বাপ নিয়ে বাপান্ত
January 10, 2006
পঞ্চ পান্ডব, পঞ্চ সতী, পঞ্চ নদীর দেশ পাঞ্জাবের কথা আপনারা অনেকেই জানেন কিন্তু পঞ্চ বাবার কাহিনী কি কেউ জানেন?
তাহলে শুনুনঃ বাংলাদেশের প্রত্যেকের না হলেও অনেকের পাঁচজন করে বাবা আছেন। জীবিত অথবা মৃত নিয়েই পাঁচজন। অনেকের এক বা দুইজন বাবা জীবিত আছেন আবর অনেকের কোন বাবাই জীবিত নেই।
জিজ্ঞাসা করলে সকলেই এক বাবার কথাই বলেন। আমিও তাই বলতাম এবং সেই বলাটা যে সঠিক ছিলো তাতে বিন্দু মাত্র সন্দেহ নেই। নতুন নিয়মে হিসাব কষে দেখলাম কারো কারো মতে পুরানো (সঠিক) হিসাব সঠিকভাবেই ভূল। হিসাব মিলিয়ে দেখুনতো আমার বলাটা সঠিক কিনা?
1। আসল বাবা যার ঔরসে জন্ম। তার পরিচই আসল পরিচয় এবং তার সম্পত্তির ওয়ারিশ সকল সন্তান হয়ে থাকে।
2। শ্বশুর বাবাকে সকল বিবাহিত নর-নারী চেনেন। তিনি আইনের বাবা। ইংরেজীতে যাকে বলা হয় ফাদার ইন ল। এই শ্বশুর বাবা কোন কোন পূরূষ এবং মহিলার একাধিক রয়েছে বিবাহের সংখ্যানুযায়ী। তবে বিষয়টি একান্ত ব্যাক্তিগত।
3। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আমাদের একজন বাবা ছিলেন পাক আমলে। তিনি কায়দে আযম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
4। বাংলাদেশের জাতির পিতা হিসেবে শেখ মুজিবর রহমান ছিলেন একতরফা। প্রথম সাড়ে তিন বছর এবং বর্তমানে আবার প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। তবে বিষয়টি বির্তকিত।
5। পীর বাবা সমাজে আছেন, তাদের প্রভাবও খুব বেশী।
6। মুসলমান জাতির পিতা হলেন হযরত ইব্রাহিম (আঃ)। উনাকেই মুসলিম জাতির পিতা হিসেবে বলা হয়। এবং এটাই ইসলামের চুড়ান্ত রায়।
পৃথিবীর কোন দেশের নাগরিকের বোধ হয় এত বাবা নেই যত আমাদের আছে। 1990 সালের 1লা মার্চ জাসদের আ.স.ম আব্দুর রব বলেছিলেন বাঙ্গালী জাতির পিতা নাকি পাঁচজন। যাই হোক এত বাবার সন্তান হয়ে আমরা আসলে কোন পিতার যে সন্তান ঠাওর করা সত্যিই কঠিন। কারন পঞ্চ জাতির পঞ্চ পিতার পঞ্চ চরিত্রের পাঁচমিশালী প্রকৃতি অনুশীলন করে সন্তানরাও বহুরূপী হয়ে যাচ্ছেন।
অনেক পথে একই সময়ে অনেক মানুষ চলতে পারে কিন্তু একজন মানুষ একই সময়ে অনেক পথে চলতে পারেনা একটি পথেই তাকে চলতে হয়। যাকে তাকে চাচা ডাকা যায় কিন্তু যাকে তাকে তো বাবা ডাকা যায়না। মুসলিম জাতির পিতা একজন (অবশ্য মুরতাদ বা মুনাফিক হলে ভিন্ন কথা অন্যথায় কোন ঝামেলা নেই) সেই সাথে ঔরসী পিতা এবং শ্বশুর বাবাই যথেষ্ঠ।
Thursday, February 5, 2009
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment