নরপিশাচের দল আওয়ামীলীগ ৭১ এর পরে আওয়ামী শাসনকাল ছিল বাংলার হাজার বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে কালো অধ্যায়। এসময় নির্বিচারে বিরোধী দলীয় কর্মীদের হত্যা করা হয়। রক্ষি বাহিনী গঠন করে ৩০ হাজার জাসদকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা হয়। শুধু তাই নয় মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ সিকদারকে হত্যা করে সয়ং প্রধান মন্ত্রি মুজিব দম্ভের সাথে সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, 'কোথায় আজ সিরাজ সিকদার?'। দুর্নীতিতে সারা দেশ ভরে গিয়েছিল। লুটপাট করে সব ইন্ডাস্ট্রি ধংস করে দেয়া হয়। মুজিব বলতে বাধ্য হয়েছিলেন, দেশে সাড়ে সাতকোটি কম্বল বিদেশিরা দিয়েছে কিন্তু আমার কম্বল কই? দুর্ভিক্ষে সাড়ে ৬ লাখ লোক মারা যায়।
অতীতের জন্য মাফ চেয়ে ৯৬ এ আবার ক্ষমতায় আসে আওয়ামীলীগ। প্রত্যেক জেলায় জেলায় গডফাদার তৈ্রী করা হয়। হাজারী,তাহের, শামিম ওসমান, হাজী সেলিম, মকবুলরা সারা দেশে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মানুষ খুন, চাদাবাজী আর টেন্ডারবাজীতে মত্ত হয়ে পড়ে। প্রত্যেক মন্ত্রিই দুর্নীতির করে টাকার পাহাড় গড়ে তুলে। যাদের আগে রিক্সায় চড়ার পয়সা ছিলনা, তারা মার্সেডিজ, বিএমডাব্লিউ ছাড়া চলতে পারেনা। দেশ দুর্নিতিতে বিশ্ব চাম্পিয়ন হবার গৌ্রব অর্জন করে। এই সরকার ক্ষমতায় এসে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। দুর্নীতির অভিযোগে আজ পার্টির প্রেসিডেন্ট, সেক্রেটারি সহ অনেক বড় বড় নেতাই আজ জেলে। অনেকে দোষ সিকার করেছেন এবং অনেকের শাস্তি ও হয়েছে।
হরতাল আর অবরোধ করে আওয়ামি সন্ত্রাসীরা দেশের অর্থনীতি ধংস করেছে। বাসে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করেছে। দিনে দুপুরে লাঠি বইঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ হত্যা করেছে যা নর পিশাচ দের ও হার মানায়। লাশের উপর দাঁড়িয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছে। এই হত্যাকান্ড দেখেও আবার তাদের নেত্রি হাসিনা লাঠি বইঠা দিয়ে আরো মানুষ হত্যা করার আদেশ দিয়ে তার সিরিয়াল কিলার মেন্টালিটি প্রকাশ করেছে।
আওয়ামীছাত্রলীগের কর্মীরা জাহাংগীর নগর ইউনিভার্সিটিতে ধর্ষনের সেঞ্চুরী পালন করেছে। চাদাবাজী আর সন্ত্রাসের রেকর্ড স্রিস্টি করেছে। সর্বশেষ তারা জগন্নাথ কলেজে মায়ের মত শিক্ষিকার উপর হামলা চালিয়েছে। তার শাড়ি ব্লাউজ ছিড়ে ফেলেছে। সন্ত্রাস আর চাদাবাজী করা ছাড়া তাদের আর কোনো কাজ নেই।
Wednesday, February 4, 2009
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment