ ঘ.

কাজী জাফরের পথই ধরেছেন মেননরা : রনো

কাজী জাফরের পথই ধরেছেন মেননরা : রনো


Sun, Feb 1st, 2009 11:07 pm BdST
ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)-- ওয়ার্কার্স পার্টির দলত্যাগী নেতা হায়দার আকবর খান রনো মহাজোটের হয়ে নৌকা প্রতীক নিয়ে শীর্ষ তিন নেতার নির্বাচন এবং সরকারে অংশগ্রহনের 'আগ্রহকে' আদর্শ বিচ্যুতি আখ্যায়িত করে বলেছেন, ৩০ বছর আগে কাজী জাফর যে কাজটি করেছিলেন, রাশেদ খান মেননও আজ তারই পথ ধরেছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম কার্যালয়ে বসে দলে বিভক্তি নিয়ে কথোপকথনকালে প্রবীণ এই কমিউনিস্ট নেতা বলেন,"ওয়ার্কার্স পার্টি আর কমিউনিস্ট পার্টি নেই। এ দল কমিউনিস্ট নৈতিকতা ও চরিত্র বিসর্জন দিয়েছে।"

ওয়ার্কার্স পার্টির তার নেতৃত্বাধীন অংশটির নাম বদলানো হবে জানিয়ে রনো বলেন,"পার্টিকে হতে হবে 'রি-অর্গানাইজড, রি-ওরিয়েন্টেড অ্যান্ড রি-ইউনিফাইড'। দেশের অন্য কমিউনিস্ট পার্টিগুলোর সঙ্গে ঐক্যের চেষ্টা করা হবে। আমার মনে হচ্ছে, এটিই হবে যথার্থ কাজ। নাম, ব্যক্তি, পদবী নিয়ে আমার উদ্যোগে কোনো সমস্যা হবে না।"

দলীয় শীর্ষ নেতাদের এই প্রবণতাকে এক সময়ের ফরাসী সমাজতান্ত্রিক নেতা মিলেরার বুর্জোয়া সরকারে যোগদানের ঘটনার ওপর কথিত মিলেরাবাদের সমার্থক সুবিধাবাদ বলেই মনে করেন রনো।

৩০ বছর আগের স্মৃতিচারণ করে রনো বলেন,"তৎকালীন ইউপিপি নেতা রাশেদ খান মেনন ও কাজী জাফর পার্টি ছেড়ে বিএনপিতে যাওয়ার জন্যে প্রস্তুতি নেন। শেষ পর্যন্ত কাজী জাফর দল ছেড়ে চলে যান। পরিবারের চাপ স্বত্ত্বেও মেনন যেতে পারলেন না। আজ মেনন নির্বাচনের জন্য নৌকা প্রতীক নিলেন এবং জিতে সরকারি দলের আসনেই বসছেন।"

মেননকে ছোট বেলার বন্ধু উল্লেখ করে তিনি বলেন, "কমপ্রমাইজ করে মাঝে মাঝে থাকতে হয়। আবার কমপ্রমাইজ করলে আলটিমেটলি ক্ষতিও হয়। বর্তমান অবস্থানে আপাতত দলের ক্ষতি হল।"

দৃশ্যত ছোট বেলার বন্ধুকে ইঙ্গিত করে বুর্জোয়া সরকারের মন্ত্রী হওয়ার আগ্রহকে 'আত্মমর্যাদাহীন' বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নিজের সিদ্ধান্তের কারণ 'আদর্শগত ও নৈতিকতাপ্রসূত' বলেই মনে করেন তিনি।

দলছেড়ে দেওয়ার পটভূমি ব্যাখ্যা করে হায়দার আকবর খান রনো বলেন,"মৌলবাদীদের ঠেকাতে যা যা করা দরকার, তা তা করবো। বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে সমর্থনও দেয়া যায়। এরমানে এ নয় যে, সরকারে যেতে তদ্বির করতে হবে, ওদের প্রতীক নিতে হবে, মন্ত্রিসভায় যেতে হবে।"

২০০৬ সালের ২২ জানুয়ারি (বাতিলকৃত) নির্বাচনের আগে ওয়ার্কার্স পার্টির অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে রনো জানান, ওই সময়ে নির্বাচনকে সামনে রেখে দলটি মহাজোটে যোগ দেয় এবং নৌকা প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেসময় তিনিসহ বেশিরভাগ কেন্দ্রীয় নেতা এর বিপক্ষে ছিলেন।

তিনি বলেন,"জরুরি অবস্থার সময় গোপনে সেন্ট্রাল কমিটির এক বৈঠকে ওই সিদ্ধান্তকে পলিটব্যুরোর ভুল সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দেওয়া হয় এবং তা পশ্চাদপসরণ বলে মত দেওয়া হয়। এ অবস্থায় ২০০৮-এর সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত এক বর্ধিত সভায় জানানো হয়, নৌকা প্রতীকও নেবে না এবং মহাজোটেও যাবে না দলটি। নভেম্বরের মাঝামাঝি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পলিটব্যুরো আমাদের চারজনের বিরোধিতা সত্ত্বেও মহাজোটের হয়ে নিজ দলের প্রতীক বাদ দিয়ে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেয়।"

তার দাবি, এটি গঠনতন্ত্র বিরোধী, কেননা পলিটব্যুরো সেন্ট্রাল কমিটির সিদ্ধান্ত লংঘন করে কিছু করতে পারবে না।

রনো জানান, কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক ৬ ডিসেম্বর থাকলেও তা বাতিল করে তড়িঘড়ি ২ ডিসেম্বর পলিটব্যুরো সিদ্ধান্ত নেয় নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করার। তাতে বিরোধিতা করেও কোনো লাভ হয়নি।

এখনো আদর্শ আগলে রাখা প্রবীণ এই মার্কসবাদী বলেন,"বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার কারণ স্পেকুলেটিভ ক্যাপিটাল বা অনুমিত পুঁজি।" এটিকে পুজিবাদের অনিবার্য সংকট বলেই মনে করেন তিনি।

জীবনের এবেলায় এসে সহযোদ্ধাদের 'বিচ্যুতিতে' হায়দার আকবর খান রনোর কন্ঠে কিছুটা হলেও হতাশা, "খুব আদর্শনিষ্ঠ পার্টি করা গেল না। তবুও হাল ছাড়ি না।"

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমএইচসি/জিএনএ/২৩০৪ঘ.
Sat, Jan 31st, 2009 10:49 pm BdST
চাষী কল্যাণ সমিতির অনুষ্ঠানে মাওলানা শামসুদ্দিন (গোল চিহ্নিত), বাঁয়ে সাংসদ লতিফ- চট্টগ্রাম অফিস
চট্টগ্রাম, জানুয়ারি ৩১ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) - জামায়াত নেতার সঙ্গে একই মঞ্চে একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন চট্টগ্রাম-১০ (পতেঙ্গা) আসনে আওয়ামী লীগের সাংসদ ও চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি এম এ লতিফ।

জামায়াত নেতা ইসলামী সমাজ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মাওলানা শামসুদ্দিনের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে চট্টগ্রাম শহরের বিএলএফ কমান্ডার কাজী ইনামুল হক দানু এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা গ্রন্থের প্রণেতা ডা. মাহফুজুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মুক্তিযুদ্ধের সময় মাওলানা শামসুদ্দিন পাকিস্তানি বাহিনীর কুখ্যাত নির্যাতন কেন্দ্র (টর্চার সেল) শহরের ডালিম হোটেলের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ছিলেন।

শনিবার নগরীর বড়পুল এলাকার রাজমুকুট কমিউনিটি সেন্টারে জামায়াতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন চাষী কল্যাণ সমিতি মহানগর শাখা আয়োজিত 'যৌতুকবিহীন' এক বিয়ের অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সাংসদ লতিফ প্রধান অতিথি এবং মাওলানা শামসুদ্দিন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর আফসার উদ্দিন চৌধুরী এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোজাফফর আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।

সারাদেশে আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের উপস্থিতি আছে এমন অনুষ্ঠান বর্জন করলেও আওয়ামী লীগের সাংসদ এম এ লতিফের জামায়াতের সহযোগী সংগঠনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

মাওলানা শামসুদ্দিনকে একজন যুদ্ধাপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করে মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মুক্তিযোদ্ধা কাজী ইনামুল হক দানু বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, "সাংসদ লতিফ জেনে বুঝে এ অনুষ্ঠানে গেছেন কি না আমার জানা নেই। যদি জেনে শুনে এ অনুষ্ঠানে গিয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই অন্যায় করেছেন।"

এ ব্যাপারে সাংসদ লতিফ বলেন, "আমি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। যেখানে আমার ছেলেসহ ১৭ জন নব দম্পতি যৌতুকবিহীন বিবাহ বন্ধনে অংশ নেন।"

তিনি বলেন, "অনুষ্ঠানে যাওয়ার পর জেনেছি মাওলানা শামসুদ্দিন একজন যুদ্ধাপরাধী।"

চাষী কল্যাণ সমিতি ১৭ নবদম্পতির জন্য এ যৌতুকবিহীন বিয়ের আয়োজন করে। সাংসদের বড় ছেলে ওমর ফারুকের সঙ্গে ফারজানা পারভীনের বিয়েও অনুষ্ঠিত হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমসি/এমএসবি/জিএনএ/২২৪৪ ঘ.
আমরা প্রতিহিংসায় বিশ্বাস করি না : শেখ হাসিনা


আমরা প্রতিহিংসায় বিশ্বাস করি না : শেখ হাসিনা
যাযাদি রিপোর্ট
কোটালীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যানদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখছেন শেখ হাসিনা Ñযাযাদি
দেশের উন্নয়নে জনগণকে ধৈর্য ধারণ ও সহনশীল থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পাশাপাশি উন্নয়নের ক্ষেত্রে ‘পিছিয়ে পড়া বঞ্চিত’ এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে সমতা আনার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
রাজধানীর ধানম-িতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে গতসন্ধ্যায় গোপালগঞ্জের কোটালী-পাড়া উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় শেখ হাসিনা একথা বলেন। বিডিনিউজ
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র হবে, বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করা হবে। এরপরও উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে জনগণকে সহনশীল থাকতে হবে, ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জসহ দেশের অনেক এলাকায় গত জোট সরকারের সময় কোনো উন্নয়ন হয়নিÑ এ অভিযোগ করে হাসিনা বলেন, আমাদের সময় নেয়া প্রকল্পগুলো গত জোট সরকারের সময় বন্ধ করে দেয়া হয়। আমরা সব এলাকার সুষম উন্নয়ন চাই। উন্নয়নবঞ্চিত এলাকায় আগে কাজ করে সমতা আনা হবে।
তিনি বলেন, তাদের (বিরোধী দল) টাকার অভাব নেই। তারা বিদেশে লুটের টাকার পাহাড় করেছে। বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে এ টাকা দুহাতে ছড়াবে তারা।
খালেদা জিয়া ও সাইফুর রহমানের প্রতি ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী কালো টাকা সাদা করেছেন। তারা জনগণের লুট করা টাকাই সাদা করেছেন।
নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমাতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, সীমিত আয়ের মানুষ যেন ভালোভাবে বাঁচতে পারে সেজন্য আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা প্রতিহিংসায় বিশ্বাস করি না। তবে যাদের বিরুদ্ধে অন্যায় করা হয়েছে তাদের প্রতিকার করা হবে। মিথ্যা মামলাগুলো দেখা হবে।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, আমরা কী পাবো সেটা বড় কথা নয়, কতোটুকু দিতে পারবো সেটাই বড় কথা। দারিদ্র্য ও নিরক্ষরতামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। সবার দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া হবে।
শিক্ষার প্রতি জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশের মানুষকে শিক্ষিত করতে চাই। যেন বিশ্বসভায় আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি। আমাদের ওপর আস্থা ছিল বলেই জনগণ বিপুল ভোটে জয়ী করেছে। আমরা যেন জনগণের এ আস্থা রাখতে পারি সেজন্য কাজ করে যেতে হবে।
আওয়ামী লীগের বিপুল বিজয়ে আমাদের দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে। এখন অনেক বড় দায়িত্ব নিয়ে চলতে হবে। চড়াই-উতরাইয়ের মধ্যে এগিয়ে যেতে হবেÑ বলেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে দলের মুখপাত্র এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, এখন আমাদের কাজের সময়। নির্বাচনই শেষ নয়। আগে সমতা আনা হবে। গত সরকারের সময় যেসব এলাকায় কাজ হয়নি সেসব এলাকায় আগে কাজ করা হবে। আমরা মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই।
তিনি জানান, গোপালগঞ্জ জেলার জন্য বিশেষ প্রকল্প নেয়া হয়েছে।
এ সময় কোটালীপাড়া উপজেলার নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান বিমল বিশ্বাস, কোটালীপাড়া আওয়ামী লীগের সভাপতি সুভাষ জয়ধর, সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমায়ূন কবীর, উপদেষ্টা কাজী আকরামউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার ২৬ দিনের মাথায় শেখ হাসিনা গতকাল প্রথম তার দলীয় কার্যালয়ে যান।
দলীয় সভানেত্রী আসবেন বলে ঢাকা আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতারা উপস্থিত হন সেখানে।
তবে নিরাপত্তার কারণে অনেক নেতাকর্মী এদিন দলীয় সভানেত্রীর কাছে যেতে পারেননি।
শেখ হাসিনা তার বক্তব্যের সময় দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মীর উদ্দেশে বলেন, যারা দূরে রয়েছেন তারা মনে করবেন না তারা দূরে রয়েছেন। তারা আমার আত্মার অনেক কাছে রয়েছেন।

†Kv¤úvbxM‡Ä mš¿vmx nvgjv

†Kv¤úvbxMÄ (†bvqvLvjx) cÖwZwbwa: †Kv¤úvbxM‡Ä we‡q evwo †_‡K †divi c‡_ mš¿vmx nvgjvq AvnZ n‡q‡Q 2 Rb| PinvRvix BDwbq‡bi we‡q evwo †_‡K `vIqvZ †L‡q evwo †divi c‡_ ïµevi iv‡Z emyinvU †cŠimfv 7 bs Iqv‡W©i gvwQ wgqvwRi gmwR` msjMœ GjvKvq GB mš¿vmx nvgjvi NUbv N‡U| AvnZ 2 Rb‡KB †Kv¤úvbxMÄ ¯^v¯’¨ Kg‡cø‡· fwZ© Kiv nq| AvnZ Ave`yj nvwj‡gi wcZv Ave`yi †i¾vK Rvbvb, RvqMv-Rwg msµvšÍ c~e© kÎæZvi †Ri a‡i Avgvi †Q‡j‡K wPwýZ mš¿vmxiv nvgjv K‡i‡Q|

dZzjøvq al©‡Yi ci nZ¨v

÷vd wi‡cvU©vi, bvivqYMÄ †_‡K: dZzjøvq GK gwnjv `ya we‡µZv‡K al©‡Yi ci nZ¨v Kiv n‡q‡Q| Zvi bvg jyßv †eMg (35)| MZKvj mKv‡j cywjk GKwU wbg©vYvaxb evwo †_‡K wbn‡Zi jvk D×vi K‡i gqbvZ`‡šÍi Rb¨ g‡M© cvwV‡q‡Q| NUbvwU N‡U‡Q dZzjøvi wkívÂj wcjKzwb GjvKvq| wbnZ jyßv `yB mšÍv‡bi Rbbx| GjvKvi GK †Mvqvjvi `ya cvwikªwg‡Ki wfwˇZ wewj Ki‡Zv †m| wbn‡Zi ¯^vgx wgj kªwgK AvbRy wgqv Rvbvb, cÖwZw`‡bi g‡Zv ïµevi mܨvq jyßv `ya wewj Ki‡Z wM‡q iv‡Z evmvq wd‡i Av‡mwb| GKch©v‡q ¯’vbxq GjvKvevmxi KvQ †_‡K Lei †c‡q wcjKzwb GjvKvi GKwU wbg©vYvaxb evwoi †fZi †_‡K Zvi jvk D×vi K‡i cywjk| dZzjøv g‡Wj _vbvi †m‡KÛ Awdmvi GmAvB e`iæj Avjg Rvbvb, cÖv_wgKfv‡e aviYv Kiv n‡”Q, al©‡Yi ci jyßv‡K k¦vm‡iv‡a nZ¨v Kiv n‡q‡Q|

†fvjvq BDwc †Pqvig¨vb‡K Kzwc‡q RLg

†fvjv cÖwZwbwa: †`ŠjZLvb Dc‡Rjvi nvRxcyi BDwc †Pqvig¨vb I Dc‡Rjv weGbwc mnmfvcwZ dviæK ZvjyK`vi‡K Kzwc‡q AvnZ Kiv n‡q‡Q| c~e©kÎæZvi †Ri a‡i MZKvj †`ŠjZLvb Dc‡Rjvi ¸ßMÄ evRv‡i AvIqvgx jx‡Mi Kgx©iv dviæK ZvjyK`vi‡K Kzwc‡q RLg K‡i| Avk¼vRbK Ae¯’vq Zv‡K †fvjv m`i nvmcvZv‡j fwZ© Kiv n‡q‡Q| †Pqvig¨v‡bi cvwievwiK m~Î Rvwb‡q‡Q, 29 Zvwi‡Li msm` wbe©vP‡bi ci ¯’vbxq AvIqvgx jxM Kgx© I mg_©Kiv nvRxcyi BDwbq‡bi DbœqbKv‡R eivÏK…Z LqivwZi wfwRGd Pvjmn jvfRbK myweav wQwb‡q wb‡Z †Pqvig¨vb‡K bvbv cÖKvi ûgwK w`‡Z _v‡K| †Pqvig¨vb Mwi‡ei Rb¨ eivÏK…Z LqivwZi IBme gvjvgvj w`‡Z A¯^xK…wZ Rvbvb| IB NUbvi m~Î a‡iB MZKvj Zvi Ici nvgjv Pvjv‡bv nq|

gg©vwšÍK

kªxbMi (gyÝxMÄ) cÖwZwbwa: MjvKvUv i³v³ kixi wb‡q wUUz GKwU †dvb b¤^i wj‡L gvwU‡Z X‡j c‡o| ax‡i ax‡i Zvi kixi nxg n‡q hvq| XvKv-gvIqv gnvmo‡Ki †lvjNi GjvKvq `uvov‡bv †jvKRb Ggb †jvgnl©K NUbv †`‡L nZwenŸj n‡q c‡o| MZKvj w`b-`ycy‡i Ggb NUbvwU N‡U †lvjNi GjvKvq| cywjk I wbn‡Zi cwievi m~‡Î Rvbv hvq, XvKvi dwKivcyj GjvKvi evwm›`v I Uªv‡fj e¨emvqx †mv‡nj †nv‡mb wUUz (28) MZKvj mKvj 11Uvq Zvi k¦ïi evwo 784/19 RyivBb cyKzi cv‡oi evmv †_‡K dwKivcy‡ji D‡Ï‡k †ei nb| Gici `ye©„Ëiv AcniY K‡i †lvjNi evm÷¨vÛ †_‡K 100 wgUvi Dˇi iv¯Ívi c~e©cv‡k wb‡q Zvi Mjv‡K‡U †d‡j cvwj‡q hvq| IB Ae¯’vq i³v³ †`n wb‡q †m iv¯Ívq G‡m GKwU †dvb b¤^i wj‡L †`q| IB mgq Zvi kixi i‡³ wf‡R wM‡qwQj| kªxbMi ¯^v¯’¨ Kg‡cø‡· KZ©e¨iZ wPwKrmK Zv‡K g„Z †NvlYv K‡ib| c‡i wUUzi wj‡L hvIqv †gvevBj b¤^‡i †hvMv‡hvM Ki‡j Zvi AvZ¥xq¯^Rb G‡m jvk kbv³ K‡i| wUUz MZ 21†k b‡f¤^i RyivB‡bi nvmbv †eMg (18) †K we‡q K‡i| nvmbvi eo fvB fz‡Æv Rvbvb, we‡qi Av‡M GKB GjvKvi kvnRvnvb bv‡g GK hyeK nvmbv‡K we‡q Ki‡Z †P‡qwQj| we‡qi c‡i kvnRvnvb G e¨vcv‡i nvmbvi cwievi‡K K‡qKevi ûgwK †`q| wZwb AviI e‡jb, kvnRvnvbB Zvi `jej wb‡q G NUbv NwU‡q _vK‡Z cv‡i| wbn‡Zi gv 224 dwKivcyj 1g Mwji evwm›`v †n‡jbv †eMg Rvbvb, mKvj mv‡o 10Uvq Zvi †Q‡ji evmvq Avmvi K_v wQj| `yB †Q‡ji g‡a¨ 10 eQi Av‡M Zvi eo †Q‡j‡KI mš¿vmxiv nZ¨v K‡i XvKvi gyM`v GjvKvq e¯Ívew›` K‡i †d‡j iv‡L| `yÕ †Q‡j‡K nvwi‡q †n‡jbv †eMg GLb cvMjcÖvq| G NUbvq kªxbMi _vbvq gvgjv n‡q‡Q|

iƒcM‡Ä wcwU‡q nZ¨v

iƒcMÄ cÖwZwbwa: iƒcM‡Ä Rwg `L‡j evav †`qvq GK e„ׇK wcwU‡q nZ¨v K‡i‡Q mš¿vmxiv| G mgq wbn‡Zi cy·KI wcwU‡q AvnZ Kiv nq| ïµevi iv‡Z Dc‡Rjvi Kv‡qZcvovi Pbcvov GjvKvq G NUbv N‡U| Rvbv hvq, Dc‡Rjvi Kv‡qZcvovi Pbcvov GjvKvi e„× Avãyj †gvZvwj‡ei gvwjKvbvaxb 9 kZvsk Rwg Pbcvov ew¯—i 8 bs Iqv‡W©i mš¿vmx PvBwbR wmivR, wmw×iM‡Äi mvB‡jv †MBU GjvKvi gvgyb I †jwW mš¿vmx R‡e`vmn 10/12 R‡bi GK`j mš¿vmx †Rvic~e©K `Lj Ki‡Z hvq| G mgq e„× †gvZvwje I Zvi cyÎ †mv‡nj (25) mš¿vmx‡`i evav w`‡j mš¿vmxiv Zv‡`i‡K wcwU‡q AvnZ K‡i| c‡i ¯’vbxq †jvKRb AvnZ e„× †gvZvwje I Zvi cyÎ †mv‡nj (25)†K D×vi K‡i XvKv †gwW‡Kj K‡jR nvmcvZv‡j fwZ© Ki‡j KZ©e¨iZ Wv³vi e„× †gvZvwje‡K g„Z †NvlYv K‡ib| G NUbvq iƒcMÄ _vbvq Awf‡hvM Kiv n‡q‡Q|

gvbevwaKvi ev¯Íevqb ms¯’vi Rwic

MZ gv‡m bvbv mwnsmZvq

wbnZ n‡q‡Q †`o kZvwaK

÷vd wi‡cvU©vi: ivR‰bwZK mwnsmZvq PjwZ eQ‡ii cÖ_g gv‡m †`‡ki wewfbœ ¯’v‡b 24 Rb wbnZ I 976 Rb AvnZ n‡q‡Q| evsjv‡`k gvbevwaKvi ev¯Íevqb ms¯’vi GK Rwi‡c G Z_¨ Rvbv †M‡Q| G‡Z ejv nq Lyb, al©Y, †cÖg, Rwg-Rgvmn mvgvwRK mwnsmZvq GKB mgq wbnZ n‡q‡Q 135 Rb| GQvov inm¨RbK, †Rj nvRZ, wPwKrm‡Ki Ae‡njv I mxgvšÍ we‡iv‡a gviv hvq AviI 14 Rb| moK `yN©Ubv, feb am, eRªcvZ, j `yN©Ubv, AwMœKvÊ, we`y¨r¯ú„ó, cvwb‡Z Wz‡e Ges Qv` †_‡K c‡o gviv †M‡Q 239 Rb| †hŠZz‡Ki Kvi‡Y cÖvY nvivq `yÕRb, cywjk †ndvR‡Z gviv hvq `yÕRb| wewfbœ ¯’vb †_‡K cywjk D×vi K‡i 65 R‡bi jvk| AvZ¥nZ¨v K‡i‡Q mvZRb bvix I 4 Rb cyiæl| GKB mgq AcniY n‡q‡Q 85 Ges MY‡MÖßvi n‡q‡Q 902 Rb| wewfbœ msev`c‡Î cÖKvwkZ wi‡cv‡U©i wfwˇZ ms¯’v GB Rwic ˆZwi K‡i‡Q|

Lyjbvq eb wefv‡Mi Kg©KZ©vi Kv‡Q Puv`v `vwe

÷vd wi‡cvU©vi, Lyjbv †_‡K: Lyjbvi Kqivq eb wefv‡Mi kvKevwoqv Unj duvwoi Kg©KZ©v‡`i gv‡m 50 nvRvi UvKv Puv`v `vwe K‡i‡Qb _vbv QvÎjx‡Mi †bZvKg©xiv| ïµevi weKv‡j 3-4wU †gvUimvB‡Kj †hv‡M Zviv duvwo‡Z wM‡q Puv`vi `vwe K‡i I eb wefv‡Mi `yB Kg©Pvix‡K gviwcU K‡i| G NUbvi ci MZKvj kwbevi weKv‡j _vbvq wjwLZ Awf‡hvM `v‡qi K‡i‡Qb kvKevwoqv Unj duvwoi fvicÖvß Kg©KZ©v d‡i÷vi AvjZvd †nv‡mb| m~Î Rvbvb, Dc‡Rjv QvÎjxM †bZv evnviæj, gvgyb, †ivKby¾vgvb, gybœv myRbmn 8-10 Rb †gvUimvB‡Kj †hv‡M ïµevi weKv‡j kvKevwoqv Unj duvwo‡Z wM‡q cÖwZgv‡m 50 nvRvi UvKv Puv`v w`‡Z n‡e e‡j `vwe K‡i| G mgq Zviv ebkªwgK RMeÜz gÊj‡K gviwcU K‡i Ges Aci Kg©Pvixi KvQ †_‡K GK nvRvi UvKv wQwb‡q †bq| G e¨vcv‡i kvKevwoqv Unj duvwoi fvicÖvß Kg©KZ©v d‡i÷vi AvjZvd †nv‡m‡bi iv‡Z †gvevB‡j †hvMv‡hvM Kiv n‡j wZwb Puv`vevwRi NUbvi mZ¨Zv ¯^xKvi K‡i e‡jb, mewKQz Avwg wjwLZ Awf‡hvM AvKv‡i Kqiv _vbvi †m‡KÛ Awdmv‡ii Kv‡Q w`‡qwQ| Avcwb Zvi m‡½ †hvMv‡hvM K‡i †R‡b wbb| _vbvi fvicÖvß Kg©KZ©v Avjx Avhg Rvbvb, wZwb †÷k‡bi evB‡i Av‡Qb| Z‡e G ai‡bi GKwU NUbvi K_v wZwb ï‡b‡Qb| †kl Lei cvIqv ch©šÍ _vbvq †`qv Awf‡hvMwU gvgjv wn‡m‡e †bqvi cÖ¯‘wZ Pj‡Q|

cvebvq cvD‡evÕi 8 †KvwU 73 jvL UvKvi †UÛvi fvM-ev‡Uvqviv

cvebv cÖwZwbwa: cvebv cvwb Dbœqb †ev‡W©i 8 †KvwU 73 jvL UvKvi GKwU †UÛvi fvM-ev‡Uvqviv K‡i wb‡q‡Q AvIqvgx jx‡Mi KwZcq †bZvKg©xi m‡½ wVKv`vi‡`i GKwU wmwÛ‡KU| m~Î Rvbvq, cvebv cvwb Dbœqb †evW© †Rjvi PvU‡gvni Dc‡Rjvi wKby miKv‡ii †Rvjvi Ici w`‡q 10 †fv‡ëi GKwU ¯­yBm †MU wbg©vYKv‡Ri †UÛvi AvnŸvb K‡i| †`‡ki Ab¨Zg wej Pjbwe‡ji cvwb cÖevn wVK ivLv I Ab¨vb¨ myweav cÖ`v‡b GKwU ¯­yBm †MU wbg©v‡Yi cÖKí MÖnY Kiv nq Ges cÖK‡íi wecix‡Z A_© eivÏI †`qv nq| 1/11-Gi ci `yÕevi cÖKí Kv‡R `icÎ AvnŸvb Kiv n‡j wVKv`vwi †Kvb cÖwZôvb G Kv‡R AskMÖn‡Yi mvov †`qwb| 8 †KvwU 73 jvL UvKv e¨‡q ¯­yBm †MU wbg©v‡Yi Rb¨ Rvbyqvwi gv‡m †UÛvi AvnŸvb K‡i cvwb Dbœqb †evW©| 12wU wVKv`vwi cÖwZôv‡bi bv‡g `icÎ †Kbv nq| †UÛv‡ii m‡½ hy³ nq kn‡ii †UÛvievR †b‡Mvwm‡qkb Pµ| mßvnKvj a‡i †MvcbxqZv eRvq †i‡L ¯­yBm †MU wbg©vY Kv‡Ri †b‡Mvwm‡qkb K‡i ivRkvnx, XvKv I cvebvi wVKv`vi‡`i GKwU wmwÛ‡KU|

m~Î Rvbvq, IB †Mvcb `dv-idv ˆeV‡Ki wm×všÍ g‡Z IB wVKv`vwi cÖwZôvb D”P `‡i `icÎ `vwLj Ki‡jI wecwË †`Lv †`q `icÎ e· †Lvjvi c‡i| †Lvjvi ci †`Lv hvq, †UÛv‡i mv‡cvwU©s †`qvi K_v e‡j Aveyj †nv‡mb I gCbyj Bmjvg bv‡gi `yÕwU cÖwZôvb `icÎ `vwLj (Ifvi Wªc) K‡i‡Q| G wb‡q ïi“ nq cvwb Dbœqb †ev‡W©i Awd‡mi wVKv`vi‡`i g‡a¨ †Zvjcvo| GK ch©v‡q Awd‡mi m‡½ wVKv`vi‡`i mg‡SvZv nq Ges 1 †KvwU 5 jvL UvKvq mg‡SvZv Kiv nq| GB 1 †KvwU 5 jvL UvKv cvwb Dbœqb †ev‡W©i Kg©KZ©v, wVKv`vi bvgavix †UÛvievR Pµmn miKvwi we‡kl we‡kl `߇ii Kg©KZ©v-Kg©Pvix‡`i g‡a¨ eȇbi K_v| Dbœqb Kv‡R Ask wb‡Z bv cviv ewÂZ mvaviY e¨emvqxiv GB mg‡SvZv cÖZ¨vL¨vb Kivq †b‡Mvwm‡qk‡bi welqwU kn‡i duvm n‡q hvq| m~Î Rvbvq, miKvwi `jxq KwZcq †bZvKgx©i gva¨‡g eo ai‡bi GB †UÛvievwRi NUbv NUvq kn‡i mgv‡jvPbvi So D‡V‡Q|

hy×vcivax‡`i wePvi evsjv‡`‡ki Af¨šÍixY welq: gwiqvwU©

÷vd wi‡cvU©vi: XvKvq gvwK©b ivóª`~Z †Rgm Gd gwiqvwU© hy×vcivax‡`i wePv‡ii D‡`¨vM‡K ïf D‡`¨vM wn‡m‡e D‡jøL K‡i‡Qb| Z‡e G welqwU GKvšÍfv‡e evsjv‡`‡ki Af¨šÍixY welq wn‡m‡eI D‡jøL K‡ib wZwb| MZKvj ivRviev‡M cywjk evwnbxi m‡½ gvwK©b `~Zvev‡mi GK cÖxwZ ev‡¯‹Uej g¨v‡P Ask †bqvi ci wZwb GK_v e‡jb| cywjk evwnbxi m‡½ IB cÖxwZ g¨v‡P gvwK©b `~Zvevm `j Rqx nq| Abyôv‡b cÖavb AwZw_ wQ‡jb cywj‡ki AvBwR b~i †gvnv¤§`| wZwb c‡i weRqx‡`i g‡a¨ cyi¯‹vi weZiY K‡ib|

UªvbwRU A_©bxwZi Dbœq‡b f‚wgKv ivL‡e

ivwRe Avn‡g`: cvk¦©eZx© †`k¸‡jv‡K UªvbwRU myweav w`‡j Zv †`‡ki A_©bxwZi Dbœq‡b eo ai‡bi f‚wgKv ivL‡e| GB myweav wb‡q e‡m †_‡K †`k eo fzj Ki‡Q| GLbB G myweav cvk¦©eZx© †`k¸‡jvi Kv‡Q wewµ Ki‡Z bv cvi‡j fwel¨‡Z †Kvb Kv‡R Avm‡e bv| KviY G myweav w`‡j evsjv‡`k wecyj cwigvY UªvbwRU wd cv‡e| †`‡ki †ijI‡qi DbœwZ n‡e| cvk¦©eZx© †`k¸‡jv‡K e›`i e¨env‡ii my‡hvM w`‡j e›`i wd cvIqv hv‡e, gsjv e›`i mPj n‡e| PÆMÖvg e›`‡ii Dbœqb n‡e| UªvbwRU †`qvi c‡ÿ hyw³ †`wL‡q Gme K_v e‡j‡Qb cwienb bxwZ wel‡qi we‡klÁ Ges GmKvc-Gi cwienb AeKvVv‡gv Dbœqb wefv‡Mi mv‡eK cwiPvjK W. Gg ingZzjøvn| eZ©gv‡b cwiKíbv Kwgk‡bi cwienb e¨e¯’vi ms¯‹vi welqK GK cÖK‡íi civgk©K GB we‡klÁ e‡jb, UªvbwRU †`qv DwPZ| Z‡e Zv ïay fviZ‡K bq| GB A‡ji †`k fviZ, †bcvj I fyUvb‡K UªvbwRU w`‡q GKwU ms‡hvM ¯’vcb Kiv DwPZ, hvi g~j †K›`ª n‡e evsjv‡`k| Avgiv G myweav w`‡q G A‡ji †`k¸‡jv‡K evsjv‡`‡ki Ici wbf©ikxj K‡i †dj‡Z cvwi| W. ingZzjøvn e‡jb, fviZ‡K bZzb K‡i UªvbwRU †`qvi wKQz †bB| 1972 mv‡j GKwU evwYR¨ Pzw³i gva¨‡g Rjc‡_ fviZ‡K UªvbwRU †`qv Av‡Q| IB myweav †_‡K evsjv‡`k eQ‡i K‡qK †KvwU UvKv Avq K‡i| fvi‡Zi †Kvb Amr D‡Ïk¨ _vK‡j b`xc‡_ UªvbwR‡Ui gva¨‡g Zviv Zv K‡i †dj‡Zv| wZwb e‡jb, evsjv‡`k‡K fviZ UªvbwRU w`‡q‡Q| evsjvev›`v e›`i w`‡q †bcv‡ji m‡½ †hvMv‡hvM K‡i evsjv‡`k| †mLv‡b evsjv‡`k‡K cÖvq 22 wK‡jvwgUvi UªvbwRU w`‡q‡Q fviZ| wZwb Rvbvb, fviZ‡K KjKvZv †_‡K `wÿY-c~e© fvi‡Zi ivR¨¸‡jv‡Z †h‡Z cÖvq 1645 wK‡jvwgUvi Nyi‡Z nq| evsjv‡`‡ki †fZi w`‡q †M‡j `~iZ¡ nq gvÎ 400 wK‡jvwgUvi| UªvbwRU w`‡j fvi‡Zi KvQ †_‡K evsjv‡`k UªvbwRU wd cv‡e| evsjv‡`‡ki †ijI‡q e¨envi Ki‡e fviZ| G‡Z †ijI‡qi Avq evo‡e wecyj cwigvY| wZwb Rvbvb, fviZ‡K UªvbwRU w`‡j Zv‡`i m‡½ `iKlvKwl K‡i Avgv‡`i †ij e¨env‡ii Pzw³ Ki‡Z n‡e| GQvov fvi‡Zi eªW‡MR jvB‡bi †ij evsjv‡`‡ki wgUvi †MR jvB‡b Pj‡Z cvi‡e bv e‡jI Rvbvb wZwb| fviZ, †bcvj I fyUvb‡K e›`i e¨env‡ii my‡hvM †`qvi Ici hyw³ Zz‡j a‡i W. ingZzjøvn e‡jb, †b`vij¨vÛmÕi iUviWvg †cvU© cy‡iv BD‡ivc e¨envi K‡i| UªvbwRU Avi †cvU© e¨envi Ki‡Z w`‡q wm½vcy‡ii g‡Zv GKwU †QvU †`k abx n‡q †M‡Q| ga¨ Gwkqvi †`k¸‡jvi Kv‡Q e›`i myweav wewµi Rb¨ Bivb e›`i AveŸvm bv‡g GKwU e›`i wbg©vY K‡i‡Q| evsjv‡`k e›`i e¨envi Ki‡Z w`‡j wecyj A‡¼i e›`i wd cv‡e, PÆMÖvg e›`‡ii Dbœqb n‡e, gsjv e›`i mPj n‡e| GgbwK Mfxi mgy`ª e›`i wbg©vY Ki‡Z PvB‡jI cvk¦©eZx© †`k¸‡jv‡K e¨envi Ki‡Z w`‡Z n‡e| KviY Mfxi mgy`ª e›`‡ii wekvj ÿgZv e¨env‡ii cÖ‡qvRb evsjv‡`‡ki †bB| d‡j IB e›`i wbg©vY K‡i wecyj ÿwZ n‡e| gybvdv n‡e bv| cvk¦©eZx© †`k¸‡jv‡K e¨envi Ki‡Z w`‡j Mfxi mgy`ª e›`‡ii c~Y© e¨envi wbwðZ n‡e Ges evsjv‡`‡ki cÖPzi gybvdv n‡e| W. ingZzjøvn e‡jb, evsjv‡`‡ki †fЇMvwjK Ae¯’vb `wÿY Gwkqvq †KŠkjMZfv‡e Lye ¸iæZ¡c~Y©| UªvbwRU w`‡q G myweavi c~Y© e¨envi Kiv †h‡Z cv‡i| evsjv‡`k n‡Z cv‡i G A‡ji †hvMv‡hv‡Mi †K›`ª (KwgDwb‡Kkb nve)| Avi GUv n‡Z cvi‡j wm½vcy‡ii g‡Zv Avgv‡`i A_©bxwZi cÖmvi NU‡e| W. ingZzjøvn e‡jb, UªvbwRU we‡ivax‡`i g‡Z, fviZ‡K UªvbwRU w`‡j fvi‡Zi `wÿY-c~e© ivR¨¸‡jv‡Z Avgv‡`i c‡Y¨i evRvi _vK‡e bv, GUv wVK bq| KviY ZLb myweav evwYR¨ †m±i †_‡K cwienb †m±‡i hv‡e| Avi fviZ A‡bK `~i †_‡K cY¨ G‡b IB ivR¨¸‡jv‡Z wewµ K‡i| Kg cwienb LiP w`‡q Avgiv IB ivR¨¸‡jv‡Z cÖwZ‡hvwMZvq wU‡K _vK‡Z cvi‡ev|

mve©‡fŠgZ¡ bó K‡i UªvbwRU †`qv hv‡e bv

Aveyj Kv‡mg: fviZ‡K UªvbwRU w`‡Z wM‡q evsjv‡`‡ki A_©‰bwZK, mvgvwRK, ivR‰bwZK I mvgwiK mve©‡fŠgZ¡ bó Kiv hv‡e bv| fviZ‡K UªvbwRU myweav †`qvi Av‡M dviv°v mgm¨v, ZvjcwÆ Øxc, Amg evwYR¨ e¨e¯’v, cvwbeÈb Pzw³ I evsjv‡`k-†bcvj †hvMv‡hvM e¨e¯’vi m¤§vbRbK mgvavb `iKvi| fviZ‡K UªvbwRU †`qv n‡j evsjv‡`‡ki †fZ‡i A¯¿mn bvbv A‰ea cY¨ Avm‡Z cv‡i| Zviv evsjv‡`‡ki mvgwiK e¨e¯’vqI n¯Í‡ÿc Ki‡e| GQvov evsjv‡`‡ki m‡½ †bcv‡ji †hvMv‡hv‡Mi Rb¨ †h fviZ K‡qK wK‡jvwgUvi iv¯Ív e¨env‡ii AbygwZ †`qwb, †m †`k‡K UªvbwRU †`qv hvq bv| MZKvj gvbeRwgb-Gi m‡½ GKvšÍ mvÿvrKv‡i Gme K_v e‡j‡Qb Rvnv½xibMi wek¦we`¨vj‡qi Aa¨vcK W. Avby gynv¤§`| wZwb e‡jb, evsjv‡`k-fviZ Amg Ae¯’vi g‡a¨ fviZ GK‡PwUqvfv‡e A_©‰bwZK, evwYwR¨K I ivR‰bwZK myweav †fvM Ki‡Q| Zv‡`i †Mv‡q›`v ms¯’vI A‡bK †ewk mwµq I Av‡cwÿKfv‡e A‡bK †ewk kw³kvjx| fvi‡Zi UªvbwRU cÖ¯ÍvewU m¤ú~Y© GKcvwÿK| fviZ Gi gva¨‡g evsjv‡`‡ki f‚LÊ e¨envi Ki‡e| m¤ú`, cÖvwZôvwbK AeKvVv‡gv I wbivcËv e¨e¯’v e¨envi Ki‡e| A_P fvi‡Zi f‚LÊ, AeKvVv‡gv wKQzB e¨envi Ki‡Z cvi‡e bv evsjv‡`k| UªvbwRU m~‡Î fvi‡Zi wewfbœ e¨emvqx †Mvôx evsjv‡`‡k G‡m ZrciZv Pvjv‡e| A_P evsjv‡`‡ki e¨emvqxiv fvi‡Z wM‡q GKB ai‡bi ZrciZv Pvjv‡Z cvi‡e bv| wZwb e‡jb, evsjv‡`‡k fviZxq c‡Y¨i ˆea I A‰ea cÖ‡ek fvi‡Z evsjv‡`kx cY¨ ißvwbi †P‡q A‡bK ¸Y †ewk| evsjv‡`‡ki cÖwZK‚‡j evwYR¨ NvUwZI w`b w`b evo‡Q| evsjv‡`kx cY¨ hv‡Z fvi‡Z ißvwb n‡Z bv cv‡i †m Rb¨ †`kwU bvbv ai‡bi ïé-Aïé evav-wb‡la Av‡ivc K‡i †i‡L‡Q| cvwb eÈb wb‡q fvi‡Zi K‡qK `kK a‡i †h ˆeix ZrciZv Zv-I w`b w`b evo‡Q| dviv°v euv‡ai Kvi‡Y evsjv‡`‡ki Ac~iYxq ÿwZ n‡q‡Q| fviZ cÖwZwbqZ KuvUvZv‡ii †eov I Rw½ ZrciZvi AvIqvR Zz‡j evsjv‡`k‡K ivR‰bwZK I mvgwiK Pv‡ci gy‡L †i‡L‡Q| m¤cÖwZ evsjv‡`‡ki Lv`¨ m¼‡Ui mgq fviZ Pvj ißvwbi K_v e‡jI c‡i Zv eÜ Kivi gva¨‡g evsjv‡`k‡K eø¨vK‡gBj K‡i‡Q| evsjv‡`k I fvi‡Zi Ggb Amg I AwacwZ m¤ú‡K©i g‡a¨ UªvbwRU †`qvi A_© n‡”Q evsjv‡`‡ki Ici fvi‡Zi AvwacZ¨ AviI wbwðZ Kiv| Avby gynv¤§` Rvbvb, fviZ‡K UªvbwRU †`qv n‡j evsjv‡`k A_©‰bwZKfv‡eI ¸iæZi ÿwZMÖ¯Í n‡e| c~e© fvi‡Zi ivR¨¸‡jvi m‡½ evsjv‡`‡ki weivRgvb A_©‰bwZK evwYR¨ †_‡K ewÂZ n‡e| UªvbwR‡Ui Kvi‡Y fvi‡Zi hvbevnb evsjv‡`‡ki †fZ‡i †ewk gvÎvq cÖ‡ek Ki‡e| G‡Z evsjv‡`‡ki wbR¯^ cwienb e¨e¯’vq APjve¯’vi m„wó n‡e| UªvbwR‡Ui bv‡g fviZ AweiZ evsjv‡`‡ki †fZi w`‡q cY¨ cwienb Ki‡Z _vK‡e| †mme gvjvgv‡ji wbivcËvi bv‡g evsjv‡`‡ki mvgwiK e¨e¯’vi g‡a¨I n¯Í‡ÿc Ki‡e fviZ| wZwb e‡jb, fvi‡Zi wK ai‡bi cY¨ evsjv‡`‡ki †fZi w`‡q hv‡e, c‡Y¨i Ici wbqš¿Y Kvi nv‡Z _vK‡e, gwbUwis Ki‡e †Kvb †`k, †m me welqI ¸iæZ¡c~Y©| wZwb Rvbvb, A_©‰bwZK, mvgwiK, ivR‰bwZK `„wófw½mn mKj w`K we‡ePbvq evsjv‡`k †Kvbfv‡eB fviZ‡K UªvbwRU w`‡Z cv‡i bv| wZwb e‡jb, BD‡iv‡ci wewfbœ †`‡k UªvbwRU _vK‡jI mKj †`k mgvb my‡hvM-myweav †fvM Ki‡Q| Avi fviZ‡K UªvbwRU w`‡j Zv n‡e GKcvwÿK|